রায়পুরায় নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রুবেল

সাদ্দাম উদ্দিন নরসিংদী।

নরসিংদী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে তৃতীয় ধাপে আগামী ২৯ মে অনুষ্ঠিতব্য নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে চশমা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী স্থানীয় যুবলীগ নেতা আবিদ হাসান রুবেল। দীর্ঘদিন লড়াই-সংগ্রাম করে রাজপথ থেকে ওঠে আসা একজন পরীক্ষিত নেতা হিসেবে আবালবৃদ্ধ- বনিতা থেকে শুরু করে সকল মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন তিনি।
গণমানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ হিসেবে আবিদ হাসান রুবেল সুপরিচিত। দীর্ঘদিন বিশ্বস্থতার সাথে আওয়ামী রাজনীতির একজন কর্মী হিসেবে দলের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। দায়িত্ব পালন কালে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড ও জনকল্যাণমূলক কাজ জনসাধারণের মাঝে প্রচারণা করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি গরীব অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে জনবান্ধব নেতা হিসেবেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন। এদিকে নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে সাধারণ ভোটাররা ততই বিশ্লেষণ করছে। সাধারণ গরীব, দুঃখী, অসহায় মানুষের পাশে কে দাঁড়াতে পারবে? দিনে-রাতে কাকে কাছে পাওয়া যাবে? কার দ্বারা সমাজ থেকে মাদক নিমূল করা যাবে? কে বেশি উন্নয়ন করতে পারবে? নানান জন নানান ভাবে আলোচনা করতে শোনা গেছে। সর্বশেষে আবিদ হাসান রুবেলের চশমা প্রতীককে আস্থা রাখার কথা ভাবছেন সাধারণ ভোটাররা।
তিনি হলেন, রায়পুরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আফজাল হোসাইনের নাতনী, এবং রায়পুরা উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হযরত আলীর দ্বিতীয় ছেলে।
আবিদ হাসান রুবেল রায়পুরা পৌরসভার নজরপুর গ্রামের বাসিন্দা। আওয়ামী ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তিনি রায়পুরার সর্বদলীয় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি মেথিকান্দা উত্তরপাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও এতিমখানার সভাপতি এবং রায়পুরা আদর্শ মানব কল্যাণ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। ধর্ম-বর্ণের বৃত্তের বাইরে গিয়ে, নানা জনহিতকর কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবিদ হাসান রুবেল ইতোপূর্বে আর্তমানবতার সেবায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো অতি ব্যাপক ও বিস্মৃত। অসংখ্য অসহায়, গরীব ও দুস্থদের মাঝে অন্ন- বস্ত্র- বাসস্থানের ব্যবস্থা গ্রহনের পাশাপাশি, বেকারদের কর্মসংস্থানে নিয়েছেন কার্যকর পদক্ষেপ।
চশমা প্রতীক নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট যুদ্ধে নামা আবিদ হাসান রুবেল এ সময়ের সাহসী একজন নেতা হিসেবে নির্বাচনে তার বিজয় শতভাগ নিশ্চিত হবে বলে প্রবীণ রাজনীতিবীদ ও এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন। অন্যদিকে, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা উল্লেখ করে জনপ্রিয়তার দিক থেকে শক্তিশালী প্রার্থী তিনি। দলীয় সমর্থন দেয়ার বিকল্প নেই বলে ধারনা করেছেন নেতা কর্মী ও সমর্থকরা।

ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী আবিদ হাসান রুবেল প্রতিনিধিকে বলেন, জনগণের ভালোবাসাকে পূঁজি করে এবং রায়পুরা বাসীর দীর্ঘদিনের দাবীর প্রেক্ষিতে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছি। জনগনের ভোটে নির্বাচিত হলে রায়পুরা উপজেলাকে মাদক মুক্ত ও আপামর জনসাধারণের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ করে যাবো, ইনশাল্লাহ। তিনি আরো বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে সেবাকেন্দ্র চালু করে মানুষের দোঁড়গোড়ায় সরকারের বিদ্যমান সেবা পৌঁছে দেব। পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলব।
সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা হলে, তারা বলেন, তিনি একজন ক্লিন ইমেজের প্রার্থী। তার বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণের কোনো অভিযোগ নেই। রায়পুরা বাসী এবার তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। সে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছে শুনে বিভিন্ন এলাকার বৃদ্ধ, যুবক সকলেই সাধুবাদ ও সমর্থন জানিয়েছেন। তার গণসংযোগে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, তাঁতী লীগ, মহিলা লীগ, শ্রমিক লীগ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতা কর্মীরা অংশ নিচ্ছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপি ছাড়লেন মাহমুদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহিম মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই নিজের ফেসবুকে আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি ইব্রাহিম মাহমুদ, যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুলাউড়া উপজেলা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ