আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

অনুপ্রবেশের চেষ্টারত ৫ রোহিঙ্গাকে নাফনদীতে আটকে রেখেছে বিজিবি।

চট্টগ্রাম অফিস:

বহিবিশ্ব:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেকনাফ উপজেলার পূর্ব ও দক্ষিণাংশের নাফনদীর ওপারে মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বি*কট শব্দের বি*স্ফো*রণ শুনা গেলেও দুপুর ১ টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টা পর্যন্ত বন্ধ ছিল বি*স্ফো*রণের শব্দ। তবে এর মধ্যে শনিবার বিকাল ৫ টায় একটি নৌকা যোগে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ সীমান্ত দিয়ে ৫ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। তাদের নাফনদীতেই আটকে রেখেছে বিজিবি সদস্যরা।

শাহপরীরদ্বীপের নাফনদী সংলগ্ন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, ওই নৌকায় যে ৫ জন রয়েছে তাদের একজন নারী, অপর ৪ জন পুরুষ। যেখানে নারীটি গু*লিবি*দ্ধ। বিজিবি সদস্যরা নৌকাটি ঘীরে অবস্থান নিয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সাড়ে ৭ টা) ৫ রোহিঙ্গা নাফনদীতে ভাসমান নৌকায় অবস্থান করছেন। বিজিবি সদস্যরা তাদের ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছেন।

শাহপরীর দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আমিন জানিয়েছেন, বিকালে একটি নৌকা শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে পৌঁছে ৫ জন। এদের মধ্যে একজন নারী গু*লিবি*দ্ধ রয়েছেন। শুনা যাচ্ছে তারা নাকি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে এসেছেন।

শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে মাছ ধরতে যাওয়া স্থানীয় যুবক রুবেল বলেন, আমরা জেটিতে বড়শি দিয়ে মাছ ধরছিলাম। এমন সময় একটি নৌকা জেটিতে পৌঁছে। নৌকায় একজন লোককে শুয়ে রাখা হয়েছে। শুনেছি তিনি গু*লিবি*দ্ধ রোহিঙ্গা নারী। পরে বিজিবি সেখানে পৌঁছে নৌকাটি ঘিরে রাখে। নৌকায় গু*লিবি*দ্ধ নারীর হাতে স্যালাইন লাগানো রয়েছে।

তবে জেটিঘাটে থাকা স্থানীয় লোকজন জানান, পাঁচ জন রোহিঙ্গা নাগরিক শাহ পরীর দ্বীপ জেটিঘাটে এসেছেন। এ পাঁচজন রোহিঙ্গা নাগরিক। তার মধ্যে স্বামী স্ত্রী দুজন। আর তিনজন নৌকার মাঝি-মাল্লা বলে দাবি করছে।

সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম বলেন, মিয়ানমার থেকে নাফ নদী অতিক্রম করে একটি নৌকায় পাঁচজন রোহিঙ্গা এসেছেন বলে শুনেছি। এর মধ্যে একজন নাকি নারী গু*লিবি*দ্ধ রয়েছেন তবে বিজিবি তাদেরকে ঢুকতে দিচ্ছেন না।

তবে বিষয়টি নিয়ে এ পর্যন্ত বিজিবির কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র আগের চেয়েও খারাপ অবস্থায়: ওবামা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন- ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পরিস্থিতি যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের তুলনায় আরও খারাপ হয়ে উঠেছে। ১৯ জুন মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, যুদ্ধের পেছনে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করা হয়েছে।সামরিক বাহিনীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে এবং বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। কিন্তু এত বড় মূল্য চোকানোর পরও যুক্তরাষ্ট্র কার্যত আগের অবস্থানেই ফিরে এসেছে।

তারপরও আমরা যুদ্ধ শুরুর আগের জায়গাতেই ফিরে এসেছি। পরিস্থিতি এখন আরও খারাপ।
ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ওবামা ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) বাতিলের সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন। তার মতে, ওই চুক্তি কার্যকর থাকলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতো। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে সরে যাওয়ায় তেহরান আরও বেশি পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন ওবামা। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী রাখতে নাগরিকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় রাখতে হবে।
সংগৃহীত –

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ