আজঃ শুক্রবার ১৫ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম নামের উৎস ও ঐতিহ্য

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে সৌন্দর্য, বৈচিত্র্য ও বিশালতায় সমৃদ্ধ। ভূ-প্রাকৃতিক রূপে যেমন এর বিচিত্রতা তেমনি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগের ঐশ্বর্যমণ্ডিত বৈশিষ্ট্য। এ বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর সহ প্রায় সকল জেলায় রয়েছে নিজ নিজ ঐতিহ্যগত বৈশিষ্ট্য। নীচে জেলা ভিত্তিক এ বিভাগের ঐতিহ্যসমূহ উল্লেখ করা হল

 

চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। জানা ইতিহাসের শুরু থেকে চট্টগ্রামে আরাকানী মঘীদের প্রভাব লক্ষনীয়। ফলে গ্রামীণ সংস্কৃতিতেও এর যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। সে সময় এখানকার রাজারা বৌদ্ধধর্মাবলম্বী হওয়ায় তার প্রভাব ও যথেষ্ট। সুলতানি, আফগান এবং মোগল আমলে ও আরাকানীদের সঙ্গে যুদ্ধবিগ্রহ লেগেই ছিল। ফলে শেষ পর্যন্ত মঘীদের প্রভাব বিলুপ্ত হয়নি। এছাড়া চট্টগ্রামের মানুষ আতিথেয়তার জন্য দেশ বিখ্যাত। চট্টগ্রামের বর্তমান সংস্কৃতির উন্মেষ হয় ১৭৯৩ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের পর। এর ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে সামাজিক ধানোৎপাদন ও বন্টনে পদ্ধতিগত আমূল পরিবর্তন হয়। অন্যান্য স্থানের মতো চট্টগ্রামে ও একটি নতুন মধ্যবিত্ত সম্প্রদায়ের উদ্ভব হয়। নতুন এরই ফাঁকে ইংরেজরা প্রচলনা করে ইংরেজি শিক্ষা। মধ্যবিত্ত সম্প্রদায় ইংরেজি শিক্ষার মাধ্যমে পাশ্চাত্যের সঙ্গে পরিচিত হতে শুরু করে। চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের ইতিহাস সমৃদ্ধ। শেফালী ঘোষ এবং শ্যাম সুন্দর বৈষ্ণবকে বলা হয় চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের সম্রাট ও সম্রাজ্ঞি। মাইজভান্ডারী গান ও কবিয়াল গান চট্টগ্রামের অন্যতম ঐতিহ্য। কবিয়াল রমেশ শীল একজন বিখ্যাত কিংবদন্তি শিল্পী। জনপ্রিয় ব্যান্ড সোলস, এল আর বি, রেঁনেসা, নগরবাউল এর জন্ম চট্টগ্রাম থেকেই। আইয়ুব বাচ্চু, কুমার বিশ্বজিৎ, রবি চৌধুরী, নাকিব খান, পার্থ বডুয়া, সন্দিপন, নাসিম আলি খান, মিলা ইসলাম চট্টগ্রামের সন্তান। নৃত্যে চট্টগ্রামের ইতিহাস মনে রখার মত। রুনু বিশ্বাস জাতীয় পর্যায়ে বিখ্যাত নৃত্যগুরু। চট্টগ্রামের বিখ্যাত সাংস্কৃতিক সংগঠন হল দৃষ্টি চট্টগ্রাম বোধন আবৃত্তি পরিষদ, প্রমা, আলাউদ্দিন ললিতকলা একাডেমি, প্রাপন একাডেমি, উদিচি, আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, ফু্লকি, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা, রক্তকরবী, আর্য সঙ্গীত, সঙ্গীত পরিষদ। মডেল তারকা নোবেল, মৌটুসি, শ্রাবস্তীর চট্টগ্রামে জন্ম । সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালিত হয় জেলা শিল্পকলা একাডেমি, মুসলিম হল, থিয়েটার ইন্সটিটিউট। বৈচিত্রময়ী চট্টগ্রামের নামও বৈচিত্রে ভরা। খ্রিষ্টীয় দশক শতকের আগে চট্টগ্রাম নামের অস্তিত্ব ছিল না। অর্থাৎ চট্টগ্রাম নামের কোন উৎসের সন্ধান পাওয়া যায় না। তাই দেখা যায় যে, সুপ্রাচীনকাল থেকে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পরিব্রাজক, ভৌগোলিক এবং পন্ডিতগণের লিখিত বিবরণে, অঙ্কিত মানচিত্রে, এখানকার শাসক গৌড়ের সুলতান ও রাজাদের মুদ্রায় চট্টগ্রামকে বহু নামে খ্যাত করেছিলেন। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামের ৪৮টি নাম পাওয়া গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‌‌-সুহ্মদেশ, ক্লীং, রম্যভূমি,চাতগাঁও, চট্টল, চৈত্যগ্রাম, সপ্তগ্রাম, চট্টলা, চক্রশালা, শ্রীচট্টল,চাটিগাঁ, পুস্পপুর, চিতাগঞ্জ, চাটিগ্রাম ইত্যাদি। কিন্তু কোন নামের সঙ্গে পাঁচজন একমত হন না। সে সব নাম থেকে চট্টগ্রামের নাম উৎপত্তির সম্ভাব্য ও চট্টগ্রামের নামের সঙ্গে ধ্বনিমিলযুক্ত তেরটি নামের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হলো। চৈত্যগ্রাম:- চট্টগ্রামের বাঙালি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অভিমত এই যে, প্রাচীনকালে এখানে অসংখ্য বৌদ্ধ চৈত্য অবস্থিত ছিল বলে এ স্থানের নাম হয় চৈত্যগ্রাম। চৈত্য অর্থ বৌদ্ধমন্দির কেয়াং বা বিহার। এই চৈত্যের সঙ্গে গ্রাম শব্দ যুক্ত হয় বলে চৈত্যগ্রাম নামের উদ্ভব হয়। পরবর্তীকালে চৈত্যগ্রাম নাম বিবর্তিত হয়ে চট্টগ্রাম রূপ প্রাপ্ত হয়। চতুঃগ্রাম:ব্রিটিশ আমলের গেজেটিয়ার লেখক ও’মলি সাহেবের মতে,সংস্কৃত চতুঃগ্রাম শব্দ থেকে চট্টগ্রাম নামের উৎপত্তি। চতুঃ অর্থ চার। চতুঃ শব্দের সঙ্গে গ্রাম শব্দ যুক্ত হয়ে চতুঃগ্রাম হয়। চতুঃ-গ্রাম বিবর্তিত হয়ে চট্টগ্রাম রূপ প্রাপ্ত হয়। চট্টল:চট্টগ্রামের তান্ত্রিক ও পৌরাণিক নাম ছিল চট্টল। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন তন্ত্র ও পুরাণগ্রন্থে চট্টল নামের উল্লেখ দেখা যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমি’র শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান সম্পন্ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমি আয়োজিত ১০ই মে রবিবার সন্ধ্যা ৬.৩০ টায় চট্টগ্রাম নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনেঅনুষ্ঠিত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। এতে শুরুতেই মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের মুখ্য বাদ্যযন্ত্রী অনুপম বিশ্বাস। উদ্বোধনী অর্কেস্ট্রা পরিবেশন করেন সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমির শিক্ষার্থীরা বাঁশী, দোতারা, বেহালা, উকুলেলে এবং কণ্ঠ সঙ্গীত সমন্বয়ে রাগ ভুপালীতে অর্কেস্ট্রা পরিবেশন করেন। অর্কেস্ট্রা পরিবেশনায় অংশ গ্রহণ করেন জবাশ্রী দাশগুপ্ত, দিপংকর বড়ুয়া, হৃদিতা দাশ (পুজা), কমলিনী নাথ,   নীলরাজ নাথ, রাশী দাশ, দিঘী মজুমদার, উর্বশী দে, সঙ্গীতা মহাজন,  পুজা দাশ,  অনুষ্ক দে, জিশু দেবনাথ, অভিজিৎ আচার্য্য, রনি দে, রাইমা দাশ, দুর্লভ দাশ, সীমান্ত দাশ, প্রশান্ত দাশ,  শামীম হোসাইন, হৃদয় দাশ অর্চিতা দাশ,  আনোয়ার হোসেন, প্রান্ত ধর, তমাল মজুমদার,   প্রেরণা আচার্য্য, সঞ্জিত রায়, প্রসেনজিৎ নাথ। তবলা সহযোগিতায় ছিলেন শিল্পী রাজীব চক্রবর্তী।  অর্কেস্ট্রা পরিচালনা করেন সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমির পরিচালক শিল্পী সুমন কুমার নাথ।
এরপর অদিতি সাহার সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রকৌশলী টিটু কুমার দাশ।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দ্যা নীড এ্যাপারেলস ( প্রা:) লিমিটেড এর চেয়ারম্যান রিয়াজ ওয়ায়েজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেতার এবং টেলিভিশনের উচ্চাঙ্গসংগীত শিল্পী রনধীর দাশ।

বক্তারা একাডেমির এ ধরনের আয়োজনকে সাধুবাদ জানান,সংস্কৃতি প্রেমীদের জন্য উপভোগ্য হয়ে উঠবে উল্লেখ করেন, একাডেমির উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন। ঢাকা থেকে আগত BASIC ACADEMY OF YOGIC ACOUSTIC TRADITIONAL INSTRUMENTS (BAYATI) দেশ রাগে দোতারাতে অর্কেস্ট্রা পরিবেশন করেন। পরবর্তীতে দরবারি রাগে একক খ্যায়াল পরিবেশন করেন শিল্পী রিষু তালুকদার।  তবলা বাদনে ছিলেন শিল্পী রাজীব চক্রবর্তী এবং  হারমেনিয়ামে বিজয় দেবনাথ। তানপুরায় সহযোগিতা করেন হৃদিতা দাশ পুজা।

বাঁশীতে সুরের মুর্ছনায় এক অনবদ্য পরিবেশনা উপহার দিলেন শিল্পী রাসেল দত্ত।  তিনি প্রথমে মত্যতাল এবং পরবর্তী তে ত্রিতালে রাগ বাগেশ্রী পরিবেশন করেন। তবলা বাদনে ছিলেন শিল্পী সানি দে এবং তানপুরা সহযোগিতায় আরাধ্যা দাশ। পরিশেষে শিল্পী রাসেল দত্ত কীর্তন ধুন পরিবেশন করে দর্শক শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন।

ওপার বাংলার থেকে আগত শিল্পী বাবুসোনা বসু চতুরঙ্গী পরিবেশন করিয়ে দর্শকশ্রোতাবৃন্দের সুরের তৃপ্তি আস্বাদনের মাত্রা আরো বাড়িয়ে তোলেন। তিনি প্রথমে বিলম্বিত ত্রিতালে এবং পরে দ্রুত লয়ে রাগ যোগ পরিবেশন করেন। তবলা বাদনে ছিলেন ওপার বাংলা থেকে আগত শিল্পী সমীর আচার্য্য।  পরিশেষে একটি ধুন বাজিয়ে হলরুমে সুরের মায়াজালে উপস্থিত দর্শক – শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন।

কবিয়াল রমেশ শীলের জন্মদিনে দুইদিন ব্যাপী ‘রমেশ উৎসব’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, ১৯৪৮ সালে কলকাতার শ্রদ্ধানন্দ পার্কে ‘বঙ্গের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল’ উপাধিপ্রাপ্ত, মাইজভাণ্ডারী গানের অন্যতম গীতিকার ও কবিকুল সম্রাট, উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল, একুশে পদকপ্রাপ্ত লোককবি রমেশ শীলের ১৪৯ তম জন্মবার্ষিকী শনিবার (৯ মে)। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার গোমদণ্ডী গ্রামে রমেশ সমাধি প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী রমেশ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্টের আয়োজনে ১ম দিন কবির সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, রমেশ শিল্পী গোষ্ঠীর পরিবেশনায় রমেশ সংগীত ও আলোচনা সভা, সন্ধ্যায় স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় রমেশ গীতি; ২য় দিন কবির সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, রমেশ শিল্পী গোষ্ঠীর পরিবেশনায় রমেশ সংগীতানুষ্ঠান, আলোচনা সভা, টিভি ও বেতার শিল্পীদের পরিবেশনায় রমেশ রচিত মাইজভাণ্ডারী গানের আসর বসবে বলে আয়োজক কমিটি জানান।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ