আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে এবার কাঁচা চামড়ায় লোকসান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে এবার তেমন চামড়া বিক্রি করতে পারেননি ব্যবাসায়ীরা। ফলে লোকসান দিতে হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা নষ্ট হয়ে যাওয়া ১০ হাজারেরও বেশি চামড়া রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। গত ১৭ জুন ঈদুল আজহার সকালে শুরু হয় পশু কোরবানি। দুপুর থেকে সন্ধ্যার পর পর্যন্ত বন্দরনগরী চট্টগ্রামে চামড়া কেনাবেচা ছিল বেশ সুশঙ্খল। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গাউছিয়া কমিটি স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে ঘুরে চামড়া সংগ্রহ করে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। সন্ধ্যা পর্যন্ত মৌসুমি সংগ্রহকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের অনেককে নগরীর আতুরার ডিপোতে সরাসরি আড়তে নিয়েও কাঁচা চামড়া বিক্রি করতে দেখা যায়। আবার আড়তদারের প্রতিনিধিদেরও নগরীর চৌমুহনী এলাকার কর্ণফুলী মার্কেটসহ চামড়া সংগ্রহের কয়েকটি স্পটে ঘুরে চামড়া কিনতে দেখা যায়। তবে মধ্যরাতের পর দৃশ্যপট পালটে যায়।
জানা গেছে, প্রথম ধাপের কাঁচা চামড়া সংগ্রহের পর আড়তদারের প্রতিনিধিরা মাঠ থেকে ‘উধাও’ হয়ে যান। আড়তদাররাও চামড়া কেনার গতি শ্লথ করে দেন। এরপর গত ১৮ জুন ভোরের দিকে আবার আড়তদার ও তাদের প্রতিনিধিরা সক্রিয় হলেও ততক্ষণে মৌসুমি সংগ্রহকারী ও খুচরা বিক্রেতারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। চামড়াও নষ্ট হওয়ার উপক্রম। এরপর আড়তদারদের নির্ধারিত দামেই তারা চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হন। অনেকে সেই ভোরে রাগে-দুঃখে ও হতাশায় সড়কের ওপর চামড়া ফেলে দিয়ে বাড়ি চলে যান।
এর আগে আড়তদারদের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটবাজির অভিযোগ তুলে পাঁচ বছর আগে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া সড়কে ফেলে দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন চট্টগ্রামের মৌসুমি সরবরাহকারী ও খুচরা বিক্রেতারা। গত কয়েক বছরে তারা অনেকটা নিষ্ক্রিয়ই হয়ে পড়েছিলেন। এ বছর আবার কোরবানির সময় তারা বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তবে লাভ হয়নি, পাঁচ বছরের পুরনো চিত্রই আবার ফিরে এসেছে চট্টগ্রামে। সড়কে ফেলে দেওয়া হলো কাঁচা চামড়া।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম বলেন, চৌমুহনী কর্ণফুলী মার্কেট, বিবিরহাট গরুবাজারের সামনে এবং আতুরার ডিপো এলাকায় সড়কে কেউ কেউ কাঁচা চামড়া ফেলে গেছেন। এগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা সেগুলো বর্জ্যের সঙ্গে সংগ্রহ করে ডাম্পিং জোনে নিয়ে গেছি। খুব বেশি চামড়া নষ্ট হয়নি, চৌমুহনী থেকে দুই-চার হাজারের মতো, সব মিলিয়ে বড়জোড় ১০ হাজার হতে পারে।
এদিকে কর্ণফুলী মার্কেটের কাঁচামাল ব্যবসায়ী হাসিব মোল্লা কোরবানির পর দুপুরে ১৪০ পিস কাঁচা চামড়া নিয়ে ওই মার্কেটের সামনে বিক্রির জন্য হাজির হয়েছিলেন। তিনি জানালেন, গড়ে ৪৫০ টাকা করে কেনা প্রতিটি কাঁচা চামড়া তিনি রাত ১১টার দিকে ৩৮০ টাকা দরে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। তার ২০ হাজার টাকা লোকসান হয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় একদল মৌসুমি সংগ্রহকারী ৮০০ পিস চামড়া নিয়ে এসেছিলেন। সেগুলো বিক্রির দায়িত্ব নিয়েছিলেন হাসিব। ভোর ৫টার দিকে সেগুলো ১২০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি করে দেন, যদিও সেগুলো কেনা হয়েছিল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা দরে। কর্ণফুলী মার্কেটের আরেক ব্যবসায়ী একই দরে ২৫০ পিস চামড়া কিনে বিক্রি করতে বসেছিলেন। তাকেও ভোরের দিকে প্রতিটি চামড়া ১৫০ টাকা দরে বিক্রি করে বাড়ি চলে যেতে হয়েছে।
হাসিব মোল্লা বলেন, সন্ধ্যার পর্যন্ত আড়তদারের লোকজন ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায় চামড়া কিনেছে। ৫০০ টাকাতেও কিনেছে। সন্ধ্যার পর আমরা অনেক খুঁজেও তাদের পাচ্ছিলাম না। আমি চামড়া ধরে রেখে ভুল করেছি। রাত ১১টার দিকে বিক্রি করে দিয়েছি। আমাকে ৩০ হাজার টাকা নগদ দিয়েছে, ২০ হাজার টাকার চেক দিয়েছে। চেকের টাকা আদৌ পাবো কি না, কে জানে! আমার ২০ হাজার টাকা লস হয়েছে। চামড়াগুলো বিক্রি করে না দিলে পচে যেত।শুধু চৌমুহনী এলাকায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার অন্তত আড়াই হাজার পিস কাঁচা চামড়া সড়কে ফেলে যাওয়ায় নষ্ট হয়েছে বলে দাবি হাসিব মোল্লার। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর চামড়ার ব্যবসা ধ্বংস করে দিয়েছে। আগে আমরা তিন হাজার টাকায় চামড়া কিনে সাড়ে তিন হাজার টাকায় বিক্রি করতাম। দুই হাজার টাকায় চামড়া কিনে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করতাম। এখন চামড়ার দাম দেড়-দুই শ টাকা। চামড়ার ব্যবসা না করলে কী হয়! এ সরকার যতদিন ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন আমি আর চামড়ার ব্যবসা করব না।
চৌমুহনী-বাদামতল-ছোটপোল এলাকা মিলে চার হাজারেরও বেশি চামড়া বিক্রি না হওয়ায় নষ্ট হয়ে দাবি করে ছগীর বলেন, ‘একেকজনের তিন-চার লাখ টাকা লস হয়েছে। এ ব্যবসা ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা এ ব্যবসা আর করব না।
এর আগে ২০১৯ সালে আড়তদার ও তাদের প্রতিনিধিরা ‘অস্বাভাবিক দরপতন’ ঘটিয়ে মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া কেনা বন্ধ রেখেছিলেন। এতে কাঁচা চামড়া সড়কে ফেলে দিয়ে তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল। এরপর ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছর মৌসুমি সংগ্রহকারীদের আর তৎপরতা ছিল না। কিন্তু এ বছর আবার চট্টগ্রাম নগরীর কিছু কিছু এলাকায় মৌসুমি সংগ্রহকারীরা কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করেন। চৌমুহনী কর্ণফুলী মার্কেট এলাকায় কোরবানির পর দুপুরে চামড়া নিয়ে আসা তরুণদের কয়েকটি দলকে দেখা গিয়েছিল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত মৌসুমি সংগ্রহকারীদের কাছ থেকে কিনে খুচরা বিক্রেতারা আড়তদারের প্রতিনিধির কাছে অথবা সরাসরি আড়তে বিক্রি করতেন। মাঠ থেকে মৌসুমি সংগ্রহকারী উধাও হওয়ার পর একদিনের ব্যবসায় বিনিয়োগকারী খুচরা বিক্রেতার সংখ্যাও কমে আসে। চার বছর পর ফের সক্রিয় হওয়া মৌসুমি সংগ্রহকারীদের আবার ‘শিক্ষা দিয়ে’ মাঠ থেকে ‘আউট’ করতে আড়তদারদের সিন্ডিকেট এ কারসাজি করেছে বলে দাবি খুচরা বিক্রেতাদের কয়েকজনের।
বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার সমবায় সমিতি লিমিটেডের সহসভাপতি আব্দুল কাদের জানিয়েছেন, ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর পর্যন্ত কোরবানি দেওয়া গরু, মহিষ ও ছাগল মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ কাঁচা চামড়া সংগ্রহ হয়েছে। এর মধ্যে গরু প্রায় পৌনে দুই লাখ। এ ছাড়া গাউছিয়া কমিটির কাছে আরও ষাট হাজারের মতো চামড়া আছে। আড়তদার সমবায় সমিতির টার্গেট সাড়ে তিন লাখ চামড়া সংগ্রহ। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৭৫ শতাংশ চামড়া সংগ্রহ হয়েছে। কাদের জানান, চট্টগ্রামে ঈদের তৃতীয় দিন পর্যন্ত কোরবানি হয়। এ ছাড়া নগরীর সব এলাকা ও উপজেলা থেকে এখনো সব চামড়া আড়তে পৌঁছায়নি। অনেকে আড়তে না এনে সরাসরি ট্যানারি মালিকের কাছে বিক্রি করবেন। সব মিলিয়ে তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে তিনি আশাবাদী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ উপলক্ষে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে টানা আট দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৬ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি এবং সিএন্ডএফ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে আগামী ৩ জুন থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে সব কার্যক্রম চালু হবে।

সোনামসজিদ আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ঈদের ছুটিকালীন সময় এ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।তবে এ সময়েও সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। ঈদের দিনসহ প্রতিদিনই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান জানান, ঈদের ছুটিতে মূল আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও লোড-আনলোড, গুদামজাতকরণ এবং পরিবহনসহ কিছু অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে সঞ্চিতা ইলেকট্রনিক্স এর স্বত্বাধিকারী সংগীত কুমার পালের সভাপতিত্বে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর হেড অব সেলস মাকসুদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আজাদ খান প্রমূখ।
যমুনা ইলেকট্রনিকস এর প্রতিটি পন্য কোয়ালিটিতে ওয়ান নম্বার এবং বিশ্ব মানের বলে দিন দিন মার্কেটে ভোক্তাদের কাছে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পন্য সামগ্রিই ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে।

এছাড়াও দেশব্যাপি যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পার্টনারসবৃন্দ যমুনার পন্য বিক্রি করে অনেক বেশি মুনাফা হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি। শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শো-রুম এর অফিসে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন রকমের সাধারণ জনগণ,সাধারণ ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পাবনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ