সাবেক হুইপ সামশুল অনুসারী চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নেতাকে ‘বিবস্ত্র করে’ পিটুনি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছাত্রলীগের এক ছাত্রলীগের এক নেতাকে প্রায় বিবস্ত্র করে বেধড়ক পিটুনির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জেলার পটিয়া উপজেলায় ওই ছাত্রলীগ নেতা অভিযোগ করেছেন, পটিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর অনুসারী হওয়ায় তাকে মারধরের শিকার হতে হয়েছে। মারধরকারীরা বর্তমান সংসদ সদস্য মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর অনুসারী বলে তিনি জানান। গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে এ ঘটনার পর রাতের মধ্যে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।মারধরের শিকার আসাদুজ্জামান আসাদের বাড়ি (৩০) কোলাগাঁও ইউনিয়নে। তিনি ওই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পটিয়া উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, স্যান্ডো গেঞ্জি ও পায়জামা পরিহিত আসাদকে প্রকাশ্যে একটি গাছের সঙ্গে লাগিয়ে পেটানো হচ্ছে। তার মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। এসময় তাকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তাকে মাফ করে দেওয়ার জন্য বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে মারধরকারীদের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চলে যাওয়ার সময় তাকে আবার ধরে বিবস্ত্র করার চেষ্টা চলে।
আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আমি পটিয়া পৌরসভায় যাবার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে কোলাগাঁওয়ের টেক থেকে বাসে উঠি। তখন ৪-৫ জন বাস থামিয়ে আমাকে টেনে সেখান থেকে নামিয়ে নেয়। এরপর আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি মারতে থাকে। প্রথমেই আমার পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলে। এরপর আমাকে বিবস্ত্র করা হয়। সেখানে অনেক লোকজন জড়ো হয়েছিল। সবার সামনে আমাকে বিবস্ত্র করেছে, এটা আমার খুবই খারাপ লাগছে। আমার মাথা ফেটে গেছে, ঠোঁটে, মুখে এবং বুকে আমি মারাত্মক আঘাত পেয়েছি।মারধরকারীরা চলে যাবার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিয়ে যায় এবং তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন।
জানা গেছে, গত ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের আগ থেকে পটিয়ায় একের পর এক হামলা, সংঘাতের ঘটনা ঘটছে। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে সামশুল হক চৌধুরী ২০০৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। শেষবার তাকে সংসদের হুইপ করা হয়েছিল।দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তার বদলে দলটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন সামশুল। এর ফলে মোতাহেরুল ও সামশুলের অনুসারীরা মুখোমুখি অবস্থানে পৌঁছে। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে নির্বাচনের আগেরদিন পর্যন্ত সামশুলের গণসংযোগে দফায় দফায় হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। সামশুলের পাশাপাশি তার ভাই-বোনও হামলার শিকার হয়ে আহত হন। রক্তক্ষয়ী এসব সংঘাতের জন্য সামশুল আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী ও তার অনুসারীদের দায়ী করে আসছিলেন।নির্বাচনে মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে ধরাশায়ী হন সামশুল হক চৌধুরী।
এদিকে হামলার জন্য কোলাগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বুলবুল হোসেনকে দায়ী করে আসাদ বলেন, আমি সাবেক হুইপ সামশুল হক চৌধুরী সাহেবের অনুসারী। বুলবুল বর্তমান এমপির লোক। সে এলাকায় মাদকের কারবার করে। আমি সবসময় এসবের প্রতিবাদ করি। সে আমাকে আগেও কয়েকবার ইয়াবা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছে। শেষপর্যন্ত আমাকে একা পেয়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী নিয়ে আমার ওপর হামলা করেছে। এরপর আবার তারাই ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দিয়েছে। সুস্থ হয়ে আমি মামলা করব।
জানতে চাইলে বুলবুল হোসেন বলেন, যে ভিডিওর কথা বলছেন, সেখানে তো আমি নেই। ঘটনা ঘটেছে ১২টা-সাড়ে ১২টার দিকে। আমি তখন পটিয়ায় এমপি সাহেবের (মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী) সঙ্গে ছিলাম। যতদূর জানি, ঘটনা হয়েছে কোলাগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আবু হানিফের সঙ্গে। এখানে আমাকে জড়ানো হচ্ছে কেন, বুঝতে পারছি না।
আবু হানিফ বলেন, রোজার মাঝামাঝিতে আসাদ আমাদের ছাত্রলীগের ছোট ভাই জোবায়েরের কাছ থেকে আট হাজার টাকা দিয়ে একটি মোবাইল নেয়। ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকি দুই হাজার টাকা ঈদের আগের রাতে দেয়ার কথা ছিল, কিন্তু দেয়নি। জোবায়ের গত শুক্রবার সকালে আসাদের বাড়িতে গিয়ে তার কাছে টাকা দাবি করে। তখন আসাদসহ কয়েকজন মিলে জোবায়েরকে মারধর করে।
জোবায়ের একথা আমাদের জানায়। কিছুক্ষণ পর আসাদকে আমরা কোলাগাঁও টেকে দেখে জিজ্ঞেস করি। তখন সে আমাদের উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকে। তখন তার সঙ্গে হাতাহাতি হয়েছে। ভিডিও কে করেছে, সেটা আমরা জানি না। জোবায়ের তাকে মারধরের জন্য থানায় অভিযোগ করেছে। তবে জোবায়েরের সঙ্গে মোবাইল নিয়ে মনোমালিন্য ও তাকে মারধরের ঘটনা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ।
এ বিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, জোবায়ের নামে এক ছেলে তার মারধরের একটি অভিযোগ দিয়েছে। সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। এর মধ্যে এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের একটি ভিডিও আমরা দেখেছি। তবে এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। আমরা সেটাও তদন্ত করে দেখছি যে, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-চকরিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে মালবাহী ট্রাকের।দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় ট্রাকটি সড়কের ওপর কাত হয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় দুইজন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন যাত্রীও।উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়াস্থ সবুজ পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে এই দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বৃহস্পতিবার দিনগত রাত পৌণে একটার দিকে।

নিহত দুই যুবকের বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে হবে বলে জানানো হয়েছে।মহাসড়কের চকরিয়ার ডুলাহাজারাস্থ মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে হতাহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।

মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশে কর্মরত নজরুল ইসলাম নামের এক সদস্য জানিয়েছেন- ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছে দুই যুবক। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতের উদ্ধার এবং দুর্ঘটনায় পতিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নিলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ঘটনাস্থল থেকে টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা এলাকার আবুল কালামের ছেলে আব্দুল্লাহর একটি জাতীয় পরিচয় পত্রের (এনআইডি) কপি পাওয়া যায়।

চট্টগ্রাম – ঢাকা রেল যোগাযোগ বন্ধ, লাকসামে বগি লাইনচ্যুত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী কর্ণফুলী কমিউটার ট্রেনের কয়েকটি বগি কুমিল্লার লাকসামে লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে দিকে লাকসামের নাউটি স্টেশনের আউটারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাকসাম রেলওয়ে জংশনের স্টেশন মাস্টার ওমর ফারুক ভূঁইয়া।

তবে তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, এ ঘটনার পর থেকে আপ লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ডাউন লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

লাকসাম স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। নাওটি স্টেশন পার হওয়ার পরই ট্রেনটির চারটি বগি লাইনচ্যুত হয়। ট্রেনে থাকা যাত্রী কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা ট্রেনের সামনের দিকে ছিলাম। হঠাৎ করেই ট্রেন থেমে যায় এবং কয়েকটি বগি কাত হয়ে পড়ে।’

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ