আজঃ রবিবার ২৯ মার্চ, ২০২৬

কর্মচারী গ্রেফতার

টেরিবাজারে চুরি করা ২১ লাখ টাকা কবরস্থান থেকে উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর টেরিবাজারে কাপড়ের দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে ২১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা চুরির ঘটনায় কর্মচারীকে গতকাল শনিবার গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার মো. মিরাজ উদ্দিন প্রকাশ হাসান (৩০) সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আবুল হাসেমের ছেলে।এসময় তার কাছ থেকে ২১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম ওবায়দুল হক বলেন, মনজুরুল আলম টেরিবাজার এলাকায় কাপড়ের ব্যবসা করেন। মিরাজ উদ্দিন প্রকাশ হাসান তার দোকানের কর্মচারী। গত ২৮ মে রাতে দোকান বন্ধ করে চলে যান। পরদিন ২৯ মে সকালে দোকানে এসে দেখেন দোকানের শার্টার ভাঙা এবং ক্যাশবাক্সে ২১ লাখ ৭৮ হাজার টাকা নেই। এ ব্যাপারে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে চুরির কথা স্বীকার করেন দোকান কর্মচারী হাসান। পরে তার বাড়ি সাতাকানিয়া থানাধীন আফজাল নগর এলাকায় মসজিদের কবরস্থানের জঙ্গল থেকে পলিথিন মোড়ানো ২১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে ওসি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলায় সর্বমোট গ্রেফতার-২০।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য ডিএডি আব্দুল মোতালেব হত্যা মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পৃথক অভিযানে এখন পর্যন্ত ২০ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম গ্রেফতার করেছে ১৩ জন এবং জেলা পুলিশ ৭ জনকে।

শনিবার র‌্যাবের পক্ষে থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।গ্রেফতার তিনজন হলেন, সাইদুল ইসলাম, মো. পারভেজ ও মো. বেলাল। তাদের নোয়াখালীর কবিরহাট, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ও বায়েজিদ বোস্তামি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় র‌্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা হয়। এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে তাদের চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডিএডি আব্দুল মোতালেবকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর র‌্যাব-৭ বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করে। মামলায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও হামলাসহ একাধিক ধারা যুক্ত করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
সর্বশেষ গত শুক্রবার নোয়াখালীর কবিরহাট, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এবং বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে, ২৩ মার্চ সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট এলাকা থেকে মিজানুর রহমান সোহান (১৯), ১৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কাট্টালী থেকে সেলিম (৩৫) এবং ১০ ফেব্রুয়ারি চাঁদগাঁও এলাকা থেকে সেকেন্দার মিয়া (৪৩) গ্রেফতার হন।

এছাড়া, জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইউনুছ আলী হাওলাদার (৬২), খন্দকার জাহিদ হোসেন (৩৯), আলীরাজ হাসান (২৮), মিজান (৫৩), মামুন (৩৮), শহাজাহান (৫৩) ও শফিকুল ইসলামসহ (৫১) আরও কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গ্রেফতারদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবৈধভাবে মজুদ করা ৬ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবৈধভাবে মজুদ করা জ্বালানি তেল উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। শুক্রবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গার কমিশনার ঘাট এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ ডিজেল জব্দ করা হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সব্রত হালদারের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ৩০টি ড্রামে সংরক্ষিত আনুমানিক ৬ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) ও পুলিশের সদস্যরা যৌথভাবে অংশ নেন।

অভিযানের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার বলেন, অভিযানে আনুমানিক ৬ হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে কাউকে আটক করা যায়নি। এ ঘটনায় পতেঙ্গা মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। উদ্ধার করা জ্বালানি তেল বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, সমুদ্রগামী জাহাজ ও তেল ডিপো থেকে পরিবহনের সময় একটি চক্র অবৈধভাবে জ্বালানি তেল সরিয়ে তা স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রি করে আসছিল। জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অবৈধ মজুদ প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তেল ডিপো, পেট্রোল পাম্পসহ সংশ্লিষ্ট খাতকে নজরদারির আওতায় এনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় জেলা প্রশাসন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ