আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

আগামী অক্টোবরে চট্টগ্রাম মহানগর আ.লীগের সম্মেলন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী অক্টোবর মাসে নির্ধারিত সময়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মেনে এই সন্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। নগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে ১০ দফা প্রস্তাবনা ঘোষণা করা হয়। নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর সংগ্রাম-আন্দোলন এবং স্বাধীন বাঙালির জাতিসত্তা নির্মাণের ইতিহাস-ঐতিহ্যের হীরকখণ্ড। সেই উৎসারিত দ্যুতি আজ সারাবিশ্বে ছড়িয়েছে। আওয়ামী লীগকে বার বার ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আপন মহিমায় গ্রিক-পুরানের ফিনিক্স পাখির মতো জীবন ফিরে পেয়েছে।
নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মতে নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে অসমাপ্ত ইউনিট-ওয়ার্ড ও থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন করা হবে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে তৃণমূল সম্মেলন শেষ করে অক্টোবর মাসে নগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন করা হবে।
তিনি বলেন, যারা বিভিন্ন অজুহাতে সংগঠনের মধ্যে বিভেদ, বিভাজন ও অনৈক্য সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে তারা কখনো দুর্দিনে আওয়ামী লীগের সাথে ছিলেন না। এখনো যারা বিভিন্ন স্তরে নেতৃত্বে আছেন, তাদের মধ্যে প্রায়ই আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের সাথী।
চসিক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, সৎ, সাহসী, পরীক্ষিত, ত্যাগী ও গ্রহণযোগ্যদের তৃণমূল স্তরে নেতৃত্বে আনতে হবে। কারণ তারাই সংগঠনের মূল প্রাণশক্তি।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য নোমান আল মাহমুদ বলেন, দলের ভেতরে নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকবে। এটাই একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক শক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তবে নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিহিংসামূলক আচরণ দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
নগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দীন চৌধুরী, এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, উপদেষ্টা এ কে এম বেলায়েত হোসেন, শফর আলী, শেখ মাহমুদ ইছহাক, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য শফিক আদনান, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চন্দন ধর, মসিউর রহমান চৌধুরী, আহমেদুর রহমান সিদ্দিকী, মো. হোসেন, জোবাইরা নার্গিস খান, দিদারুল আলম চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মানস রক্ষিত, মো. আবু তাহের, ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী, শহিদুল আলম, নির্বাহী সদস্য এমএ লতিফ এমপি, আবুল মনছুর, কামরুল হাসান বুলু, পেয়ার মোহাম্মদ, সৈয়দ আমিনুল হক, জাফর আলম চৌধুরী, বখতেয়ার উদ্দীন খান, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, মহব্বত আলী খান, মো. ইলিয়াছ, নেছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

ভাঙ্গুড়ায় ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উদযাপন ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ মহান মে দিবস। বিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন। শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের ঐতিহাসিক লড়াইয়ের এ দিন কে স্মরণ করে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়েছে এই দিবসটি। রাষ্ট্রীয়ভাবে মে দিবস পালন করছে বাংলাদেশ। তারই ধারাবাহিকতায় পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা সিএনজি মালিক ও শ্রমিক সমিতি এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার আয়োজনে ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উদযাপন ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’। মহান মে দিবসের ইতিহাসের সূচনা ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিকদের ঐতিহাসিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবং দিবসটি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃতি পায় ।

শিল্প বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে শ্রমিকদের দিনে ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করা হলে তারা ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে সংগঠিত হয়ে ওঠে। ওই বছরের ১ মে দেশজুড়ে ধর্মঘট ও বিক্ষোভ শুরু হয়, যার কেন্দ্রবিন্দু ছিল শিকাগো।আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৪ মে সংঘটিত হে মার্কেট বোমা বিস্ফোরণ ও পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন নিহত ও বহু মানুষ আহত হন। পরবর্তীকালে কয়েকজন শ্রমিক নেতাকে বিতর্কিত বিচারে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হলে তা বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদের জন্ম দেয় এবং শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

সেই স্বরণে ভাঙ্গুড়া উপজেলা সিএনজি মালিক ও শ্রমিক সমিতি এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখার আয়োজনে ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উদযাপন ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি ভাঙ্গুড়া বাস স্ট্যান্ড শহীদ মিনার থেকে শুরু করে শরৎনগর বাজারে দিকে রওনা হয়। শরৎনগর বাজারের মেইন মেইন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজপাড়া মোড়ের ব্রিজ পার হয়ে, ভাঙ্গুড়া বাজারের মেইন মেইন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরবর্তীতে ভাঙ্গুড়া বাস স্ট্যান্ড শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়। এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাকিউল আযমের নেতৃত্বে গাড়ি বহ পুলিশ শোভাযাত্রাটিকে নিরাপত্তা প্রদান করেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ