আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

নোয়াখালী:

ঈদে আইডি কার্ড যার রিলিফের চাউল”তার ঘোষণায় প্রসংশায় ভাসছেন ইউপি চেয়ারম্যান

এমএম রফিক মাহমুদ নোয়াখালী দক্ষিণ প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাসার পবিত্র ঈদুল আজহায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া গরীবদের জন্য বিশেষ বিজিএফ চাউল বিতরনে আইডি কার্ড যার চাউল তার ঘোষণায় এলাকায় প্রশংসায় ভাসছেন চেয়ারম্যান এডভোকেট হাজী মোহাম্মদ আবুল বাসার,

১৩ জুন বৃহস্পতিবার ২৪,
চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের নিচতলায় পরিষদের নিজস্ব গুদামঘর থেকে বিশেষ বিজিএফ এর চাউল বিতরন কার্যক্রম উদ্ভোদন করেন তিনি,

জানা যায় ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দকৃত ৬৫ টন ৮০ কেজি চাউল প্রায় ৬৫৮০জন গরীব অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরন কার্যক্রম শুরু হয়,
সকাল ০৯ ঘটিকায় শুরু হয়ে প্রতিদিন বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলমান,

এ প্রতিবেদককে জানতে চাইলে চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাসার বলেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের প্রতি বছররে ন্যায় কোরবানির ঈদে গরীব মানুষদের জন্য আমার ইউনিয়নের জন্য বরাদ্দ কৃত ৬৫ টন ৮০ কেজি চাউল বিতরন কার্যক্রম শুরু করছি এতে প্রায় ৬৫৮০ জন কে দশ (১০) কেজি করে চাউল দেওয়া যাবে তবে যদি বিতরন করে শেষে কোন আইডি কার্ড ধারি গরীব অসহায় মানুষ বাদ পড়ে তাহলে আমি আমার নিজের ফান্ড থেকে তাদের জন্য বরাদ্দের ব্যবস্থা করবো।

একজন ভুক্তভোগী বলেন আমরা গর্বিত এমন চেয়ারম্যান পেয়ে,
কারন এমন উদ্দ্যোগ আর কোন চেয়ারম্যান নেইনি আমাদের চরক্লার্ক ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান নিয়েছেন, আমরা এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই, এবং আমরা খুব খুশি,

সৌদি আরব প্রবাসী আবদুল কাদের বলেন জনবান্ধন রিলিফ বন্টন সিদ্ধান্তে চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাসার প্রশংসার দাবিদার,
এবং তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক এ পোষ্ট করে প্রশংসা করেন এবং আগামীতে এমন উদ্যোগ চলমান রাখতে অনুরোধ জানান, সৌদি আরব প্রবাসী আবদুল কাদের আরো বলেন রিলিফের চাউল বিতরন কার্যক্রমের মত এলাকায় প্রতিটি ওয়ার্ডের নতুন এবং পুরাতন রাস্তা মেরামত প্রকল্পের জনবান্ধন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ বলে তিনি বলেন।

পরিশেষে চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট হাজী মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন আমার চরক্লার্ক ইউনিয়ন এর মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে সকলেকে নির্দেশ প্রদান করেন।
এবং চরক্লার্ক ইউনিয়ন বাসীকে আসন্ন ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ