চট্টগ্রামের নারী উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পথ দেখিয়ে চলেছেন ড. মনোয়ারা হাকিম আলী- কামরুন মালেক

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘
চট্টগ্রামের নারীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে পথ দেখিয়ে চলেছেন ড. মনোয়ারা হাকিম আলী। উইম্যান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লি. এর চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মহিলা সমিতি চট্টগ্রামের সভানেত্রী, চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল জেলা ৩১৫/বি-৪ বাংলাদেশ এর প্রাক্তন গভর্নর, মিসেস কামরুন মালেক চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিডব্লিউসিসিআই) এর উদ্যোগে বিশ^ নারী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, মনোয়ারা হাকিম আলী তার চিত্ত, বিত্ত, মেধা-মনন দিয়ে চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিকে এমনভাবে গড়ে তুলেছেন যার মাধ্যমে একজন নারী উদ্যোক্তা হতে চাইলে তাকে সব ধরনের সহযোগিতা গ্রহণ করতে পারে। নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে তার একনিষ্ঠ কর্মকাণ্ড ও ত্যাগ বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তারা সারাজীবন কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করবে। তিনি মনোয়রা হাকিম আলীর সুস্থতার জন্য সবার নিকট দোয়া প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোশরেকা অদিতি হক তার বক্তব্যে বলেন, বিশ^ নারী দিবস হলো নারীদের অস্তিত্বের প্রতীক। দীর্ঘদিনের সংগ্রাম ও ইতিহাস এ দিনের সাথে জুড়ে আছে। এবারের নারী দিবসের যে প্রতিপাদ্য, ওহাবংঃ রহ ডড়সবহ: অপপবষবৎধঃব চৎড়মৎবংং, এর মাধ্যমে নারীদের উন্নয়নে কাজ করার জন্য গুরুত্বারোপ প্রদান করা হয়েছে। নারীদের অগ্রগতির জন্য কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে আহŸান জানান। অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে সিডব্লিউসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট ইন-চার্জ ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবিদা মোস্তফা বলেন, বিশে^ যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যানকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। ইতিহাসের পাতায় দেখলেই আমরা বুঝতে পারি তাদের নানান অবদান। এই নারী দিবসে আমি সেই সকল মহিয়সী নারীদের স্মরণ করছি যারা নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে কাজ করে গেছেন। তিনি আরও বলেন, নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেয়। তারা এখন স্বাবলম্বী হতে চায় আর আর্থিক স্বাধীনতা অর্জন করতে চায়। এ লক্ষ্যে, আমাদের চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি নারীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে যার মাধ্যমে নারীরা আর্থিকভাবে ক্ষমতা অর্জন করতে পারে। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন কমিটির চেয়ারপারসন ও সিডব্লিউসিসিআই এর ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশাত ইমরান বলেন, নারী দিবস শুধু একদিন নয়। একদিন হলে আমাদের নারীদেরকে অসম্মান করা হয় বলে আমি মনে করি। তাই আমাদের সারা বছরজুড়ে নারী দিবস পালন করতে হবে তাদেরকে সম্মান প্রকাশ করতে। নারীকে ঘর থেকেই সম্মান শুরু করতে হবে। তাহলেই সমাজ, দেশ, জাতির কাছ থেকে সে সম্মান পাবে। অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি বেলুন উড়িয়ে বিশ^ নারী দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত র‌্যালির উদ্বোধন করেন। দ্বিতীয় পর্বে, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি সহ সম্মানিত অতিথিবৃন্দ সমবেতভাবে কেক কেটে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানে ‘বাংলার মহিয়সী নারী’ শিরোনামে চরিত্র চিত্রণ করা হয় যা আগত অতিথিদের সম্মুখে উপস্থাপন করেন সিডব্লিউসিসিআই এর সদস্য নারী উদ্যোক্তারা। যেখানে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর চরিত্রে শাহিন আক্তার, বেগম রোকেয়া এর চরিত্রে সৈয়দা আরজুমান সুলতানা, বেগম মুশতারী শফী এর চরিত্রে আনোয়ারা শাহরিয়ার রিনু, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর চরিত্রে শিরীণ আক্তার শিল্পী, জাহানারা ইমাম এর চরিত্রে জেনিফার আলম, শামসুন নাহার মাহমুদ এর চরিত্রে লায়লা ফাতেমা, বেগম সুফিয়া কামাল এর চরিত্রে রওশন আরা, নভেরা আহমেদ এর চরিত্রে সুবর্ণা দে, রমা চৌধুরী এর চরিত্রে কমলা দাশ, মনোয়ারা হাকিম আলী এর চরিত্রে সাবিনা কাইয়ুম যথাক্রমে নিজেদের উপস্থাপন করেন। এছাড়া, বিশ্ব নারী দিবস উপলক্ষ্যে সিডব্লিউসিআিই বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার ও ডিবেটার্স অব চিটাগাং ইউনিভার্সিটি এর যৌথ উদ্যোগে জাতীয় ও আঞ্চলিকভাবে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আয়োজিত ‘সমতায় নারী, ক্ষমতায় নারী’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে কাপ, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন সিডব্লিউসিসিআই এর পরিচালক রুহি মোস্তফা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নূজহাত নূয়েরী কৃষ্টি, আইভি হাসান ও শেখ সাদিয়া সিদ্দিকা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিডব্লিসিসিআই এর ভাইস প্রেসিডেন্ট সীমা খাতুন, শামীম মোরশেদ ও লুৎমিলা ফরিদ এবং পরিচালকমণ্ডলীর সদস্য সহ সিডব্লিউসিসিআই এর সদস্যবৃন্দ এবং চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. সফি উল্যাহ চৌধুরী (৭০) নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূর নবী (৬০)। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূর নবী ও তার ভাই-বোনেরা পৈত্রিক সূত্রে ১৩ নম্বর চরপার্বতী মৌজার সিএস ৯৯১ নম্বর খতিয়ানের ১২০৮ নম্বর দাগে নকশা অনুযায়ী ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির মধ্যে পাঁচ শতাংশের মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকায় ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সফি উল্যাহ চৌধুরী অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জমিতে থাকা দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পরে সেখানে মাটি ভরাট করে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এতে নূর নবী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণের কাজে বাধা দিলে মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ ও শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী।

নূর নবী বলেন, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বসতবাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানোর পর তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে সফি উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘সেটি প্রমাণের জন্য আমি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওসির কাছে উপস্থাপন করব।’
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন অনেক অভিযোগ জমা পড়ে। লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের যোগসাশসে ইটভাটার জন্য প্রবাসীর জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটার জন্য এক দুবাই প্রবাসীর বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদীয়া ব্রিকফিল্ডের মালিক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শ্যালককে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানার তিন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধেও ইটভাটার মালিকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জমি বন্ধক দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিলকায়েছ আরা বেগম ও শ্যালক নূর হোসেন মানিক।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা বসতভিটার জমিতে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে চান জাকির হোসেন। এ জন্য জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করছেন তিনি। জমি বিক্রি কিংবা তার কাছে বন্ধক না দিলে পরিবারটিকে এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

পরিবারটির দাবি, গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম থানায় মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।

তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে এসআই নজরুল প্রবাসীর স্ত্রী ও তার বড় ভাইকে থানায় ডেকে নেন। সেখানে জাকিরের কাছে জমিটি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তারা তাতে রাজি হননি। এর চার দিন পর, ১৬ অক্টোবর স্বামীর কেনা জমিতে ২১ ফুট বাই ১৬ ফুট আয়তনের টিন ও কাঠ দিয়ে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন বিলকায়েছ আরা বেগম। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। একই সঙ্গে জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। অন্যথায় তাদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরিবারটির ভাষ্য, পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন দোচালা ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে গত ২৬ অক্টোবর দুবাই দূতাবাসের মাধ্যমে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল গোফরান। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে জাকিরের লোকজন আবারও ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেঙে ফেলা ঘর ও সীমানাপ্রাচীরের কাঠ ও টিন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পরিবারটির আরও অভিযোগ, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি ও বিধিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘মোহাম্মদীয়া’ নামের ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে শ্রমিক পরিচয়ে লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইটভাটার মালিক জাকির হোসেন বলেন, ইটভাটার ভেতরে প্রবাসীর ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর আমার মাটির স্তূপ রয়েছে। আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন। এরপর তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর এসআই সুমন ও আনোয়ারও সেখানে যান। উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযোগকারী পক্ষ সেখানে ঘর নির্মাণ করতে গেলে ইটভাটার লোকজন বাধা দেন। পরে প্রবাসীর পরিবারসহ দুই পক্ষ বিষয়টি বর্তমান ওসিকে অবহিত করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানানো হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ