আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

কর্ণফুলী রক্ষায় জনগণের প্রতিবাদ মঞ্চ আয়োজিত মশাল মিছিলে শত শত জনগণের স্বতস্ফূর্ত অংশ গ্রহন

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কর্ণফুলী রক্ষায় জনগণের প্রতিবাদ মঞ্চ আয়োজিত মশাল মিছিলে শত শত জনগণের স্বতস্ফূর্ত অংশ গ্রহনে ফিরিঙ্গীবাজার অভয়মিত্র ঘাট থেকে লালদিঘি ময়দান পর্যন্ত পুরো এলাকা প্রতিবাদের শ্লোগান ধ্বনিতে মুখরিত হয়েছে। আজ রোববার সন্ধ্যায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা কমান্ডার একেএম সরওয়ার কামাল এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মশাল মিছিল অভয়মিত্র ঘাটস্থ কর্ণফুলী তীরের প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে শুরু হয়ে লালদিঘি পাড় প্রদক্ষিণ করে কোতোয়ালি থানা চত্বরে সমাপ্ত হয়। মিছিল শেষে আয়োজিত সমাবেশে একেএম সরওয়ার কামাল বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের পট পরিবর্তনকারী জ্যাকপট অপারেশনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল কর্ণফুলীর ঘাট এবং সাম্পান মাঝিদের। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত কর্ণফুলীর ঘাট তীর দখল করে অবৈধ স্থাপনা করা হচ্ছে। এই অন্যায় কিছুতেই মেনে নেয়া হবে না। স্ট্রেটেজিক মাস্টার প্ল্যান ও হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা না হলে আমরা বন্দর ও ডিসি কার্যালয় ঘেরাও করবো।
সংস্কৃতি কর্মী দিলরুবা খানমের সঞ্চালনায়, প্রতিবাদ মঞ্চের আহবায়ক ডাক্তার মাহফুজুর রহমানের সভাপতির বক্তব্যে বলেন, দেশের স্বার্থে জনগণের কথা শুনে না এমন সরকারি কর্মকর্তারা দেশের মঙ্গলে কাজ করেনা। তারা নিজেদের আখর গুছাতে ব্যস্ত। আমরা আপনাদের মুখোশ উন্মোচন করবো।
প্রতিবাদ মঞ্চের প্রধান সমন্বয়ক আলীউর রহমান ও দিলরুবা খানম ছুটির সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রতিবাদ মঞ্চের প্রধান সমন্বয়ক আলীউর রহমান, সংগঠক রাজনীতিবিদ মিতুল দাশগুপ্ত, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলার চট্টগ্রাম সমš^য়ক মনিরা পারভিন রুবা, চট্টগ্রাম ইতিহাস সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার দাশ, আরকেএস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী জাহেদুল করিম বাপ্পী,চট্টগ্রাম সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলী, তারেকশ^র দস্তিদার স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সিঞ্চন ভৌমিক, শিক্ষিকা রোপি দাশ, রোজী চৌধুরী,রুপনা দাশ, এম শাহাদাত নবী, চরপাথরঘাটা সাম্পান সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন আবুল।
চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি বেলা
বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম
চট্টগ্রাম ইতিহাস সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র
আরএসকে ফাউন্ডেশন
আগামী কাল রোববার বিকাল চারটায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও সন্ধ্যা ৫.৩০ টায় সর্বস্তরের জনগণের অংশ গ্রহনে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় আজাদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ঈদ উপহার পেয়ে খুশি গ্রাম-পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। এসময় উপহার পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম, জয়নাল আবেদীন, হারুন রশীদ, পারভেজসহ অন্যান্য সদস্যরা।

জানা যায়, স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত উদ্যোগে গ্রাম পুলিশদের মাঝে এ ঈদ উপহার বিতরণ করেন। উপহার হিসেবে দেওয়া হয় পাঁচ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ।

উপহার গ্রহণকালে গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম বলেন, “ঈদের আগে এ ধরনের সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। এতে আমাদের পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ আরও বাড়বে।”

এসময় স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, “গ্রাম পুলিশরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে ঈদের আগে সামান্য উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

চট্টগ্রমে আত্মসমর্পণকারী ১২৭ জন জলদস্যুর মাঝে র‌্যাবের ঈদ উপহার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে আত্মসমর্পণকারী ১২৭ জন সাবেক জলদস্যুর মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে র‌্যাবের চট্টগ্রাম ইউনিট। বুধবার চট্টগ্রাম ইউনিটের সদর দপ্তর পতেঙ্গা এলিট হলে র‌্যাব মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, বাঁশখালী ও পেকুয়া উপকূলীয় অঞ্চলের আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের মাঝে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।একইসঙ্গে তাদের বর্তমান জীবনযাপন নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

র‌্যাব জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংস্থাটি অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করে আসছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, ডাকাত, চাঁদাবাজ, খুনি ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে সফলতা অর্জন করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানে ২০১৮ ও ২০২০ সালে ৭৭ জন এবং ২০২৪ সালে আরও ৫০ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণের পর তাদের পুনর্বাসনে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হলে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে বলে জানায় সংস্থাটি। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম র‌্যাবের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিরা র‌্যাবের কল্যাণমূলক উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অপরাধমুক্ত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তারা ভবিষ্যতে সৎ ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ