আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আইএসডিই এর উদ্যোগে মহেশখালীতে ঘুর্নীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নতুন গৃহ হস্তান্তর

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বেসরকারী সমাজ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান আইএসডিই বাংলাদেশের উদ্যোগে ব্র্যাক ও অস্ট্রেলিয়ান এইড এর সহযোগিতায় ঘুর্নীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থ গৃহহীন জনগোষ্ঠির মাঝে নতুন গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে। ২৬ মার্চ ২০২৪ইং স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এক অনানুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয়। মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আধারঘোনা এলাকায় কহিনুর আক্তারের কাছে নতুন ঘর হস্তান্তর উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক সাইক্লোন মোখা রেসপন্স টিমের ফোকাল পার্সন খালেদ মোরশেদ, কালারমারছড়া ইউনিয়নের প্যানেল ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু আহমেদ, আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার আমেনা বেগম, ব্র্যাক এইচসিএমপি কক্সবাজারের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলাম, প্রকল্প কারিগরী কর্মকর্তা প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, আইএসডিই বাংলাদেশের কর্মসূচি সমন্বয়কারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মারুফুল ইসলাম, আইএসডিই বাংলাদেশের রোহিঙ্গা রেসপন্স এর কক্সবাজারের প্রধান মোঃ জসিম উদ্দীন সিদ্দীকী, আইএসডিই অর্থ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সানাউল্যাহ, আইএসডিই মহেশখালী উপজেলা ব্যবস্থাপক মনজুর আলম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক সাইক্লোন মোখা রেসপন্স টিমের ফোকাল পার্সন খালেদ মোরশেদ বলেন, উপকূলীয়ীয় মহেশখালী উপজেলাটি যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য খুবই ঝুঁকিপুর্ণ হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থার অনুকল পরিবেশ না থাকায় এখানে ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির মাঝে সহায়তা পৌঁছানো কঠিন। সেখানে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই দীর্ঘদিন ধরেই এখানে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেকারনেই আইএসডিই এর সাথে পার্টনাশীপের মাধ্যমে ঘুর্নীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে সহায়তা পৌঁছানো হয়। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির মাঝে এ সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্ঠা করা হয়। কালারমারছড়া ইউনিয়নের প্যানেল ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু আহমেদ বলেন, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই ব্রাকের সহায়তায় এ ধরনের মানবতাবাদী কর্মকান্ড পরিচালনায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। সীমিত বাজেটে একটি পরিপূর্ন ঘর উপহার দেয়া হয়েছে। একই সাথে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থরাই সহায়তা পেয়েছে, সেকারনে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে এখানে ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির সংখ্যা অনেক বেশী, তাই সহায়তার পরিমান বাড়ানোর জোর দাবি জানান। আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ব্র্যাক ও অস্ট্রেলিয়ান এইডের সহায়তায় সাইক্লোন মোখা রেসপন্স প্রকল্পের আওতায় মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নে ঘূর্ণীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির জন্য পুর্নবাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে আইএসডিইকে সম্পৃক্ত করায় ব্র্যাকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আর ও বলেন, উপকূলীয় মহেশখালী উপজেলা নানাভাবে অবহেলিত ও বঞ্চিত। একই সাথে বিদ্যুত খাতের সরকারী বেসরকারী নানা মেঘা প্রকল্প চলমান থাকায় এখানে জীবন জীবিকা নিয়ে ঠিকে থাকা কঠিন, পরিবেশ প্রতিবেশ হুমকির মূখে ও উদ্ববাস্তু জনগোষ্ঠির সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগনের সহযোগিতা নিয়ে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থদের বাছাই করা অনেক কঠিন থাকলেও সীমিত সামর্থের কারনে তা সম্পন্ন করতে হয়েছে। নতুন ঘর গ্রহিতা কালারমারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আধারঘোনা এলাকায় কহিনুর আক্তার তাঁর প্রতিক্রিয়ায় জানান, স্বামী হারা হবার কারনে নিজের ঘর তৈরী করার সামর্থ ছিলো না। সেকারনে ঘরবাড়ী হারা হয়ে মানবেতর জীবন যাপনে বাধ্য হয়েছিলেন। আইএসডিই সেখানে ত্রাণ কর্তা হয়ে আশ্রয়ের সুযোগ করে দিয়েছে, সেকারনে তাদের প্রতি চির কতৃজ্ঞ থাকবো।

উল্লেখ্য বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই ব্র্যাক ও অস্ট্রেলিয়ান এইড এর সহযোগিতায় মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নে ঘুর্নীঝড় মোখায় ক্ষতিগ্রস্থ জনগোষ্ঠির মাঝে ০৮টি নতুন ঘর, ১১টি ঘর মেরামত, ১৪টি নলকুপের প্লাটফরম তৈরী, ১৮টি নতুন স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা স্থাপন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ