আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর থানা পুলিশের ২৪ ঘন্টায় হত্যার রহস্য উদ্‌‌ঘাটন, আসামি গ্রেফতার এবং মোবাইল ফোন ও রিকশা উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর থানা পুলিশের ২৪ ঘন্টায় হত্যার রহস্য উদ্‌‌ঘাটন, আসামি গ্রেফতার এবং মোবাইল ফোন ও রিকশা উদ্ধার।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা মহোদয়ের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মোহাম্মদ কাজী হুমায়ুন রশীদের তদারকিতে সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) জনাব মাহমুদুল হাসানের তত্ত্বাবধানে এবং বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনজুর কাদের মজুমদারের সহযোগিতায়, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোঃ আলমগীরের নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নি.) মোঃ হাছান আলী তার সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্সগণ বন্দর থানার মামলা নং-২১, ধারা- ৩০২/২০১/৩৭৯/৩৪ পেনাল কোড রুজু হওয়ার পূর্বে পিবিআইয়ের সহায়তায় হত্যামামলার ভিকটিম মৃত আলমগীর ফকির (৬৫) এর পরিচয় শনাক্ত করেন। মামলা রুজুর ২৪ ঘন্টার মধ্যে মামলার ঘটনাস্থলের পাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও বিশ্বস্ত গুপ্তচর হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে একপর্যায়ে আসামি মোঃ আরিফ (২৮)-কে বন্দর থানাধীন ধুপপুল এলাকাতে অবস্থিত তার বাসা থেকে গ্রেফতার করেন এবং আসামির দখল থেকে ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল সেটটি উদ্ধর করেব। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় যে, সে ও ভিকটিম পূর্বে একই গ্যারেজে রিকশা চালাতো। তারা গ্যারেজের অভ্যন্তরে মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে লুডু খেলছিল। তখন লুডু খেলা নিয়ে দুজনের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ভিকটিম আসামিকে একটি থাপ্পড় মারে। থাপ্পড় মারার কারণে আসামি ভিকটিমের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং সে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় আসামি ভিকটিমকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে সে একটি রেঞ্চ তার সাথে রাখে এবং গত ৩০/০৫/২৪ খ্রি. তারিখ রাত আনুমানিক ০২.৫৫ ঘটিকায় সল্টগোলা ক্রসিং ফলের দোকানের সামনে থেকে তার পূর্বপরিচিত ভিকটিম আলমগীর ফকিরের রিকশায় উঠে (যা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়)। সে রিকশাযোগে ইসহাক ডিপোতে যাওয়ার পথে বন্দর থানাধীন কাস্টম ব্রিজের ১০০ গজ পশ্চিমে রাস্তার উপর পৌঁছালে সে আলমগীর ফকিরকে তার সাথে থাকা ০১টি রেঞ্চ দিয়ে ভিকটিমের মাথার ডান পাশে আঘাত মেরে রিকশাটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন ভিকটিম তাকে বাধা প্রদান করলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরবর্তীতে সে পুনরায় রেঞ্চ দিয়ে ভিকটিমের গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। লোকজন যেন তার মৃতদেহটি না দেখে সেজন্য আসামি তার মৃতদেহটি টেনেহিঁচড়ে একটু আড়ালে রেখে ঘটনায় ব্যবহৃত রেঞ্চটি ঘটনাস্থলের পাশে ফেলে দেয়। অতঃপর সে ভিকটিমের ব্যবহৃত ফিচার ফোন ও রিকশাটি নিয়ে অন্যত্র চলে যায় এবং যন্ত্রাংশ খুলে খুলশী থানাধীন সর্দার বাহাদুরনগর এলাকার খলিলের স্ক্র‍্যাপের দোকানে কেজি হিসেবে ৩,৫০০ টাকায় বিক্রি করে। তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক উক্ত স্ক্র‍্যাপের দোকান থেকে রিকশার বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে আসামির দেখানোমতে ঘটনাস্থল থেকে হত্যার কাজে ব্যবহৃত ০১টি রেঞ্চ উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ