আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

বানিজ্যিক রাজধানী:

চট্টগ্রাম টানেল সংলগ্ন আনোয়ারা প্রান্তে ট্রাকচাপায় যুবক নিহত।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু টানেল সড়কের আনোয়ারা প্রান্তে ট্রাকচাপায় মো. আনোয়ার পারভেজ নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোহাম্মদ বসর ও মোহাম্মদ আজিম নামে আরও দুই জন আহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৬ টার দিকে টানেল সড়কের আনোয়ারা প্রান্তের মোহাম্মদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টানেলের সহকারী প্রকৌশলী (টোল ও ট্রাফিক) তানভীর রিফা। নিহত আনোয়ার পারভেজ আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের মাহাতা গ্রামের মোহাম্মদ ছৈয়দের ছেলে। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, কোরিয়ান ইপিজেডে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। সকালে ডিউটিতে যাচ্ছিলেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী তৌহিদুল ইসলাম বলেন , সকালে তিন জন যুবক সাইকেল চালিয়ে চায়না রাস্তার দিকে যাচ্ছিল। আনোয়ারা প্রান্ত থেকে আসা বেপরোয়া একটি ট্রাক হঠাৎ করে তিন জন সাইকেল আরোহীকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে এক জন নিহত ও অন্য দুই জন আহত হন। আহতদের দ্রুত আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল আহমেদ বলেন, ‌‘দুর্ঘটনার খবরে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ। নিহত যুবকের লাশ এরই মধ্যে থানায় আনা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হলো সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত জাতীয় সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার প্রকাশিত ১৩ বছর পেরিয়ে ১৪ বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসের উদ্যেগে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে। ১৭ জুন বুধবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কর্ণফুলী হলে বর্ষপূতির এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

সাপ্তাহিক অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব রফিকুল ইসলাম কাজলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম পিআইডির সিনিয়র তথ্য অফিসার জিএম সাইফুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন অপরাধ অনুসন্ধান পত্রিকার মুখপাত্র ও আইন উপদেষ্টা এডভোকেট এম আর তোফায়েল, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সময়ের নিউজ এর সহকারী সম্পাদক মোঃ হোসেন, চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সোহাগ আরেফিন, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম বিভাগ সভাপতি ও সমাজ সেবক বাবু সুজিত সরকার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব আবু বক্কর সিদ্দিক।

এতে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দল, শ্রেণি পেশার মানুষ এবং সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয়। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৮ জনকে গুনীজন সম্বর্ধনা প্রদান করা হয়। পরিশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখে: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, “খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে রাখে। একটি সুস্থ, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গঠনে ক্রীড়াচর্চার কোনো বিকল্প নেই।”

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন তাঁর শ্রদ্ধেয় পিতা মরহুম আহম্মদুর রহমানের স্মরণে আয়োজিত “মরহুম আহম্মদুর রহমান স্মৃতি অলিম্পিক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মরহুম হাজী ইসমাঈল স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টার্ফ, নতুনব্রিজ, বাকলিয়ায় এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।

মেয়র বলেন, “আমার শ্রদ্ধেয় পিতা মরহুম আহম্মদুর রহমান সমাজসেবা ও মানবকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর আদর্শ ও মূল্যবোধ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”


তিনি আরও বলেন, “খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য গড়ে তোলে। যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে ক্রীড়াচর্চার প্রসার জরুরি।”

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রামের তরুণদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদ ক্রীড়া পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ক্রীড়াপ্রেমী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী ম্যাচের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ টুর্নামেন্টে বিভিন্ন এলাকার দল অংশগ্রহণ করছে।

উপস্থিত অতিথিরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণদের ক্রীড়ামুখী করে তোলার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ