আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

১৫ বছরে অবিশ্বাস্য উন্নয়নের নজির সৃষ্টি হয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

ঢাকা অফিস:

ঢাকা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ১৫ বছরে অবিশ্বাস্য উন্নয়নের নজির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উন্মুক্ত স্থানসমূহের আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও সবুজায়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় উন্নয়নকৃত শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি পার্কের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভিশন, রুচি ও চেষ্টা থাকলে অনেক কিছু করা যায়। অনেক সময় বড় কিছু করতে গেলে অনেকে অনুৎসাহিত করার চেষ্টা করবে, আটকে দেওয়ার চেষ্টা করবে। অনেক বড় কিছু করার চিন্তা ও তা চেষ্টা করা হলে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদল হয়।

তিনি বলেন, দৃষ্টিভঙ্গি বদল হলে অনেক বড় কিছু অর্জন করা যায়। গত ১৫ বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার বিভিন্ন নজির আমরা দেখেছি। দেশের মানুষ যা কিছু চিন্তা করতে পারেনি, সে ধরনের উন্নয়নের ঘটনা বাংলাদেশে ঘটে গেছে।

তিনি আরও বলেন, ১৫ বছর আগে যদি বলা হতো, ঢাকা শহরে মেট্রোরেল চলবে, তা কেউ বিশ্বাস করত না। যদি বলা হতো, বাংলাদেশের শতভাগ মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছাবে, সেটা কেউ বিশ্বাস করতো না। পদ্মা সেতু আমরা নিজের টাকায় করব, বাংলাদেশের মানুষ এটাও বিশ্বাস করেনি।

আরাফাত বলেন, গত ১৫ বছরে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটে গেছে। আমরা অনেক সাহসী হয়েছি, আমরা এখন অনেক বড় স্বপ্ন দেখতে পারি এবং তা বাস্তবায়ন করতে পারি। সে জায়গা থেকেই ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের বিষয় চলে এসেছে।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ডা. ফজলে রাব্বির নামে পার্কের নামকরণ করায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নামগুলো আমরা আরও স্মরণ করতে চাই, স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখতে চাই এবং আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে নজির হিসেবে রাখতে চাই। যখনই শহীদ ডা. ফজলে রাব্বির বিষয়ে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম প্রশ্ন করবে, জানবে, তখন আরও দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হবে এবং সেভাবেই আগামী দিনের ইতিহাস রচিত হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো.মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে নিকেতন সোসাইটির সভাপতি ডা. এম. এ. বাসার, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রি. জেনারেল মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম পিএসসি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমেনা বেগম, শহীদ ডা. ফজলে রাব্বির ছেলে ওমর রাব্বি বক্তব্য দেন।

পরে উন্নয়নকৃত শহীদ ডা. ফজলে রাব্বি পার্কের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনে অংশগ্রহণ করেন প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া বৃক্ষরোপণ, পার্ক পরিদর্শন এবং নবনির্মিত পুলিশ বক্স উদ্বোধনে অংশ নেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে ইইউ,র ১৪ মিলিয়ন ইউরো অনুদান ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় অতিরিক্ত ১৪ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে অংশীদারত্বের মেয়াদ নবায়নের মাধ্যমে এই অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে, যা জরুরি মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যয় করা হবে।

আজ ১৮ জুন ইইউ ও ইউএনএইচসিআরের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন এই অর্থায়নের আওতায় কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা এবং প্রায় ৭০ হাজার স্থানীয় বাসিন্দা উপকৃত হবেন। বিশেষভাবে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিয়েছে। তাই শুধু জরুরি ত্রাণ নয়, শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জীবিকা অর্জনের সুযোগ তৈরির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন ইইউর ধারাবাহিক সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন- বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য এমন সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটি তাদের সুরক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যতের প্রতি আশাবাদ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বিশ্ব শরণার্থী দিবস ২০ জুন উপলক্ষে এই সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

অপতথ্য ও গুজবের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা নিতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেছেন, গুজব ও অপতথ্য মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা নিতে হবে।তিনি সোমবার ১৫ জুন ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত
১৩-১৫ জুন তিন দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

অপতথ্য ও গুজব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় ব্যক্তিগতভাবে অপতথ্যের শিকার হয়েছি। এখন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুজব ও অপতথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এটি মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়িয়ে সাংবাদিকদের দক্ষ করে তুলতে সারা দেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নেওয়া হবে। সমাজে নানান বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।

নান্দাইল উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত সাংবাদিকদের মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও এআই বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন (জুম মাধ্যমে) পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ এবং নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত। প্রশিক্ষণটি সমন্বয় ও সভা সঞ্চালনা করেন পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নান্দাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হক বাবুল এবং প্রেসক্লাব নান্দাইলের সভাপতি হান্নান মাহমুদ। নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা জান্নাত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নান্দাইল উপজেলার ৩৫ জন সাংবাদিকের হাতে আনুষ্ঠানিক সনদপত্র তুলে দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ