আজঃ শুক্রবার ২৭ মার্চ, ২০২৬

ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই শাহাদাত হোসেনের জামানত বাজেয়াপ্ত

রিপন মজুমদার নোয়াখালী:

নোয়াখালী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই শাহাদাত হোসেনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

বুধবার (২৯ মে) তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তার ফলাফল বিশ্লেষণে বিষয়টি জানা যায়। জামানত ফিরে পেতে কাস্টিং ভোটের ১৫ শতাংশ অর্থাৎ ১১ হাজার ২৮৪টি ভোট পাওয়ার কথা থাকলেও তিনি পেয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৬১০ ভোট।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনোয়ার হোসাইন পাটোয়াারী।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে গোলাম শরীফ চৌধুরী পিপুল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৮ হাজার ২২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান বাদল পেয়েছেন ১৮ হাজার ৬৭৮ ভোট। সেতু মন্ত্রীর ভাই শাহাদাত হোসেন টেলিফোন প্রতীকে ৪ হাজার ৬১০টি ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। সর্বশেষ মোটরসাইকেল প্রতীকে ওমর আলী ১ হাজার ৪৮২ ভোট পেয়ে জামানত হারালেন।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আনোয়ার হোসাইন পাটোয়ারী বলেন, জামানত হারানোয় শাহাদাত হোসেন ও ওমর আলীর চেয়ারম্যান পদের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুকূলে রাখা ১ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত হবে।

উপজেলা নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদের জন্য একজন প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অনুকূলে ১ লাখ টাকা জমা দিতে হয়। আর ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের জন্য ৭৫ হাজার টাকা জমা দিতে হয়। নির্বাচনে কোনো নির্বাচনী এলাকার প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশ ভোট যদি কোনো প্রার্থী না পায়, তাহলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই বিধি অনুযায়ী শাহাদাত হোসেনকে জামানত রক্ষার জন্য পেতে হবে ১১ হাজার ২৮৪ ভোট। তা না পাওয়ায় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া অর্থ খোয়াতে হচ্ছে তাকে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোনা সদর ও উপজেলাগুলোতে স্বাধীনতা দিবস পালিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বৈষম্যমুক্ত, সুখী ও সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়ার দৃপ্ত অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে নেত্রকোনা জেলা সদরসহ আটপাড়া, মোহনগঞ্জ, কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, বারহাট্টা ও পূর্বধলা উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। ৩১ বার তোপধ্বনি, স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং নানা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

নেত্রকোনা সদর: প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে নেত্রকোনা সদরে দিবসের সূচনা হয়। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। কালেক্টরেট ভবন প্রাঙ্গণে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্ট) আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. আনোয়ারুল হক, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নূরু এবং পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম সরদার।

এছাড়া বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আশরাফ উদ্দিন খানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল ৮টায় আধুনিক স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১১টায় পাবলিক হলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

আটপাড়া: নানা আয়োজনে নেত্রকোনার আটপাড়ায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করা হয়েছে। সকালে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে উপজেলা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের স্মরণ করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা মাল্টিপারপাস অডিটরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মরহুম মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এসকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহনূর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল শারমিন দৃষ্টি, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মাসুম চৌধুরী, উপজেলা প্রকৌশলী আল মুতাসিম বিল্লাহ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এম এ মোমিন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ওমর ফারুক, সমাজসেবা কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন আহমেদ, থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুবায়দুল আলম এবং সাংবাদিক হাবিবুল ইসলাম প্রমুখ।

মোহনগঞ্জ ও বারহাট্টা: মোহনগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ আলী উসমান শিশু পার্কে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুনের সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন ও বীর মুক্তিযোদ্ধা একাদশের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

একইভাবে বারহাট্টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. জিনিয়া জামানের সভাপতিত্বে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ এবং প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ এবং বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর: কলমাকান্দায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউএনও এস এম মিকাইল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, উপজেলায় তালিকাভুক্ত ৪১৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে বর্তমানে ১৭৫ জন জীবিত রয়েছেন।

দুর্গাপুরে সুসঙ্গ সরকারি কলেজ মাঠে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ইউএনও আফরোজা আফসানা’র সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেওয়া হয়। বিকেলে হা-ডু-ডু খেলা এবং সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমি ও বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

পূর্বধলা: জে.এম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউএনও তাসনীম জাহানের সভাপতিত্বে দিবসের মূল অনুষ্ঠান পালিত হয়, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা।

দিনভর রাজনৈতিক দলগুলোর পৃথক কর্মসূচি লক্ষ্য করা গেছে। বেলা ১১টায় সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করে। সাড়ে ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবার জামায়াতে ইসলামীর কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ আবু তাহের তালুকদারের নেতৃত্বে একটি র ্যালি ও সংকিপ্ত আলোচনা সভা এবং দুপুর ১টায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শহীদুল্লাহ ইমরানের নেতৃত্বে পৃথক র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়াও বাকি উপজেলাগুলোতে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের তথ্য পাওয়া গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের পরপরই চবক এর প্রধান দপ্তর, ওয়ার্কশপ, আবাসিক ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, সংঘ ও বন্দরে অবস্থানরত জাহাজ ও জলযানসমূহে জতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে ২৫ শে মার্চ রাতে গণহত্যায় নিহতদের স্বরনে বন্দর সংরক্ষিত এলাকার বাহিরে ১ মিনিটের জন্য প্রতীকি ব্ল্যাকআউট করা হয় এবং বন্দরের সকল জাহাজে ভেঁপু বাজিয়ে স্বাধীনতা দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আহমেদ আমিন আবদুল্লাহ (জি), বিএসপি, পিএসসি, বিএনসহ অন্যান্য বোর্ড সদস্যবৃন্দ বন্দর রিপাবলিক ক্লাব প্রাঙ্গনে শহীদ স্মৃতিসৌধে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, নিরাপত্তা বিভাগের গার্ড কর্তৃক প্রদত্ত গার্ড অব অনার গ্রহণ ও শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় চবক এর বিভাগীয় প্রধান, উপ-বিভাগীয় প্রধানগণ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বন্দর থানা কমান্ডের নেতৃবৃন্দ, বন্দরের সর্বস্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ছাত্রছাত্রীসহ তাদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের পক্ষে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাদ জোহর চবক এর আওতাধীন সকল মসজিদে মহান স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদদের রুহের মাগফেরাত এবং জাতির শান্তি, সম্বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও চবক এর সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, এবাদতখানা, মন্দির ও বৌদ্ধ বিহারে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয় এবং বন্দর হাসপাতালে অভ্যন্তরীণ রোগীদের বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। বন্দরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য আলোকপাত করে ছাত্র ছাত্রীরেদ মধ্যে রচনা, আবৃত্তি এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ