আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

জকিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ঈদ পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জকিগঞ্জ (সিলেট) সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জকিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪ টায় জকিগঞ্জ কাস্টমস ঘাটে জকিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জুবায়ের আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক আহসান হাবীব লায়েকের সঞ্চালনায় সকল সদস্যদের সাথে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় এবং সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধির লক্ষে আলোচনা করা হয়।
আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআনে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম জয়নাল ও ইসলামী সংগীত পরিবেশন করেন তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আহমদ আল-মনজুর।
প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে উপস্থিতদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি জামাল আহমদ, কোষাধ্যক্ষ তারেক আহমদ, ক্রিড়া সম্পাদক লিমন তালুকদার, নির্বাহী সদস্য হাবিবুল্লাহ মিসবাহ, রায়হান আহমদ, সদস্য আব্দুস শহীদ শাকির, জাকির আহমদ, সাইফুর রহমানসহ সাংবাদিক পরিবারের সদস্যরা।
এসময় সকল গণমাধ্যম কর্মীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব লায়েক বলেন, পরিশ্রমী ও চ্যালেঞ্জজীয় পেশা নেশা হলো সাংবাদিকতা। মৃত্যুভয় কারো বা রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সংবাদ পরিবেশন করা হলো সাংবাদিকতা। তাইতো সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক। বিবেকের দর্শনে দেশ মানুষ মানবতাকে সত্যের সংমিশ্রমে তুলে ধরাই হলো প্রকৃত সাংবাদিকের কাজ। আমাদের সকলেই ঐক্যবদ্ধভাবে সংবাদ পরিবেশনে আরো তৎপর হতে হবে।
সভার সমাপনী বক্তব্যে প্রেসক্লাবের সভাপতি জুবায়ের আহমদ বলেন, বস্তুনিষ্ট ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করতে হবে। জাতীয় স্বার্থে কথা বলতে হবে। কোন দলীয় বা ব্যক্তি স্বার্থে উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রতিবেদন করা উচিত নয়। এসব দিকে আমাদের সাংবাদিকদের সচেতন হতে হবে। আপনাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে যেভাবে দিন দিন সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জকিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সম্মান কুড়িয়েছেন তা ধরে রাখতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান। পরিশেষে জকিগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল মুসলিম উম্মাহর প্রতি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিযয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপকূলে বাড়ছে বজ্রপাতের তাণ্ডব: জীবন রক্ষায় চাই বিশেষ সতর্কতা ও সচেতনতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

​দক্ষিণাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত খুলনা জেলার পাইকগাছাসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে এখন বোরো ধান কাটার মহোৎসব চলছে। তবে এই উৎসবের আমেজকে বিষাদে রূপ দিচ্ছে আকাশের ‘অগ্নিঝলক’ বা বজ্রপাত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই অঞ্চলে বজ্রপাতের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রধান শিকার হচ্ছেন খোলা মাঠে কর্মরত কৃষকরা।

​পাইকগাছার বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠ এবং লোনা পানির ঘের সংলগ্ন এলাকায় কোনো বড় গাছপালা বা উঁচু স্থাপনা নেই। ফলে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকা কৃষকরাই সরাসরি এর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা গরম ও আর্দ্র বাতাসের সাথে উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের সংঘর্ষে এই উপকূলীয় অঞ্চলে মেঘের ঘর্ষণ বেশি হয়, যার ফলে বজ্রপাতের তীব্রতা ও সংখ্যা দুই-ই বাড়ছে।

​সাধারণত চৈত্র-বৈশাখ মাসে খুলনা অঞ্চলে দুপুরের পর থেকেই কালবৈশাখী ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। ঠিক এই সময়েই কৃষকরা ধান কাটা ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন। পাইকগাছার অনেক কৃষকের মতে, হঠাত মেঘ জমলে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আগেই বজ্রপাত শুরু হয়ে যায়। কাছাকাছি কোনো পাকা দালান বা উঁচু গাছ না থাকায় তারা চরম জীবনের ঝুঁকিতে থাকেন।

​বজ্রপাত থেকে বাঁচতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ , আকাশে ঘন কালো মেঘ বা বিদ্যুৎ চমকানো শুরু করলে দ্রুত পাকা দালান বা টিনের চালের নিচে আশ্রয় নিন, বজ্রপাতের সময় মাছের ঘের, নদী বা খোলা ধানখেত থেকে দ্রুত সরে আসতে হবে, বড় গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নিচে দাঁড়ানো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ,ছাতা বা কাস্তের মতো ধাতব হাতলযুক্ত কোনো কিছু এ সময় ব্যবহার করবেন না, .কাজ করার সময় রাবারের জুতো বা গামবুট ব্যবহার করলে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব, বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।

​বজ্রপাতকে বর্তমানে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে তালগাছ রোপণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। পাইকগাছাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকদের জীবন সুরক্ষায় মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস)’র সাধারণ সভা ও আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস) এর সাধারণ সভার মধ্যে দিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে প্রকৌশলী মোঃ সোহরাব হোসেন আহ্বায়ক ও প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি আজ ৫ মে, মঙ্গলবার বিকাল ৩.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত আগ্রাবাদস্থ বিদ্যুৎ ভবন চট্টগ্রাম কার্যালয়ে গঠিত হয়। উক্ত সাধারণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী মোঃ সিহাব উদ্দীন, প্রকৌশলী মোঃ সোরহাব হোসেন, প্রকৌশলী মোঃ সাজিদ, প্রকৌশলী মোঃ রায়হানুর রহমান রুহেল, প্রকৌশলী মোঃ সজীব উদ্দীন, প্রকৌশলী মোঃ ওলিউল ইসলাম, প্রকৌশলী মোঃ নূর ইসলাম, প্রকৌশলী আলাউদ্দীন সোহাগ, প্রকৌশলী মোঃ আনিছুর রহমান সহ অসংখ্য ডিপ্লোমা প্রকৌশলীনেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতিকে আওয়ামী লীগের লেজুড়বৃত্তি সংগঠনে পরিণত করেছিল ডিপ্লোমা প্রকৌশলী নামধারী কিছু চিহ্নিত সুবিধাভোগী।

১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনের সকল সেক্টরকে ফ্যাসিস্টমুক্ত-স্বতন্ত্র পেশাজীবী এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ গঠনে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীনেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ। সাধারণ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দাবি দাওয়া আদায়ে স্বতন্ত্র সংগঠন হিসেবে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ সাধারণ প্রকৌশলীদের পাশে থাকতে সর্বদা বদ্ধপরিকর। নতুন কমিটি গঠনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস) ফ্যাসিস্ট মুক্ত হইল।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ