আজঃ বৃহস্পতিবার ৭ মে, ২০২৬

সাবেক হুইপ সামশুল অনুসারী চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নেতাকে ‘বিবস্ত্র করে’ পিটুনি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছাত্রলীগের এক ছাত্রলীগের এক নেতাকে প্রায় বিবস্ত্র করে বেধড়ক পিটুনির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জেলার পটিয়া উপজেলায় ওই ছাত্রলীগ নেতা অভিযোগ করেছেন, পটিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর অনুসারী হওয়ায় তাকে মারধরের শিকার হতে হয়েছে। মারধরকারীরা বর্তমান সংসদ সদস্য মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর অনুসারী বলে তিনি জানান। গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে এ ঘটনার পর রাতের মধ্যে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।মারধরের শিকার আসাদুজ্জামান আসাদের বাড়ি (৩০) কোলাগাঁও ইউনিয়নে। তিনি ওই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পটিয়া উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, স্যান্ডো গেঞ্জি ও পায়জামা পরিহিত আসাদকে প্রকাশ্যে একটি গাছের সঙ্গে লাগিয়ে পেটানো হচ্ছে। তার মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। এসময় তাকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তাকে মাফ করে দেওয়ার জন্য বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে মারধরকারীদের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চলে যাওয়ার সময় তাকে আবার ধরে বিবস্ত্র করার চেষ্টা চলে।
আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আমি পটিয়া পৌরসভায় যাবার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে কোলাগাঁওয়ের টেক থেকে বাসে উঠি। তখন ৪-৫ জন বাস থামিয়ে আমাকে টেনে সেখান থেকে নামিয়ে নেয়। এরপর আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি মারতে থাকে। প্রথমেই আমার পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলে। এরপর আমাকে বিবস্ত্র করা হয়। সেখানে অনেক লোকজন জড়ো হয়েছিল। সবার সামনে আমাকে বিবস্ত্র করেছে, এটা আমার খুবই খারাপ লাগছে। আমার মাথা ফেটে গেছে, ঠোঁটে, মুখে এবং বুকে আমি মারাত্মক আঘাত পেয়েছি।মারধরকারীরা চলে যাবার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিয়ে যায় এবং তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন।
জানা গেছে, গত ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের আগ থেকে পটিয়ায় একের পর এক হামলা, সংঘাতের ঘটনা ঘটছে। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে সামশুল হক চৌধুরী ২০০৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। শেষবার তাকে সংসদের হুইপ করা হয়েছিল।দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তার বদলে দলটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন সামশুল। এর ফলে মোতাহেরুল ও সামশুলের অনুসারীরা মুখোমুখি অবস্থানে পৌঁছে। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে নির্বাচনের আগেরদিন পর্যন্ত সামশুলের গণসংযোগে দফায় দফায় হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। সামশুলের পাশাপাশি তার ভাই-বোনও হামলার শিকার হয়ে আহত হন। রক্তক্ষয়ী এসব সংঘাতের জন্য সামশুল আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী ও তার অনুসারীদের দায়ী করে আসছিলেন।নির্বাচনে মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে ধরাশায়ী হন সামশুল হক চৌধুরী।
এদিকে হামলার জন্য কোলাগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বুলবুল হোসেনকে দায়ী করে আসাদ বলেন, আমি সাবেক হুইপ সামশুল হক চৌধুরী সাহেবের অনুসারী। বুলবুল বর্তমান এমপির লোক। সে এলাকায় মাদকের কারবার করে। আমি সবসময় এসবের প্রতিবাদ করি। সে আমাকে আগেও কয়েকবার ইয়াবা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছে। শেষপর্যন্ত আমাকে একা পেয়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী নিয়ে আমার ওপর হামলা করেছে। এরপর আবার তারাই ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দিয়েছে। সুস্থ হয়ে আমি মামলা করব।
জানতে চাইলে বুলবুল হোসেন বলেন, যে ভিডিওর কথা বলছেন, সেখানে তো আমি নেই। ঘটনা ঘটেছে ১২টা-সাড়ে ১২টার দিকে। আমি তখন পটিয়ায় এমপি সাহেবের (মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী) সঙ্গে ছিলাম। যতদূর জানি, ঘটনা হয়েছে কোলাগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আবু হানিফের সঙ্গে। এখানে আমাকে জড়ানো হচ্ছে কেন, বুঝতে পারছি না।
আবু হানিফ বলেন, রোজার মাঝামাঝিতে আসাদ আমাদের ছাত্রলীগের ছোট ভাই জোবায়েরের কাছ থেকে আট হাজার টাকা দিয়ে একটি মোবাইল নেয়। ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকি দুই হাজার টাকা ঈদের আগের রাতে দেয়ার কথা ছিল, কিন্তু দেয়নি। জোবায়ের গত শুক্রবার সকালে আসাদের বাড়িতে গিয়ে তার কাছে টাকা দাবি করে। তখন আসাদসহ কয়েকজন মিলে জোবায়েরকে মারধর করে।
জোবায়ের একথা আমাদের জানায়। কিছুক্ষণ পর আসাদকে আমরা কোলাগাঁও টেকে দেখে জিজ্ঞেস করি। তখন সে আমাদের উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকে। তখন তার সঙ্গে হাতাহাতি হয়েছে। ভিডিও কে করেছে, সেটা আমরা জানি না। জোবায়ের তাকে মারধরের জন্য থানায় অভিযোগ করেছে। তবে জোবায়েরের সঙ্গে মোবাইল নিয়ে মনোমালিন্য ও তাকে মারধরের ঘটনা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ।
এ বিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, জোবায়ের নামে এক ছেলে তার মারধরের একটি অভিযোগ দিয়েছে। সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। এর মধ্যে এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের একটি ভিডিও আমরা দেখেছি। তবে এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। আমরা সেটাও তদন্ত করে দেখছি যে, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির নির্বাচন সরে দাঁড়ালো জামায়াতপন্থী প্যানেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ, চট্টগ্রাম। বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে আগামী দুই মাসের মধ্যে নতুন কমিশন গঠন করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুল আলম অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়ে একটি পক্ষকে সুবিধা দিতে কাজ করছে। এতে সমিতির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সময় তাদের প্রার্থীরা নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েন। অনেককে কমিশন কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত ৫ মে বিকেল ৫টার মধ্যে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার কথা থাকলেও তা করা হয়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করা হয়। এছাড়াও নির্বাচন আয়োজন না করে আপসের মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। এতে রাজি না হওয়ায় তাদের প্রার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, প্রার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যবহার করে হয়রানি করা হতে পারে। সার্বিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে তা বর্জনের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।
একইসঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে নিরপেক্ষ নতুন কমিশন গঠন এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে পুনরায় নির্বাচন আয়োজনের জোর দাবি জানানো হয়।

সাংবাদিক আলী আকবরের মায়ের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও সিএমইউজের শোক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য ও বাংলাভিশনের সিনিয়র চিত্র সাংবাদিক আলী আকবরের মা নুর বানু বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) নেতৃবৃন্দ।

মঙ্গলবার (০৫ মে) এক শোকবার্তায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ এবং সিএমইউজে সভাপতি মো. শাহনওয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, মা হারানোর শোক পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শূন্যতা। এই শূন্যতা কোনো কিছু দিয়ে পূরণ হওয়ার নয়। এই কঠিন সময়ে সৃষ্টিকর্তা শোকাহত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ওনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

নুর বানু বেগম বার্ধক্যজনিত রোগসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। মরহুমার জানাজার নামাজ বাদে জোহর হাটহাজারী উপজেলার পশ্চিম ফরহাদাবাদস্থ ‘হিম্মত মুহুরী বাড়ি’ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ছয় পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ