আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের সাফল্যে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বিলবোর্ড স্থাপন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও সাফল্য সংক্রান্তে প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে বিলবোর্ড স্থাপন ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালানোর পাশাপাশি ৩ হাজার পিস লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আজ ২৯ মে বুধবার জেলা সিভিল ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বিলবোর্ড স্থাপন ও প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করেন। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এমওসিএস ডা. মোহাম্মদ নওশাদ খান, সিনিয়র ¯^াস্থ্য শিক্ষা কর্মকতা থোয়াইনু মং মারমা, আজমীর ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্মের প্রতিনিধি মোহাম্মদ সুমন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মচারীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর লাইফস্টাইল, হেলথ এডুকেশন এন্ড প্রমোশন-এর আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজমীর ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্মের সহযোগিতায় এলএন্ড এইচইপি ইনভাইট ইন অ্যাসিভমেন্ট অব ‘ইউনিভার্সেল হেলথ কভারেজ, টুওয়ার্ডস এসডিজি এন্ড স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরীর কার্যক্রম হিসেবে জনসমাগমস্থলে ১২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থ সাইজের বিলবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে। একই সাথে সর্বজনীন ¯^াস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারাভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। আগামী ২০৩০ সালে এসডিজি অর্জন ও ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ব্লাড ব্যাংকের যাত্রা শুরু ৪৬ বছরে পা রাখলো মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের ৪৬ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও ব্লাড ব্যাংকের উদ্বোধন একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো মনিরুজ্জামান। এতে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ.এম. রায়হান উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম। হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো.ইয়াছিন আরাফাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেবুন নেসা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান (মিজান) এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক।

সেমিনারে বক্তারা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্ত ও রক্তজাত উপাদানের সঠিক ও প্রয়োজনীয় ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন। তারা বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুজনিত জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. তাহমিদ জুনায়েদ মাহমুদ, ডা. সাফওয়ান মাহমুদ, মার্কেটিং ম্যানেজার রতন কুমার নাথ, বিডিএম ম্যানেজার গোলাম রব্বানী, সার্ভিস ম্যানেজার লুৎফুর রহমান, আই টি ম্যানেজার মোঃ উছা, সহকারী ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমানসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

স্বাস্থ্যসেবা জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় ১৫ উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চলছেনা জেনারেটর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: তীব্র লোডশেডিংয়েও জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটর থাকলেও তা চালু করা যাচ্ছে না।যার ফলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

লোডশেডিংয়ের মধ্যে জ্বালানি বরাদ্দ প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, জেনারেটরের জন্য একেবারে জ্বালানি বরাদ্দ নেই-এমন নয়। দুটি খাতে জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হয়-একটি যানবাহনের জন্য, অন্যটি হাসপাতালের গ্যাস বাবদ। তবে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে জ্বালানির চাহিদা বেড়ে গেছে, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্তভাবে বিবেচনায় নিচ্ছে না। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

জানা গেছে, জ্বালানি সংকটে চট্টগ্রামে বন্ধ রয়েছে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র। তীব্র লোডশেডিংয়ে নাকাল পুরো দেশ। এর প্রভাব পড়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ঘাটতির কারণে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এতে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এদিকে, গত এক সপ্তাহে নগরীর তুলনায় উপজেলাগুলোতে লোডশেডিংয়ের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ বলে জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা। কোথাও কোথাও দিনে-রাতে মিলিয়ে ৭ থেকে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জরুরি বিভাগ, ল্যাব পরীক্ষা ও অন্যান্য সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। বিশেষ করে রাতের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। এতে শিশু ও বয়স্ক রোগীরা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জ্বালানির জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ) থেকে আলাদা কোনো বরাদ্দ থাকে না। ফলে কর্মকর্তারা হাসপাতালের অন্যান্য খাতের বরাদ্দ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে জেনারেটর চালু রাখার চেষ্টা করেন। তবে দিনে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং হওয়ায় জ্বালানি অপ্রতুল হয়ে পড়ছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব বলেন, সারা দেশের মতো লোডশেডিংয়ের প্রভাব আমাদের হাসপাতালেও পড়েছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় রোগীদের সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। তারপরও আমরা সাধ্যমতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি।রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. টিপলু কান্তি বলেন, আমরা জেনারেটর চালাতে পারছি না। লোডশেডিং বেশি হওয়ায় আইপিএস ব্যবহার করছি।

এদিকে হাসপাতালের জ্বালানি সংকট নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার নুর মোহাম্মদ বলেন, লোডশেডিং এখন সারা দেশের সমস্যা। তারপরও আমরা হাসপাতাল ও জরুরি সেবাকেন্দ্রগুলোতে লোডশেডিং কম রাখার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে নতুন নির্দেশনা এসেছে, যাতে জরুরি স্থাপনাগুলোতে পৃথক লাইন চালুর কথা বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ