আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা বড় চ্যালেঞ্জ : চসিক মেয়র

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জাতির বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের পর নগরের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান মেয়র।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মেয়র সাংবাদিকদের বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবসে আমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ সব বীর সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। যাঁরা আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তাঁদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না।তিনি বলেন, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানকারী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে দেশের পক্ষে অবদান রাখা সব বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো আমাদের দায়িত্ব।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ৫৫তম বার্ষিকী উল্লেখ করে মেয়র বলেন, স্বাধীনতা অর্জন একটি বড় বিষয়, কিন্তু সেই স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের লক্ষ্য হতে হবে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ নানামুখী উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বনির্ভর করে তোলার কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে।রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে।মেয়র দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মেয়র বলেন, বিপ্লব উদ্যান, বধ্যভূমি, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরসহ মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত সব গুরুত্বপূর্ণ স্থান সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হবে।তিনি বলেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে আমরা কাজ করছি।তবে অনেক স্থাপনা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন হওয়ায় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, যাতে সিটি করপোরেশনও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এসব ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা দায়মুক্ত হতে পারব না।এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র পহেলা বৈশাখে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পহেলা বৈশাখ বছরের প্রথম দিন বাঙ্গালী জাতির জন্যে বিশেষ দিন আড়ম্বরপূর্ণ ভাবে পালন করে থাকে, সেই সাথে বিভিন্ন পটচিত্র হাতে বাংলার

ঘরে ঘরে রৌদ্রময় দিনগুলো যেভাবে কাটে হাত পাখা, মিষ্টি, দই সহ নানা রকম পণ্য কৃষকের নতুন ধান ঘরে আনার যে কৌতূহল। বিভিন্ন প্রাণীর ছবি সম্বলিত ফেস্টুন হাতে বৈশাখী শোভা যাত্রা বের করে, রাস্তায় আঁকা হয় আলপনা, বৈশাখী রঙিন পোশাক পরে সবাই আনন্দ উৎসবে সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ পান্তা ইলিশ খাওয়া, ঘুরাঘুরি উৎসবে মেতে উঠে ছেলে বুড়ো সব বয়সের মানুষ।

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত পহেলা বৈশাখে চট্টগ্রাম নগরীর বৈঠক খানা কমিউনিটি হল চেরাগী পাহাড় ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ এর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, এতে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কণ্ঠ শিল্পী, সুরকার,বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন এর সঙ্গীত পরিচালক সুব্রত দাশ অনুজ, সম্মানিত অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র কর্মকর্তা অঞ্জনা পারিয়াল, রিজেন্সী ও ক্যানপার্ক মানব সম্পদ বিভাগের উপমহা ব্যবস্হাপক লিটন কান্তি সরকার ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সনেট দেব।পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য তোলে ধরে অনুভূতি প্রকাশ করেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. অনুপ দে, শিক্ষক লেলিন বিশ্বাস, এর পর অনুভূতি প্রকাশ করেন সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র সভাপতি সাংবাদিক

অরুণ নাথ, পরিষদের অন্যতম উপদেষ্টা লোপা দাশ, সুর্বণা দাশ, অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পরিষদের সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন।একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্মৃতি দে, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, হিমু আইচ,অদিতি বিশ্বাস, উর্বশী চক্রবর্তী, কবিতা আবৃত্তি ও গান করেন লিটন কান্তি সরকার,এর পর একক গান করেন সারদা স্বয়ং প্রভা ঘোষ,অভ্রনীল দে,আর্য্যদীপ সরকার,শুভ্রনীল দাশ,দ্বৈত সঙ্গীত পরিবেশন করেন দীপা দে – নীপা দে ও অবন্তী সরকার – পিহুনা সরকার। এর পর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সৌমিল শ্রীহান দত্ত, মো: লোকমান হোসেন, অরুণ নাথ, সনেট দেব,সুপ্রিয়া চৌধুরী, নরেন বিশ্বাস, রোদ্দুর দে, প্রসেনজিৎ ঘোষ,ঈশ্বান চক্রবর্তী,সূর্বণা দাশ,,উর্বশী চক্রবর্তী,দীপা সিংহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের মধ্যমনি ছিলেন বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ, তাঁর পরিচালনায় পুরো অনুষ্ঠানটি উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মনজয় করে নিয়েছে। বিকাল ৩.৩০ টা থেকে রাত ৮ টা অবধি সুরের মায়াজালে ভরপুর। হলরুমটি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। শ্রোতাদের অনুরোধে শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজের গানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যচর্চার ফসল অমিত বড়ুয়ার সাহিত্যকর্ম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোর সাহিত্যের উৎকর্ষধর্মী দ্বি-মাসিক পত্রিকা কিশোরবেলা’র উদ্যোগে কবি ও শিশুসাহিত্যিক অমিত বড়ুয়ার সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান চট্টগ্রাম একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক রাশেদ রউফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক রফিকুর রশীদ।আলোচক ছিলেন প্রফেসর রীতা দত্ত, এলিজাবেথ আরিফা মুবাশশিরা, তহুরীন সবুর ডালিয়া, অরুণ শীল। উদ্বোধক ছিলেন কবি সুজন বড়ুয়া।স্বাগত বক্তব্য দেন রহমান রনি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন দিলরুবা খানম ছুটি।

বক্তারা বলেন, কবি অমিত বড়ুয়ার দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যচর্চার ফসল এই আলোচনা-উৎসব। তিনি নানা প্রতিকূলতার মাঝেও সাহিত্য রচনা অব্যাহত রেখেছেন। ছড়া-কবিতায় তিনি যে দৃশ্য আঁকেন তা নতুন ও স্বতন্ত্র। শিশু-কিশোরদের মনস্তত্ত্ব বুঝেই তিনি সাহিত্য রচনা করেন। তাঁর কবিতা-ছড়ার ভাষা সহজ, সরল ও সংবেদনশীল।শুভেচ্ছা বক্তব্য ও কবিতা পাঠে অংশ নেন সনজীব বড়ুয়া, দীপক বড়ুয়া, জসীম মেহবুব, খালেদুল আনোয়ার, মর্জিনা আক্তার, সুবর্ণা দাশ মুনমুন, সিমলা চৌধুরী, লিপি বড়ুয়া, আলোক বিকাশ বড়ুয়া, সুসেন কান্তি দাশ, যারীন সুবা, আবুল কালাম বেলাল, সনজিত দে, আজিজ রাহমান, নূরনাহার নিপা, সুপলাল বড়ুয়া, ইফতেখার মারুফ, কাঞ্চণা চক্রবর্তী, শিউলি নাথ, সাবিনা পারভীন লিনা, মিলন বণিক, মারজিয়া খানম সিদ্দিকা, আকাশ আহমেদ, সৈয়দ জিয়াউদ্দীন, জসিম উদ্দিন খান, বিদ্যুৎ কুমার দাশ, হেলাল বিন ইলিয়াছ, তানজিনা রাহী, মুনাজউর রহমান, মহুয়া চৌধুরী, প্রদ্যোত কুমার বড়ুয়া, বনানী শেখর রুদ্র প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ