জিএমপি পূবাইল থানা পুলিশ কর্তৃক অভিযান

অপহরণকরী ও মুক্তিপণ আদায়কারী আসামী গ্রেফতার-০৫

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি;

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1. জিএমপি পূবাইল থানা পুলিশের এসআই উত্তম কুমার, এসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই শফিকুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করিয়া মোঃ রাশেদুল ইসলাম লায়ন (৩১) ও মোঃ শাহিন হাসান অন্তর (২৭) এর অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারীদের মধ্যে ১-৫নং আসামীদেরকে ১৩ মে সোমবার ২০২৪ তারিখে মাজুখান এলাকা হতে গ্রেফতার করেন জিএমপি পূবাইল থানা পুলিশ।জিএমপি পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো ১। মনজুরুল ইসলাম হিমেল (২৬), ২। মোঃ রানা (২৫), , ৩। মোঃ মারুফ (২২), ৪। শামীম (৩০), ৫। রুবায়েত (২৫),পিতা-অজ্ঞাত, ঠিকানা-অজ্ঞাত, থানা-অজ্ঞাত, জেলা-অজ্ঞাত।উক্ত ঘটনার সহিত জরিত৬। সিফাত (২২), ৭। শারমীন সুমাইয়া @ তাকিয়া খানম (১৯), ৮। শান্ত (২৮), ৯। সিফাত (২৬), ১০। আলভী (২৫), ১১। সোহাগ (২৮), সর্বপিতা-অজ্ঞাত, ঠিকানা-অজ্ঞাত, থানা-অজ্ঞাত, জেলা-অজ্ঞাত।এরা সকলে পলাতক আছে।জিএমপি পূবাইল থানা সুত্রে জানা যায়,আসামীগন পরিকল্পিতভাবে ৭নং আসামী শারমীন সুমাইয়া এর মাধ্যমে ফেসবুক পরিচয়ের সুবাদে বাদী রাশেদুল ইসলাম লায়ন গত ইং ০১/০৫/২০২৪ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৬.৩০ ঘটিকায় উভয় বাদীকে পূবাইল থানাধীন মাজুখান বাজারে তার সাথে দেখা করতে বলে প্রথমত বাদী মোঃ রাশেদুল ইসলাম লায়নকে ডেকে নিয়ে ৭নং আসামী পূবাইল থানাধীন পদহারবাইদ সাকিনস্থ মনিরের দোকানের সামনে নিয়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে পূর্ব থেকে অপক্ষেমান অন্যান্য আসামীদের হাতে বাদীকে তুলে দিয়ে কৌশলে কেটে পরেন। এই সুযোগে অন্যান্য আসামীগন বাদী রাশেদুল ইসলাম লায়নকে জোরপূর্বক অপহরন করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে গিয়ে এলোপাথারীভাবে মারধর করে বাদী রাশেদুল ইসলাম লায়ন এর বাসা হতে ২,০০,০০০/-টাকা মুক্তিপন দাবি করে তাকে নির্যাতন ও অত্যাচারে করে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে বাদীর পরিবারের নিকট হতে টাকা সংগ্রহ করে আসামীদের বিকাশ একাউন্ট নাম্বার-০১৭৯৮-৪৬৯১১৩ তে ২৯,০০০/-টাকা এবং আসামীদের নগত একাউন্ট নাম্বার-০১৭৯৬-১২৬৯৪১ তে ২১,০০০/-(একুশ হাজার) টাকা নেন এবং বাদীর কাছে থাকা নগদ ২,০০০/- টাকা, ০১টি স্যামস্যাং স্মার্ট ফোন, ১টি বাটন ফোন, একটি ৬৪ জিবি পেনড্রাইভ নিয়ে বাদীকে পূবাইল থানাধীন পদহারবাইদ সাকিনস্থ মনিরের দোকানের সামনে নিয়ে এসে ছেড়ে দেয়। একই ভাবে ২য় বাদী মোঃ শাহিন হাসান অন্তর নিকট হতে গত ইং ২৭/০৪/২০২৪ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭.৩০ ঘটিকায় একইভাবে তার পরিবারের নিকট হতে ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ) টাকা মুক্তিপন দাবি করে মারপিট শুরু করলে বাদী শাহিন হাসান অন্তর আসামীদের অত্যাচারে নিরুপায় হয়ে তার আত্বীয়-স্বজন ও বন্ধবান্ধবের কাছ হতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে আসামীদের বিকাশ একাউন্ট নাম্বার-০১৭৯৮-৪৬৯১১৩ তে ২৫,০০০/-(পঁচিশ হাজার) টাকা, বিকাশ নাম্বার-০১৬২০-৩১১৯৭৮ তে ৮,০০০/- টাকা, বিকাশ নাম্বার-০১৬১৫-২৬২৯৩০ তে ৪,০০০/-(চার হাজার) টাকা সহ সর্ব মোট ৩৭,০০০/-টাকা নেন এবং এবং বাদীর সাথে থাকা নগদ ১০,০০০/-টাকা, একটি স্যামস্যাং আল্ট্রা ফোন, একটি পাওয়ার ব্যাংক, জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি নিয়ে পূবাইল থানাধীন মাজুখান রেললাইনে ছেড়ে দেয়।জিএমপি পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান আরও জানান,আসামীদের বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি মামলা রুজু হয় । এছাড়াও উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে ১-৪নং আসামীগন তাদের সঙ্গীয় অপর আসামী জাহিদ হাসান তন্ময় (২৫)কে সঙ্গে নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জের নিয়ে জনৈক সিফাত (২২) নামের এক ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারপিট করলে সিফাতের বোন সূচনা আক্তার খাদিজা (২৬) বাদী হয়ে উক্ত ১-৪নং আসামীগন সহ আসামী জাহিদ হাসান তন্ময় এর বিরুদ্ধে আরো ০১টি মামলা রুজু করেন। আসামীদের বিরুদ্ধে ০৩ টি নিয়মিত মামলা রুজু করিয়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন হিসেবে ফাহিম আহমেদ নামে আরও এক তরুণকে আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডের সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে সন্দেহভাজন হিসেবে ফাহিম আহমেদ নামে আরও এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে, তুহিন ও আনাস নামের দুই তরুণকে আটক করা হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস।

সহকারী পুলিশ সুপার জানান, অপ্রতিমের নিখোঁজের পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে অপ্রতীমের সঙ্গে তুহিনকে দেখা যায়। পরে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়। তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আনাস ও ফাহিম আহমেদকে আটক করা হয়েছে। দুইনজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এদিকে ফাহিম আহমেদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক। তিনি বলেন, তুহিন ও আনাসকে আটকের পর ফাহিমকে আটক করা হয়।

অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়ন ফকিরাবাদে বকশিপাড়ায় স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে। তমা খাতুনের স্বামী বক্কর হোসেন এখন ভেড়ামারা থানা পুলিশ হেফাজতে। তমা খাতুন (১৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। নিহত তমা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহতের মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তমার মৃত্যুর পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ জাহেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ধর্ষণের কোনো আলামত বা প্রমাণ পুলিশ পায়নি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে ভর্তির সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ