আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিত কেন্দ্রে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
স্থগিত কেন্দ্রে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

তৃতীয় ধাপে সদ্য অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থগিত কেন্দ্রে ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন পটিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাজেদা বেগম। গতকাল সোমবার ০৩’জুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম, পুলিশ সুপার চট্টগ্রাম জেলা বরাবরে আবেদন জানান তিনি। এতে বলা হয় , গত ২৯ মে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। সেদিন সকালে ভোট গ্রহণ শুরুর ঘণ্টা খানেক পর পিঙ্গলা সরকারি প্রাথমিক কেন্দ্রে প্রায় দুই শতাধিক বহিরাগত হামলা চালায়। হামলাকারীরা সেখান থেকে ব্যালট বক্স, ব্যালট পেপারসহ ভোট গ্রহণের সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানসহ উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ভোট গ্রহণের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ওই কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। স্থগিত কেন্দ্রটির ভোটগ্রহণেন জন্য আগামীকাল ৫ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।এমতাবস্থায় উক্ত কেন্দ্রের ভোটারদের সাথে গত চারদিন যাবত আলাপে জানতে পারি, তারা ২৯ মে’র ঘটনার পর থেকে শঙ্কিত। ভোটারদের আশঙ্কা ২৯ মে’র ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা। এমনকি সন্ত্রাসীরা ২৯ মে’র চেয়ে আরো অধিক সংখ্যক লোকজন নিয়ে ভোট বাধাগ্রস্থ করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভোটাররা। তাই ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আগমন, নির্বিঘ্নে বাধাহীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ ও নিরাপদে কেন্দ্র থেকে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরী। পাশাপাশি কোনো দুস্কৃতিকারী যাতে জাল ভোট দিতে না পারে সেজন্যও ব্যবস্থা গ্রহণ অতীব প্রয়োজন।
সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগ বাধাহীন, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে পিঙ্গলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ‍ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরী।এই বিষয়ে জানিয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার, জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম, পুলিশ সুপার চট্টগ্রাম জেলা বরাবরে আবেদন করেন তিনি । এসব আবেদনের অনুলিপি নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পটিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পটিয়া) চট্টগ্রাম এবং অফিসার ইনচার্জ (পটিয়া) কে প্রদান করা হয়েছে। অতএব উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৫ জুন অনুষ্ঠিতব্য ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছি। গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং ভোটগ্রহণের দিন ভোটাধিকার প্রয়োগ বাধাহীন করতে আপনারা গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ