আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

আদালতে মামলা

ফার্নিচার ব্যবসায়ীর সাড়ে তিন লাখ টাকা লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিরসরাইয়ে এক ফার্নিচার ব্যবসায়ীকে নির্যাতন চালিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা লুটের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। গতকাল মঙ্গলবার মিরসরাই জোরারগঞ্জ থানার বঙ্গনুর পূর্ব কাঁটাছড়া গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের পুত্র আবুল কালাম চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, চট্টগ্রামে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশের গোয়েন্দা(ডিবি) শাখাকে তদন্তের দায়িত্ব দিযেছেন। মামলায় একই থানার ভরদ্বাজহাট পশ্চিম দূর্গাপুর গ্রামের মজিবুল হকের পুত্র মাজহারুল ইসলাম ফিরোজ ও দূর্গাপুর গ্রামের নুর ছোবহানের পুত্র নুরুন নবী প্রঃ দাঙ্গা নবীসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বাদী গাছের ক্ষুদ্র ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। ইতিপূর্বে আসামীরা নানা অজুহাতে বাদীর সহিত প্রতারণা করে ১ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করলে উক্ত টাকা না দিতে আসামীরা বিভিন্ন প্রতারণার ফাঁদ পাতে। গত ৯ মে বাদী তার বাড়ী থেকে ৩ লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা নিয়ে ফার্নিচারের কাঠ ক্রয় করতে মোটর সাইকেলযোগে ফটিকছড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। এ সময় জোরারগঞ্জের ঠাকুরদিঘী বাজারস্থ নাজিম উদ্দিনের বসত বাড়ীর সামনে সুফিয়া রোড দিয়ে যাওয়ার পথে আসামী মাজহারুল ইসলাম ফিরোজ ও নুরুন নবী লোহার রড় দিয়ে বাড়ি দিলে বাদী মোটর সাইকেলসহ লুটিয়ে পড়ে। এ সময় আসামী ফিরোজের নির্দেশে আসামী নুরুন নবী বাদীর কাছ থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পশ্চিম দুর্গাপুর মেস্ত্রী বাড়ির পাশে গাছের সাথে বেঁধে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। এ সময় এক লাখ টাকা চাঁদা না দিলে বাদীকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে বাদীর মুখে ছুরিকাঘাত, ইলেট্রিক প্লাস দিয়ে বাদীর মুখমন্ডলে এলাপাতাড়ি বাড়ি দেয়া হয়। বাদীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন বাদীকে উদ্ধার করে মিরসরাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়। বাদী স্থানীয় থানায় মামলা করতে গেলে সংশ্লিষ্ট থানা গ্রহণ না করে আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ প্রদান করে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা গুনল ৪ বাস কাউন্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে এ অভিযান চালানো হয়। সোমবার মহানগরীর গরিবুল্লাশাহ মাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন তীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ।

মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, গরীবুল্লাহশাহ মাজার এলাকায় বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছি। এসময় ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় সেন্টমার্টিন পরিবহনেকে ৫ হাজার টাকা, রিলাক্স পরিবহনকে ৩ হাজার, দেশ ট্রাভেলস ৩ হাজার ও রয়েল মত্রি সার্ভিসকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঈদে যাতে কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ