আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

জকিগঞ্জে ট্রাক শ্রমিকের ঈদ পুনঃমিলনী ও আলোচনা সভা

আবুল কালাম আজাদ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী এমপি বলেছেন, ড্রাইভাররা হয়রানী হন এটা সত্য। একটা এক্সিডেন্ট হলেই ড্রাইভারের উপর চলে যায়, দূর্ঘটনা হলে ড্রাইভারকে দায়ী করে গাড়ী ভাংচুর করা হয়, এটা অত্যন্ত গর্হিত ও বিবেকহীন কাজ। কারন কোনো দুর্ঘটনা মানুষ ইচ্ছা করে ঘটায় না। আপনাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে অবৈধ লাইসেন্সধারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। যদি প্রকৃত লাইসেন্সধারীদের নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে পুলিশী হয়রানি ও সামাজিক হয়রানি থেকে আপনারা বাঁচবেন। আমি যাদের পক্ষে কথা বলছি তারা যদি বয়কট করে তাহলে আপনারা পণ্য পাবেন না। আপনাদের দোকানে খাদ্য পন্য আসবে না। এটা আমরা জানি। তাদেরকে সম্মান দিয়ে বলছি, তাদের মধ্যে যে সকল দূর্বলতা রয়েছে সেগুলো ঠিক দূর করার আশ্বাস দিলে তাদের সকল বিপদ আপদ দেখার দায়িত্ব আমরা গ্রহন করবো। তিনি আরো বলেন, শ্রমিকদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করুন। আল্লাহর নবী বলেছেন যদি কোনো মানুষ কোনো শ্রমিকের শ্রম নিয়ে তাকে তার পাওনা থেকে আংশিক বঞ্চিত রাখে, তাহলে ঐ শ্রমিকের পক্ষে কিয়ামতের দিন আমি নবী ওকালতি করবো। আল্লাহর নবী (সা) যার বিরুদ্ধে ওকালতি করবেন তার অবস্থা কি হবে? সুতরাং শ্রমিকদের শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্টা করুন। মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী এমপি গত শনিবার জকিগঞ্জ উপজেলার কালীগঞ্জ বাজারে সিলেট জেলা ট্রাক, পিকাপ, কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং চট্র-২১৫৯ এর অন্তর্ভুক্ত জকিগঞ্জ উপকমিটির আওতাধীন সর্বস্তরের শ্রমিকদের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুণঃমিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। অনুষ্ঠানে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী এমপিকে ক্রেষ্ট দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
শ্রমিকনেতা আব্দুর রহিম চৌধুরী আদু মিয়ার সভাপতিত্বে ও সিলেট জেলা ট্রাক,পিকাপ,কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মাছুম আহমদ লস্করের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জকিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লোকমান উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদ সদস্য ইফজাল আহমদ চৌধুরী, জকিগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুস সবুর, সিলেট জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দিলু মিয়া, জেলার কার্যকরি সভাপতি আব্দুস সালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমদ আলী স্বপন, সহ-সাধারণ সম্পাদক বিলাল মিয়া, কোষাধ্যক্ষ জুলহাস হোসেন বাদল, কানাইঘাট শাখার সভাপতি জসিম উদ্দিন ও বিয়ানীবাজার শাখার সহ-সভাপতি লোকমান উদ্দিন।
শ্রমিক নেতা আব্দুল মালিক মলিকের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন জকিগঞ্জ উপজেলা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হুসেন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী এমপি শ্রমিকদের জন্য জকিগঞ্জের প্রতিটি বাজারে স্ট্যান্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বলেন আপনাদেরকে এগুলো থেকে গাঁজার আসর, ড্রাগ বিক্রয় ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখতে হবে। তাহলে আঞ্চলিক বাধার সম্মুখীন হবেন না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ