আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

জিএমপি পূবাইল থানা পুলিশ কর্তৃক অভিযান

অপহরণকরী ও মুক্তিপণ আদায়কারী আসামী গ্রেফতার-০৫

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি;

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. জিএমপি পূবাইল থানা পুলিশের এসআই উত্তম কুমার, এসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই শফিকুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করিয়া মোঃ রাশেদুল ইসলাম লায়ন (৩১) ও মোঃ শাহিন হাসান অন্তর (২৭) এর অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারীদের মধ্যে ১-৫নং আসামীদেরকে ১৩ মে সোমবার ২০২৪ তারিখে মাজুখান এলাকা হতে গ্রেফতার করেন জিএমপি পূবাইল থানা পুলিশ।জিএমপি পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো ১। মনজুরুল ইসলাম হিমেল (২৬), ২। মোঃ রানা (২৫), , ৩। মোঃ মারুফ (২২), ৪। শামীম (৩০), ৫। রুবায়েত (২৫),পিতা-অজ্ঞাত, ঠিকানা-অজ্ঞাত, থানা-অজ্ঞাত, জেলা-অজ্ঞাত।উক্ত ঘটনার সহিত জরিত৬। সিফাত (২২), ৭। শারমীন সুমাইয়া @ তাকিয়া খানম (১৯), ৮। শান্ত (২৮), ৯। সিফাত (২৬), ১০। আলভী (২৫), ১১। সোহাগ (২৮), সর্বপিতা-অজ্ঞাত, ঠিকানা-অজ্ঞাত, থানা-অজ্ঞাত, জেলা-অজ্ঞাত।এরা সকলে পলাতক আছে।জিএমপি পূবাইল থানা সুত্রে জানা যায়,আসামীগন পরিকল্পিতভাবে ৭নং আসামী শারমীন সুমাইয়া এর মাধ্যমে ফেসবুক পরিচয়ের সুবাদে বাদী রাশেদুল ইসলাম লায়ন গত ইং ০১/০৫/২০২৪ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬.৩০ ঘটিকায় উভয় বাদীকে পূবাইল থানাধীন মাজুখান বাজারে তার সাথে দেখা করতে বলে প্রথমত বাদী মোঃ রাশেদুল ইসলাম লায়নকে ডেকে নিয়ে ৭নং আসামী পূবাইল থানাধীন পদহারবাইদ সাকিনস্থ মনিরের দোকানের সামনে নিয়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে পূর্ব থেকে অপক্ষেমান অন্যান্য আসামীদের হাতে বাদীকে তুলে দিয়ে কৌশলে কেটে পরেন। এই সুযোগে অন্যান্য আসামীগন বাদী রাশেদুল ইসলাম লায়নকে জোরপূর্বক অপহরন করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে গিয়ে এলোপাথারীভাবে মারধর করে বাদী রাশেদুল ইসলাম লায়ন এর বাসা হতে ২,০০,০০০/-টাকা মুক্তিপন দাবি করে তাকে নির্যাতন ও অত্যাচারে করে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে বাদীর পরিবারের নিকট হতে টাকা সংগ্রহ করে আসামীদের বিকাশ একাউন্ট নাম্বার-০১৭৯৮-৪৬৯১১৩ তে ২৯,০০০/-টাকা এবং আসামীদের নগত একাউন্ট নাম্বার-০১৭৯৬-১২৬৯৪১ তে ২১,০০০/-(একুশ হাজার) টাকা নেন এবং বাদীর কাছে থাকা নগদ ২,০০০/- টাকা, ০১টি স্যামস্যাং স্মার্ট ফোন, ১টি বাটন ফোন, একটি ৬৪ জিবি পেনড্রাইভ নিয়ে বাদীকে পূবাইল থানাধীন পদহারবাইদ সাকিনস্থ মনিরের দোকানের সামনে নিয়ে এসে ছেড়ে দেয়। একই ভাবে ২য় বাদী মোঃ শাহিন হাসান অন্তর নিকট হতে গত ইং ২৭/০৪/২০২৪ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭.৩০ ঘটিকায় একইভাবে তার পরিবারের নিকট হতে ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ) টাকা মুক্তিপন দাবি করে মারপিট শুরু করলে বাদী শাহিন হাসান অন্তর আসামীদের অত্যাচারে নিরুপায় হয়ে তার আত্বীয়-স্বজন ও বন্ধবান্ধবের কাছ হতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে আসামীদের বিকাশ একাউন্ট নাম্বার-০১৭৯৮-৪৬৯১১৩ তে ২৫,০০০/-(পঁচিশ হাজার) টাকা, বিকাশ নাম্বার-০১৬২০-৩১১৯৭৮ তে ৮,০০০/- টাকা, বিকাশ নাম্বার-০১৬১৫-২৬২৯৩০ তে ৪,০০০/-(চার হাজার) টাকা সহ সর্ব মোট ৩৭,০০০/-টাকা নেন এবং এবং বাদীর সাথে থাকা নগদ ১০,০০০/-টাকা, একটি স্যামস্যাং আল্ট্রা ফোন, একটি পাওয়ার ব্যাংক, জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি নিয়ে পূবাইল থানাধীন মাজুখান রেললাইনে ছেড়ে দেয়।জিএমপি পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান আরও জানান,আসামীদের বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি মামলা রুজু হয় । এছাড়াও উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে ১-৪নং আসামীগন তাদের সঙ্গীয় অপর আসামী জাহিদ হাসান তন্ময় (২৫)কে সঙ্গে নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের নিয়ে জনৈক সিফাত (২২) নামের এক ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করলে সিফাতের বোন সূচনা আক্তার খাদিজা (২৬) বাদী হয়ে উক্ত ১-৪নং আসামীগন সহ আসামী জাহিদ হাসান তন্ময় এর বিরুদ্ধে আরো ০১টি মামলা রুজু করেন। আসামীদের বিরুদ্ধে ০৩ টি নিয়মিত মামলা রুজু করিয়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতেই নিচু এলাকা প্লাবিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মাত্র ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতে অনেক নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। রাস্তা প্লাবিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরীর নিচু এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকাতে সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। এসব এলাকার রাস্তাগুলো নোংরা পানিতে ডুবে আছে। ফলে চলাচল করা কঠিন হয়ে উঠে। কোথাও হাঁটু, কোথাওবা কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি। ছুটির দিনেও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ এবং খেটে খাওয়া শ্রমজীবীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ৪০ মিনিট স্থায়ী এই বৃষ্টিতেই নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়।

এসব এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকালের মাত্র আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার সড়কগুলো দ্রুত পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহনগুলো মাঝপথেই আটকে যাচ্ছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া সাধারণ মানুষের গন্তব্যে পৌঁছাতে যেমন দীর্ঘ সময় ব্যয় হচ্ছে, তেমনি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাস্তায় জমে থাকা হাঁটু সমান পানি মাড়িয়েই পথচারীদের কষ্ট করে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

তবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার জন্য চিরচেনা এলাকা প্রবর্তক মোড়ে অবশ্য এবার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মেগা প্রকল্পের আওতায় সেখানকার হিজড়া খালের মুখে বাঁধ দিয়ে চলমান কাজের সুবাদে প্রবর্তক মোড়ে আগের মতো পানি জমেনি। তবে প্রবর্তক মোড় রক্ষা পেলেও এর আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো ঠিকই পানিতে ডুবে ছিল। ফলে সামগ্রিক ভোগান্তি খুব একটা কমেনি।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের বিএফও মাহবুবুল আলম বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে মাত্র ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে মেঘের ঘনত্বের কারণে অল্প সময়ে তীব্র বৃষ্টি হওয়ায় নিচু এলাকায় পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নগরবাসীর অভিযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক তদারকি ও খালগুলোর সংস্কার কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামকে এখনো ডুবতে হচ্ছে।

কাতালগঞ্জের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বহু বছর ধরে আমরা একটু বৃষ্টি হলেই পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছি। একের পর এক মেগা প্রকল্প আসে, কিন্তু আমাদের কষ্টের কোনো শেষ নেই। আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতে যদি এই অবস্থা হয়, সামনের দিনগুলোতে কী হবে?
ভোগান্তিতে পড়া রিকশাচালক মো. জলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বহুদিন ধরে আমরা এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। ছুটির দিন হলেও আমাদের তো আয়ের আশায় বের হতে হবে। কিন্তু রাস্তায় পানি উঠে যাওয়ায় রিকশা চালানো যাচ্ছে না। আমাদের এই কষ্ট দেখার কেউ নেই।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ