চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোর শিশু ওয়ার্ডে নিউমোনিয়া-ডায়রিয়া আক্রান্ত শিশুই বেশি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শীতকালে সাধারণত যেসব অসুখ শরীরে দেখা দেয়, তার মধ্যে অন্যতম নিউমোনিয়া। সঠিক সুরক্ষার অভাবে শিশু থেকে বয়স্ক সকলে আক্রান্ত হতে পারে নিউমোনিয়ায়। মূলত ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে এই রোগ হয়। ফুসফুসে পানি জমেও হতে পারে নিউমোনিয়া। অল্প থেকে ক্রমশ গুরুতর আকার ধারণ করে এই রোগ। ঠান্ডা লেগে বুকে ‘শ্লেষ্মা’ জমলে এই অসুখ ছড়ায়।

তবে ঠান্ডা লাগলেই যে সবার নিউমোনিয়া হবে, এমনও নয়। বরং যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, তারা বেশি আক্রান্ত হন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আসাদের বর্তমানে নিউমোনিয়ার তুলনায় ডায়রিয়ার রোগী বেশি দেখা যাচ্ছে।
চমেক হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে দেখা যায়, শিশুদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি এবং ডায়রিয়ার উপসর্গে ভুগছে অনেকে।

শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোতে এমন দৃশ্য এখন নিত্যদিনের। শুধু হাসপাতাল নয়, চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারেও ঠান্ডাজনিত রোগী বেড়েছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, চমেক হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ঢোকে দুই বছরের এক শিশু। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে, বার বার দিচ্ছে কাশি। কিছুক্ষণ পর দেখা যায়- একটি শয্যায় শিশুটিকে রেখে নেবুলাইজার দিচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পাশের বেডগুলোতেও একই দৃশ্য। কেউ জ্বরে কাঁপছে, কেউ দুর্বল হয়ে পড়েছে ডায়রিয়ায়।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের বৃহৎ চমেক হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শীতকালীন রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীর চাপ অন্য সময়ের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। চমেক হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের দুটি ইউনিটে ১৮১ জন শিশু ভর্তি ছিল। নতুন ভর্তি হয়েছে ৫২ জন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যাই বেশি।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসলিম উদ্দিন সবুজ বলেন, তীব্র শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় শিশু ও বয়স্করা নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে বেশি আক্রান্ত হয় বলে তিনি জানান। চমেক হাসপাতালের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা জানান, সাধারণত শীতের শুরু ও শীতের শেষের দিকে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেশি থাকে। বর্তমানে নিউমোনিয়ার তুলনায় ডায়রিয়ার রোগী বেশি দেখা যাচ্ছে।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত সর্দি, কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ বেড়েছে। বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। বাচ্চারা শ্বাসতন্ত্রের নানা ধরনের সংক্রমণ, নিউমোনিয়া ও এজমায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।

চমেক হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর- অক্টোবর মাসে শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সী দেড় হাজারের বেশি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩ শতাংশ নিউমোনিয়া ও ৬ শতাংশ ডায়রিয়া রোগী ছিল। ডিসেম্বরে নিউমোনিয়ার রোগী কিছুটা কমলেও বর্তমানে শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ার রোগীর সংখ্যা বেশি।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ক্রিটিক্যাল কেয়ারের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফাহিম হাসান রেজা বলেন, বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে বহির্বিভাগে শিশু রোগীর সংখ্যা বেশি। বিশেষ করে সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুরা বেশি আসছে। ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি। তিনি বলেন, শীতে শিশুদের অসুখ হওয়া কমন হলেও তা কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না।

চমেক হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন, শীতকালে কমন কোল্ড, ব্রংকিওলাইটিস, ভাইরাল ফ্লু ও নিউমোনিয়ার রোগী বাড়ে। সম্প্রতি সময়ে বিশেষ করে এজমা ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ও চিকিৎসকের চেম্বারে রোগীর ভিড় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। ডায়াবেটিস, কিডনি ও একাধিক রোগে আক্রান্ত প্রবীণদের জটিলতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায় এবং ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ সহজে ছড়ায়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শীতকালীন রোগ প্রতিরোধে শিশুদের গরম কাপড় পরানো, মাথা ঢেকে রাখা, কুসুম গরম পানি পান করানো এবং অহেতুক বাইরে না নেওয়ার বিষয়ে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। ঠান্ডা লাগলে বা কাশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক সেবন করানো উচিত নয়। পাশাপাশি যাদের শ্বাসকষ্ট বা এজমার সমস্যা রয়েছে, বিশেষ করে ২ বছরের বেশি বয়সী শিশু ও ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউমোনিয়া ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা।


মানববন্ধন থেকে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম কে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিকরা। না হলে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহরের প্রধান সড়ক আব্দুল হামিদ রোডে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেন, ডিবি কার্যালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তা সংবলিত স্থানে একজন নারীকে জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পাবনা প্রেসক্লারেবর সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাজানো ভিডিও ধারণ এবং তা ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো ন্যাক্কারজনক। যা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও সাজানো তথ্য প্রচার স্বাধীন সাংবাদিকতার হুমকিস্বরূপ। তাই আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাবনা ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ তিনি ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।
না হলে আরো কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি করেন বক্তারা।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক পাভেল মৃধার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সম্পাদক আব্দুল মতীন খান, সাবেক সভাপতি ও এনটিভি-সমকালের স্টাফ রিপোর্টার এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক ও মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চীফ উৎপল মির্জা, একুশে টিভি মানব জমিনের সটাফ রিপোর্টার রাজিউর রহমান রুমী, বাংলাদেশ টুডে প্রতিনিধি আব্দুল হামিদ খান, জিকে সাদী, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান মাস্টার, প্রথম আলো প্রতিনিধি সরোয়ার মোর্শেদ উল্লাস, আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি কাজী বাবলা, এটিএন নিউজ ও আগামীর সময় প্রতিনিধি রিজভী জয়, ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন পাবনার সভাপতি জিয়াউল হক রিপন, বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা সমিতি পাবনার সভাপতি আব্দুল মজিদ প্রমুখ। এ সময় প্রায় শতাধিক সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পাবনা প্রেসক্লাবের নেতারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক নামধারী একটি কুচক্রী মহল পাবনা প্রেসক্লাবের বিপরীতে প্রায় একই নামে সংগঠন খুলে মাদক ব্যবসা, জমি দখল, ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। মূলধারার সংবাদকর্মীরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চক্রটি কতিপয় অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় এক তরুণী কে ব্যবহার করে পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি সাজানো নাটকের আশ্রয় নেয়।

মানববন্ধন শেষে ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পাবনা পুলিশ সুপারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন সাংবাদিক নেতারা। আর তার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিআইজি রাজশাহী ও পাবনার জেলা প্রশাসক কে।

এদিকে এর আগে শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী তরুণী নাফিসা তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেন যে, সুবর্ণা হালিম নামের এক নারী নেত্রী তাকে জিম্মি করে প্রেসক্লাব সম্পাদত জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে মা-বাবার উপস্থিতিতে সোহেল রানা বিপ্লব নামে এক কথিত সাংবাদিক এই সাজানো বক্তব্য ভিডিও ধারণ করেন। নাফিসা ইতোমধ্যেই লিখিতভাবে থানায় দেওয়া মিথ্যা অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম বলেন, ভিকটিম পরিবার আতঙ্কিত হয়ে আমাদের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। তাদের উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে এনেছিলাম আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে কেউ হয়তো ভিডিও করেছে।পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবো। কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চলতি বছর মৃতের সংখ্যা ১০ চট্টগ্রামে ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও এক শিশুর প্রাণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আবরার নামের আট বছর বয়সী ওই শিশু চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) চিকিৎসাধীন ছিল। গত ৯ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রকাশিত দৈনিক ডেঙ্গু রোগীর বিবরণীতে এ
তথ্য জানানো হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুটির বাড়ি নগরের হালিশহর এলাকায়। গত ৩ সেপ্টেম্বর তাকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ৯ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়।

পরীক্ষায় এনএসওয়ান পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর ডেঙ্গু নিশ্চিত করা হয়েছিল। মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘এক্সপান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোম’ উল্লেখ করা হয়েছে।সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের সরকারি হাসপাতালগুলোতে নতুন করে ৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৬ জন, ২৫০ শয্যা চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ১০ জন, বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন এবং চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) দুজন রয়েছেন। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে আরও ছয়জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে সরকারি হাসপাতালে মোট ২ হাজার ৩৮০ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ৪১৬ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯৬ জনে।

এ সময়ে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ২২৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ৫৬৯ জন। একই সময়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ডেঙ্গু পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ