আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাচন সরে দাঁড়ালেন জাহিদুল হক চৌধুরী মার্শাল

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ৫ জুন বুধবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৬ ষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের ৪র্থ ধাপে বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
নির্বাচনের দুই দিন আগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী যুবলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল হক চৌধুরী মার্শাল। তিনি বাঁশখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোটর সাইকেল প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। আজ রবিবার (২রা জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর বেসরকারি হাসপাতালের কেবিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সরে দাঁড়ানোর এই ঘোষণা দেন। মোটর সাইকেল প্রতীকের এই চেয়ারম্যান প্রার্থী লিখিত বক্তব্যে বলেন প্রিয় বাঁশখালীবাসী ৫ জুন অনুষ্ঠিতব্য উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে মোটর সাইকেল প্রতীকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য এতদিন প্রত্যন্ত অঞ্চলে আপনাদের সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় প্রচারণা চালিয়েছি। কিন্তু হঠাৎ আমার শারিরিক অসুস্থতার কারণে চট্টগ্রামের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এই অসুস্থ শরীর নিয়ে কোন ভাবেই নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারছি না। এমন অবস্থায় নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া আমার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। সবদিক বিবেচনা করে আমি এই নির্বাচন থেকে নিজের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিলাম। মোটর সাইকেল প্রতীকের এই চেয়ারম্যান প্রার্থী আরো বলেন এতদিন আপনারা যারা সহযোগিতা আন্তরিকতা ও ভালোবাসা দিয়েছেন সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন সুস্থ হয়ে আপনাদের সেবায় ফিরে আসতে পারি। আমি নিজেই স্বেচ্ছায় এ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি। এসময় হাসপাতালে তাঁর কাছের আত্মীয় স্বজন ও কর্মী সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন। পরে চেয়ারম্যান প্রার্থী মার্শাল নিজেই তাঁর কর্মী সমর্থকদের কাছে একটি ভিডিও বার্তা পাঠান। বাঁশখালী উপজেলা নির্বাচনে অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম (দোয়াত কলম), বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. এমরানুল হক ইমরান (আনারস), বাঁশখালীর সাবেক পৌর মেয়র শেখ ফখরুদ্দীন চৌধুরী (ঘোড়া)। চট্টগ্রাম সিটি কলেজের সাবেক জিএস জাহিদুল হক চৌধুরী মার্শাল মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে মাঠে সরব থাকলেও আজ সরে দাঁড়িয়েছেন। এদিকে ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। এর মধ্যে তালা প্রতীকের আকতার হোসেন ও বই প্রতীকের মো. হোছাইন, টিয়া প্রতীকের মো. আরিফুর রহমান সুজন, চশমা প্রতীকে মো. আরিফুজ্জামান আরিফ, মাইক প্রতীকে মো. ওসমান গণী, টিউবওয়েল প্রতীকে ইমরুল হক চৌধুরী ফাহিম, উড়োজাহাজ প্রতীকের এম.এ মালেক মানিক।অপরদিকে, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফুটবল প্রতীকে নুরী মন আক্তার নুরী, কলসি প্রতীকের রেহেনা আকতার কাজমী, ইয়ামুন নাহার প্রজাপতি প্রতীকে মাঠে লড়েছেন।
চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন অফিসার এ.কে.এম গোলাম মোর্শেদ খান বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনে আমরা শতভাগ ভালো নির্বাচন করার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর।

উল্লেখ, এ উপজেলায় তিনটি পদে মোট ১৪ জন প্রার্থী মাঠে লড়েছেন। আগামী ৫ জুন সকাল ৮টা হতে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বাঁশখালী উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নের ১১৫টি ভোট কেন্দ্রের ৮৫৬টি ভোট কক্ষে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

বাঁশখালীতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯শত ৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লক্ষ ২ হাজার ৩শত ২১জন, মহিলা ভোটার ১লক্ষ ৭৪ হাজার ৫শত ৮১জন, তৃতীয় লিঙ্গের (হিজরা) ৪ জন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ