আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

ডায়াবেটিক হাসপাতাল ধনী, গরীব সকলকে সমভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে মেয়র এম. রেজাউল করিম চৌধুরী

চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের ৩ দিনব্যাপী ১২তম ডায়াবেটিক মেলা উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস ও ১২তম ডায়াবেটিক মেলা উপলক্ষে আজ ২৮শে ফেব্রæয়ারী থেকে ১লা মার্চ ৩ দিন ব্যাপী যুগপূর্তি ”ডায়াবেটিক মেলা” উদ্বোধন সকাল ১১ ঘটিকায় সমিতির সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফিতা ও কেক কেটে যুগপূর্তি মেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাউদ্দিন মোঃ রেজা। শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর চৌধুরী ।
স্বাহত বক্তব্যে অধ্যাপক জাহাঙ্গীর চৌধুরী বলেন- কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য নয়, শুধুমাত্র সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই মেলার আয়োজন। ২০১১ সালে ডায়াবেটিক মেলার যাত্রালগ্ন থেকে সকলের সর্বাত্মক সহযোগীতা ও প্রচারণার মাধ্যমে প্রচুর সাড়ায় অনুপ্রাণিত হয়ে হাঁটি হাঁটি পা পা করে ডায়াবেটিক মেলা ১২ বছর অর্থাৎ এক যুগ পূর্ণ করেছে। এই মেলাকে আরো বৃহদাকারে করার জন্য সরকারসহ সকলের সহযোগীতা কামনা করছি। ডায়াবেটিক হাসপাতাল যেহেতু জেনারেল হাসপাতাল সেহেতু এখানে ডায়াবেটিক, নন-ডায়াবেটিক রোগীরা ¯^ল্প খরচে সকল চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন এবং এই হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার মানকে আরো আধুনিকায়ন ও উন্নত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
মেলার উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ডায়াবেটিক মেলা ডায়াবেটিক রোগীদের সচেতন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কারণ এই মেলার মাধ্যমে ডায়াবেটিক রোগীরা বিভিন্ন চিকিৎসা সেবা ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অবগত হতে পারবে এবং অত্র হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদ অত্যন্ত আন্তরিকতার সহিত মানবতার কাজের মাধ্যমে এই সমাজকে আলোকিত করছেন। এই হাসপাতাল আর্তমানবতার সেবায় ধনী, গরীব সকলকে সমভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। যার কারণে এই হাসপাতালের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি দিন দিন প্রসারিত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ¯^াস্থ্যখাতে বর্তমান সরকারের সাফল্য আজ বিশ^ব্যাপী ¯^ীকৃতি লাভ করেছে। ¯^াস্থ্যসেবার অগ্রগতির জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই এর তদারকি করছেন এবং সাধারণ মানুষ যাতে ¯^াস্থ্যখাত হতে প্রকৃত সেবা পায় তজ্জন্য তিনি গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিকের চিকিৎসা সেবার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের ব্যুরো চীফ সালাউদ্দিন মোঃ রেজা বলেন, ডায়াবেটিক হাসপাতালে অত্যন্ত কম মূল্যে সব ধরণের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সবরকমের সুযোগ সুবিধা দিয়ে যাচ্ছেন। যদি সকলে মিলে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্যউদ্যোগ গ্রহণ করেন তাহলে অত্র হাসপাতালে একটি মেডিকেল কলেজ করা সম্ভব। যদি মেডিকেল কলেজ হয়, তাহলে এখানকার চিকিৎসকরা প্রকৃত সেবা দিতে পারবেন এবং এতদাঞ্চলে চিকিৎসা সেবার পরিধি বৃদ্ধি পাবে।
আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর নূরুল মোস্তফা টিনু, কাউন্সিলর মোঃ ইলিয়াস, সমিতির সহ-সভাপতি আলহাজ¦ এস এম শওকত হোসেন, মিসেস আবিদা মোস্তফা, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ শাহনেওয়াজ, ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ এস.এম জাফর, নির্বাহী সদস্য প্রিন্সিপাল লায়ন মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, মোঃ শহীদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, হাসপাতাল ডাইরেক্টর ডাঃ নওশাদ আজগার চৌধুরী এবং আদর্শ সচেতন ডায়াবেটিক রোগী শেখ মোঃ মহিউদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ৫ জন আদর্শ সচেতন ডায়াবেটিস রোগীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
মেলার ২য় ও ৩য় দিনের কর্মসূচী
আগামীকাল মেলার ২য় দিন সকাল ৯টায় ডায়াবেটিক সেমিনার ও হেলথ ক্যাম্প মেডিসিন, গাইনী ও প্রসূতি এবং ১লা মার্চ সমাপনী দিন সকাল ৮টায় হেলথ ক্যাম্প চর্ম ও যৌন রোগ ও বিকাল ৩টায় চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা, সচেতনমূলক কুইজ প্রতিযোগীতা, সাংষ্কৃতিক ও পুরষ্কার বিতরণী এবং সমাপনী অনুষ্ঠান ।

(

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের চট্টগ্রামস্থ সহকারী হাইকমিশনের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন আজ বুধবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দীর্ঘ চার বছর বাংলাদেশে কর্মরত থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ডা. রাজীব রঞ্জনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় মেয়র বলেন, “বৈচিত্র্যই ভারতের বড় শক্তি। ভারতের এক একটি রাজ্য থেকে আরেকটি রাজ্যের পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির ভিন্নতা রয়েছে। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশকে ঐক্যবদ্ধ করে চলতে পারার কারণেই ভারত বিশ্বের বুকে একটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আমি ব্যক্তি জীবনে অনেকবার ভারতে গিয়েছি, এমনকি পড়াশোনার জন্যও গিয়েছি।তিনি আরও বলেন – বাংলাদেশের অনেক মানুষ ধর্মীয়, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারতে যান। তাদের ভিসা প্রসেসিং সহজ হলে এবং ভিসা প্রদানের গতি বাড়লে উভয় দেশের মানুষই উপকৃত হবে।”

বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, “চট্টগ্রাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি নগরী। কারণ চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ এখনো অনেকটাই সংরক্ষিত আছে। বিশেষ করে ভাটিয়ারী, পতেঙ্গা ও ফয়’স লেক এলাকা অত্যন্ত নয়নাভিরাম। চট্টগ্রাম শহরের পাহাড় এবং নদীও অপূর্ব সুন্দর। পর্যটনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ যদি এই সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে, তবে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান।সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মেয়র মহোদয় বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনারকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন।

পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে : মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরে বিভিন্ন এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ ও প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন তিনি।পরিদর্শনকালে মেয়র স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চলমান খাল সংস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের কাছ থেকে জেনে নেন। মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর আওতাধীন খাল সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।বিশেষ করে হিজরা খাল ও জামালখান খালের সংস্কার কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।

মেয়র বলেন, এসব উন্নয়ন কাজ চলমান থাকার কারণে সাময়িক দুর্ভোগ তৈরি হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী ১৫ মে’র মধ্যে সিডিএ’র খাল সংস্কার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হবে। কাজ শেষ হলে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি ঘটবে এবং জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।আশাবাদ ব্যক্ত করে মেয়র বলেন, চলমান বর্ষা মৌসুমেই নগরীর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ