আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

সাবেক হুইপ সামশুল অনুসারী চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নেতাকে ‘বিবস্ত্র করে’ পিটুনি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছাত্রলীগের এক ছাত্রলীগের এক নেতাকে প্রায় বিবস্ত্র করে বেধড়ক পিটুনির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জেলার পটিয়া উপজেলায় ওই ছাত্রলীগ নেতা অভিযোগ করেছেন, পটিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর অনুসারী হওয়ায় তাকে মারধরের শিকার হতে হয়েছে। মারধরকারীরা বর্তমান সংসদ সদস্য মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর অনুসারী বলে তিনি জানান। গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে এ ঘটনার পর রাতের মধ্যে সেটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।মারধরের শিকার আসাদুজ্জামান আসাদের বাড়ি (৩০) কোলাগাঁও ইউনিয়নে। তিনি ওই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পটিয়া উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, স্যান্ডো গেঞ্জি ও পায়জামা পরিহিত আসাদকে প্রকাশ্যে একটি গাছের সঙ্গে লাগিয়ে পেটানো হচ্ছে। তার মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। এসময় তাকে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় তাকে মাফ করে দেওয়ার জন্য বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে মারধরকারীদের হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চলে যাওয়ার সময় তাকে আবার ধরে বিবস্ত্র করার চেষ্টা চলে।
আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, আমি পটিয়া পৌরসভায় যাবার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে কোলাগাঁওয়ের টেক থেকে বাসে উঠি। তখন ৪-৫ জন বাস থামিয়ে আমাকে টেনে সেখান থেকে নামিয়ে নেয়। এরপর আমাকে কিল, ঘুষি, লাথি মারতে থাকে। প্রথমেই আমার পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলে। এরপর আমাকে বিবস্ত্র করা হয়। সেখানে অনেক লোকজন জড়ো হয়েছিল। সবার সামনে আমাকে বিবস্ত্র করেছে, এটা আমার খুবই খারাপ লাগছে। আমার মাথা ফেটে গেছে, ঠোঁটে, মুখে এবং বুকে আমি মারাত্মক আঘাত পেয়েছি।মারধরকারীরা চলে যাবার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিয়ে যায় এবং তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন।
জানা গেছে, গত ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের আগ থেকে পটিয়ায় একের পর এক হামলা, সংঘাতের ঘটনা ঘটছে। চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে সামশুল হক চৌধুরী ২০০৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। শেষবার তাকে সংসদের হুইপ করা হয়েছিল।দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তার বদলে দলটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয়। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন সামশুল। এর ফলে মোতাহেরুল ও সামশুলের অনুসারীরা মুখোমুখি অবস্থানে পৌঁছে। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে নির্বাচনের আগেরদিন পর্যন্ত সামশুলের গণসংযোগে দফায় দফায় হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। সামশুলের পাশাপাশি তার ভাই-বোনও হামলার শিকার হয়ে আহত হন। রক্তক্ষয়ী এসব সংঘাতের জন্য সামশুল আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী ও তার অনুসারীদের দায়ী করে আসছিলেন।নির্বাচনে মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে ধরাশায়ী হন সামশুল হক চৌধুরী।
এদিকে হামলার জন্য কোলাগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বুলবুল হোসেনকে দায়ী করে আসাদ বলেন, আমি সাবেক হুইপ সামশুল হক চৌধুরী সাহেবের অনুসারী। বুলবুল বর্তমান এমপির লোক। সে এলাকায় মাদকের কারবার করে। আমি সবসময় এসবের প্রতিবাদ করি। সে আমাকে আগেও কয়েকবার ইয়াবা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়েছে। শেষপর্যন্ত আমাকে একা পেয়ে কয়েকজন সন্ত্রাসী নিয়ে আমার ওপর হামলা করেছে। এরপর আবার তারাই ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দিয়েছে। সুস্থ হয়ে আমি মামলা করব।
জানতে চাইলে বুলবুল হোসেন বলেন, যে ভিডিওর কথা বলছেন, সেখানে তো আমি নেই। ঘটনা ঘটেছে ১২টা-সাড়ে ১২টার দিকে। আমি তখন পটিয়ায় এমপি সাহেবের (মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী) সঙ্গে ছিলাম। যতদূর জানি, ঘটনা হয়েছে কোলাগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আবু হানিফের সঙ্গে। এখানে আমাকে জড়ানো হচ্ছে কেন, বুঝতে পারছি না।
আবু হানিফ বলেন, রোজার মাঝামাঝিতে আসাদ আমাদের ছাত্রলীগের ছোট ভাই জোবায়েরের কাছ থেকে আট হাজার টাকা দিয়ে একটি মোবাইল নেয়। ছয় হাজার টাকা পরিশোধ করে। বাকি দুই হাজার টাকা ঈদের আগের রাতে দেয়ার কথা ছিল, কিন্তু দেয়নি। জোবায়ের গত শুক্রবার সকালে আসাদের বাড়িতে গিয়ে তার কাছে টাকা দাবি করে। তখন আসাদসহ কয়েকজন মিলে জোবায়েরকে মারধর করে।
জোবায়ের একথা আমাদের জানায়। কিছুক্ষণ পর আসাদকে আমরা কোলাগাঁও টেকে দেখে জিজ্ঞেস করি। তখন সে আমাদের উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকে। তখন তার সঙ্গে হাতাহাতি হয়েছে। ভিডিও কে করেছে, সেটা আমরা জানি না। জোবায়ের তাকে মারধরের জন্য থানায় অভিযোগ করেছে। তবে জোবায়েরের সঙ্গে মোবাইল নিয়ে মনোমালিন্য ও তাকে মারধরের ঘটনা সত্য নয় বলে দাবি করেছেন ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ।
এ বিষয়ে পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন বলেন, জোবায়ের নামে এক ছেলে তার মারধরের একটি অভিযোগ দিয়েছে। সেটি আমরা তদন্ত করে দেখছি। এর মধ্যে এক ছাত্রলীগ নেতাকে মারধরের একটি ভিডিও আমরা দেখেছি। তবে এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। আমরা সেটাও তদন্ত করে দেখছি যে, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ওস্তাদ মোহনলাল দাশের শততম জন্মজয়ন্তী জাতির সভ্যতায় সংস্কৃতির মাপকাঠির বিকল্প নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতগুরু এবং ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধের শব্দ ও কলম সৈনিক ওস্তাদ মোহনলাল দাশের শততম জন্মজয়ন্তী হাটহাজারীস্থ ফতেয়াবাদের চৌধুরীহাট সংলগ্ন কল্পনা প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৯ জুন শুক্রবার সন্ধ্যায় ওস্তাদ মোহনলাল দাশ স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে ও সরগম একাডেমীর সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওস্তাদপুত্র কবি ও সঙ্গীত বিষারদ ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ।

প্রধান অতিথি ছিলেন সিটিজেনস ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জেনারেল ম্যানেজার মৃণাল কান্তি সূত্রধর, প্রধান আলোচক ছিলেন খ্যাতিমান লোকশিল্পী আব্দুর রহিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক শ্রীমান ঘোষ, অধ্যাপক বিশ্বনাথ চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রেমি দেবাশীষ পাল প্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, জাতির সভ্যতায় সংস্কৃতির মাপকাঠির বিকল্প নেই। বর্তমান আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসনে এবং অস্থির পরিস্থিতিতে শুদ্ধ ও সুস্থ সংস্কৃতির গুরুত্ব অপরিসীম।

আলোচনা শেষে মোহনলাল দাশের রচিত গান ও সুরের মুর্ছণা শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠান শেষে ৪ গুণীজনকে মরোণত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়। এরা হলেন, দ্রুপদ গায়ক দেবব্রত ভট্টচার্য্য, লোকশিল্পী ও শব্দ সৈনিক হরি প্রসন্ন পাল, গীতিকার সুরকার ও নাট্যজন মলয় ঘোষ দস্তিতার এবং শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব পাঁচ কড়ি দাশ।

অনুষ্ঠানে সঙ্গীত অধ্যক্ষ সুবাস নাথ, নৃত্যকলা একাডেমীর পরিচালক মন্টি পালিত, মনন খেলাঘরের শিক্ষক মানু ঘোষ দস্তিদার, ঐক্যতান প্রতিষ্ঠানের তড়িৎ কুমার দাশ, ফতেয়াবাদ মহাকালী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামকৃষ্ণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার এবং অনুষ্ঠান ও সঙ্গীত পরিচালনায় ছিলেন সার্বিক তত্ত্বাবধানে অভিষেক দাশ ও কলেজ শিক্ষক অনুপ নন্দী।

কুতুবদিয়ার তরকারি ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে ছোটন চেয়ারম্যান মানুষের দ্বারে দ্বারে, দ্বীপ জুড়ে প্রশংসা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ায় বড়ঘোপ বাজারের ফারাজ, পিতা- আবুল কাসেম, দক্ষিণ মগডেইল এক অসহায় তরকারি ব্যবসায়ী পেকুয়া সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। তার পাশে দাঁড়াতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় বড়ঘোপ ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন। তাঁর সাথে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন বাজার কমিটির সেক্রেটারি জাফর আলম কন্ট্রাক্টর ও সদস্যবৃন্দ।

দীর্ঘদিন ধরে সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা ওই ব্যবসায়ী সম্প্রতি আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি ও আর্থিক সংকটে পড়ে তার পরিবার চিকিৎসার বিষয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগছেন ।এ অবস্থায় তার দুর্দশার খবর জানতে পেরে ছোটন চেয়ারম্যান বড়ঘোপ বাজারের ব্যবসায়ী, বিভিন্ন ব্যক্তি, সমাজসেবক ও বিত্তবানদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি ব্যবসায়ীকে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা সংগ্রহে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ছোটন চেয়ারম্যান বলেন, “একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবন-জীবিকা রক্ষা করা আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। সমাজের সবাই এগিয়ে এলে তিনি আবারও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন।” তরকারি ব্যবসায়ী ফারাজের চিকিৎসার জন্য মোট ২,২৫,২৫০/= টাকা আর্থিক সহায়তা পাওয়া গেছে। ওই টাকা দিয়ে তার চিকিৎসা করা হচ্ছে। সহায়তাকারী সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি বড়ঘোপ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সকল সদস্যবৃন্দকে যারা আর্থিক সহায়তা সংগ্রহের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।

স্থানীয়রা ছোটন চেয়ারম্যানের এ মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তারা বলেন, জনপ্রতিনিধির এমন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং অসহায় মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করবে।এদিকে, ব্যবসায়ী ও তার পরিবারের সদস্যরা সহযোগিতার জন্য ছোটন চেয়ারম্যানসহ সকল শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ