মারা গেছেন হোসেন পুর প্রেসক্লাব সভাপতি সাংবাদিক মোহাম্মদ আলীর মা।

তৌহিদুল ইসলাম সরকার স্টাফ রিপোর্টার :

কিশোরগঞ্জ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি: দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নিজস্ব সংবাদদাতা ও বাংলা খবর হোসেনপুর প্রতিনিধি, সাংবাদিক একে. এম. মোহাম্মদ আলীর মমতাময়ী মাতা মোসাম্মৎ ফিরোজা বেগম (৮১) ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (৩১মে) বিকাল ৩:২০ মিনিটে সময় ইন্তেকাল করেছেন।

(ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার (১ জুন) সকাল ১০টায় নিজ গ্রামের বাড়ী সিদলা ইউনিয়নের গড়বিশুদিয়া, মরহুমার স্বামী বীরমুক্তিযুদ্ধা বাহারউদ্দিন সরকারের নিজ বাড়ীতে অনুষ্ঠিত হবে জানাযার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থান গড়বিশুদিয়ায় তাঁর স্বামী প্রয়াত সেনা কর্মকর্তা ও সাংবাদিক বীরমুক্তিযোদ্ধা বাহার উদ্দিন সরকার এর কবরের পাশে সমাহিত করা হবে।

মরহুমার মৃত্যুতে হোসেনপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক গভীর শোকাহত।

মৃত্যু কালে তিনি দুই’ ছেলে, এক মেয়েসহ নাতী নাতনী ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তবে এক ছেলে লন্ডন প্রবাসী, সপরিবারে লন্ডনে রয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে ২০ জন আহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানীতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। নেপচুন এক্সেসরিজ নামে একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়।ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এক জরুরি বার্তায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, উত্তর সিটির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরখান রাজাবাড়ি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।ডিএনসিসির তথ্য অনুযায়ী, হামলায় চারজন গুরুতর আহতসহ ১৫ থেকে ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে উত্তরা বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সমাজসেবক আবুল কালাম (ভোলা) আদর্শ আজ ও অনুপ্রেরণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার গোমদণ্ডী বহদ্দার পাড়ার কৃতী সন্তান, আধ্যাত্মিক সুফি সাধক, আধ্যাত্মিক গবেষক, গীতিকার, অর্থনীতিবিদ, সমাজসেবক ও সফল ব্যবসায়ী আবুল কালাম (ভোলা) তাঁর বহুমাত্রিক কর্মজীবন, মানবসেবা এবং আধ্যাত্মিক সাধনার মাধ্যমে আজও মানুষের হৃদয়ে স্মরণীয় হয়ে আছেন।

১৯৪৩ সালের ১৫ জানুয়ারি গোমদণ্ডী বহদ্দার পাড়ার এক সম্ভ্রান্ত ও ধর্মপ্রাণ পরিবারে তাঁর জন্ম। পারিবারিকভাবে সুফিবাদ ও আধ্যাত্মিক চর্চার পরিবেশে বেড়ে ওঠা আবুল কালাম শৈশব থেকেই নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং মানবসেবার শিক্ষা লাভ করেন। আর্থিক প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি ১৯৬০ সালে মেট্রিকুলেশন পাস করেন এবং কর্মজীবন শুরু করেন চট্টগ্রাম পোর্ট হজ অফিসে অস্থায়ী করণিক হিসেবে। পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যাংক, শিপিং কোম্পানি ও শিল্প-প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেন। চাকরির পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বি.কম ডিগ্রি অর্জন করেন।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি ব্যবসায় আত্মনিয়োগ করেন এবং সততা, দক্ষতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সুনাম অর্জন করেন। তবে ব্যবসায়িক সফলতা তাঁকে কখনো আত্মকেন্দ্রিক করেনি। বরং সমাজকল্যাণ, শিক্ষা বিস্তার এবং মানবসেবায় তিনি নিজেকে নিয়োজিত রাখেন।

তিনি বাংলাদেশ হার্ডওয়ার অ্যান্ড মেশিনারী মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন সদস্য, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির বিভিন্ন উপদেষ্টা কমিটির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের কার্যকরী কমিটির সদস্য, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য ছিলেন।শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে তাঁর অবদানও ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি গোমদণ্ডী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

পাশাপাশি খায়ের মঞ্জিল দরবার শরীফ ওয়াক্ফ এস্টেট পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘ ১৮ বছর ও ১৯ ডিসেম্বর ২০১৫ ইংরোজি তারিখ দেহ ত্যাগ করার আগে সভাপতি দায়িত্ব পালন করে দরবারের উন্নয়ন, সম্প্রসারণ এবং আধ্যাত্মিক সাহিত্য প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর নেতৃত্বে দরবার শরীফের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়িত হয় এবং ভক্তদের কাছে তিনি একজন সফল সংগঠক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

অর্থনীতি, শিল্পায়ন, জাতীয় রাজস্ব, কর্মসংস্থান, কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে তাঁর অসংখ্য গবেষণামূলক প্রবন্ধ বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর লেখনীতে উঠে এসেছে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক উন্নয়ন ভাবনা, বিমানবন্দর সম্প্রসারণ, সেতু নির্মাণ, উপকূলীয় উন্নয়নসহ বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব প্রবন্ধের সংকলন হিসেবে প্রকাশিত হয় “বিকল্প ভাবনা” গ্রন্থ।

আধ্যাত্মিক সাধনা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন ব্যতিক্রমী। দীর্ঘ গবেষণা, ধ্যান ও আত্মশুদ্ধির সাধনার মাধ্যমে তিনি রচনা করেন “আত্মদর্শন” নামের তাত্ত্বিক গ্রন্থ, যা ইসলামি দর্শন, তাসাউফ, আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক জীবনবোধের ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা হিসেবে সমাদৃত। এছাড়া তাঁর রচিত ভাববাদী গানের সংকলন “সুরতি” আধ্যাত্মিক সংগীতপ্রেমীদের কাছে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

তিনি বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের নিবন্ধিত গীতিকার ছিলেন। তাঁর রচিত বহু গান দেশের খ্যাতিমান শিল্পীদের কণ্ঠে পরিবেশিত হয়েছে। সাহিত্য, গবেষণা, সমাজসেবা এবং আধ্যাত্মিক অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সম্মাননা ও ক্রেস্ট লাভ করেন।

১৯৭৪ সালের ১৪ এপ্রিল হোসনে আরা লুসার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আবুল কালাম (ভোলা)। তাঁদের পরিবারে তিন পুত্র ও দুই কন্যা সন্তান রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ পুত্র মোস্তফা কামাল মানিক বর্তমানে খায়ের মঞ্জিল দরবার শরীফের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

আবুল কালাম (ভোলা) সাহেব ১৯ ডিসেম্বর ২০১৫ ইংরোজি তারিখ দেহ ত্যাগ পর তাঁর আদর্শ ও মানবসেবার ধারাকে সামনে রেখে মোস্তফা কামাল মানিকের নেতৃত্বে খায়ের মঞ্জিল দরবার শরীফের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়েছে।

বর্তমানে দরবার শরীফকে আধুনিক ও নান্দনিক রূপে গড়ে তুলতে চট্টগ্রামের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন মাজার কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে, যা সম্পন্ন হলে ধর্মপ্রাণ মানুষ ও দর্শনার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়াও তাঁদের পরিবার নিয়মিতভাবে এলাকার গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা সহযোগিতা, শিক্ষা সহায়তা, খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাঁরা সমাজসেবার ধারা অব্যাহত রেখেছেন। স্থানীয় জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে পরিবারটি মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে।

কঠোর পরিশ্রম, সততা, আত্মশুদ্ধি, মানবসেবা এবং আধ্যাত্মিক চর্চার সমন্বয়ে গড়ে ওঠা আবুল কালাম (ভোলা) সাহেবের জীবন ও কর্ম আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ