আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

ঠাকুরগাঁও:

আগামীকাল এইচএসসি পরীক্ষা এখনও প্রবেশপত্র পায়নি রুহিয়া কলেজের ৪২ পরিক্ষার্থী

জাহিদুল ইসলাম রুহিয়া ঠাকুরগাঁও:

রুহিয়া:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামীকাল এইচএসসি পরীক্ষা এখনও প্রবেশপত্র পায়নি রুহিয়া কলেজের ৪২ পরিক্ষার্থী। যদি এইচএসসি পরীক্ষার আর মাত্র একদিন বাকি, এ সময় সবাই যখন পরীক্ষার হলের প্রবেশপত্রসহ যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক সে সময় প্রবেশপত্র না পেয়ে হতাশায় ভুগছে ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া ডিগ্রী কলেজের ৪২ জন পরীক্ষার্থী, তারা প্রবেশপত্র না পাওয়ায় তাদের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অনিশ্চিতয়তা দেখা দিয়েছে, তারা আধো জানেনা আগামীকাল পরিক্ষা দিতে পারবে কিনা।

শুক্রবার (২৮ জুন) বিকেলে রুহিয়া ডিগ্রী কলেজ মাঠে গিয়ে দেখা যায়, আরিফ নামে এক শিক্ষার্থী তার তার প্রবেশপত্রের জন্য কলেজে এসে অপেক্ষা করছেন। এ সময় তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, রুহিয়া ডিগ্রী কলেজের ল্যাব সহকারী মো. সাবুকে সব ছাত্রছাত্রী ফরম পূরণর টাকা দেই। তবে সবার ফরম পূরণ হলেও আমাদের ৪২ জনের ফর্ম পূরন নাকি হয়নি। এজন্য আমাদের প্রবেশপত্র আসেনি। আমরা যদি প্রবেশপত্র না পাই তাহলে এই কলেজে ফাঁসি দিব। এ ছাড়া আর কোনো রাস্তা নাই।

মোহাম্মদ আবু তালেব নামে আরেক এইচএসসি পরীক্ষার্থী বলেন, আমি ফরম ফিলাপের জন্য সাবুকে টাকা দিয়েছে কিন্তু এখনও আমরা প্রবেশপত্র পাইনি। আমার বাবা নেই, আমি দোকানে কাজ করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি। এত কষ্ট করে পড়াশোনা করার পরেও এখন পরীক্ষা দিতে পারছি না। আমার কাছ থেকে ফর্ম পূরণের জন্য ৪ হাজার টাকা নিয়েছে সাবু।

রুহিয়া ডিগ্রী কলেজের ল্যাব সহকারী মো. সাবু বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। কেন ৪২ জন শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আসেনি এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।
রুহিয়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. মুজিবুর রহমান বলেন, আমাদের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটি রয়েছে তারা যে কয়েকজনের নাম দিয়েছে সেগুলোই আমরা ফরম পূরণ করেছি। বাকি বিষয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি বলতে পারবে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, এ বিষয়ে কলেজ অধ্যক্ষের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। যেভাবেই হোক ছাত্রছাত্রীরা যেন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে সে চেষ্টা করছি। এ ছাড়া যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কলেজ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে শেক্সপিয়ার স্মরণে নানা আয়োজন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইংরেজি সাহিত্যের কালজয়ী নাট্যকার, সাহিত্যিক ও কবি উইলিয়াম শেক্সপিয়ার এর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের উদ্যোগে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রুমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য(ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান।

বিভাগীয় প্রধান আরমান হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেজিস্ট্রার এএফএম মোদাচ্ছের আলী, কলা, সমাজবিজ্ঞান ও আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক চৌধুরী মোহাম্মদ আলী ।ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আবৃত্তি, নাট্যাংশ, সংগীত এবং শেক্সপিয়ারের সাহিত্যকর্মভিত্তিক পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। এছাড়াও তাঁর সাহিত্যকর্ম, নাট্যচর্চা এবং বিশ্বসাহিত্যে তাঁর অবদান নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য(ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান বলেন, শেক্সপিয়ারের সাহিত্য আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর সাহিত্যচর্চা মানবিক মূল্যবোধ ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।অন্যান্য বক্তারা বলেন, শেক্সপিয়ারের সাহিত্য শুধু ইংরেজি সাহিত্যের সম্পদ নয়, বিশ্ব সভ্যতারও এক অমূল্য ঐতিহ্য।

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণার বিকল্প নেই: সিভাসু উপাচার্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেছেন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোন বিকল্প নেই। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে চট্টগ্রাম সমুদ্রসম্পদ নিয়ে গবেষণার একটি আদর্শ স্থান। সমুদ্রসম্পদ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম ব্লু-ইকোনমিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত একটি গবেষণা উপপ্রকল্পের ইনসেপশন সেমিনারে উপাচার্য প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। হিট (হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন) প্রকল্পের আওতায় সিভাসু’তে গবেষণা উপপ্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গবেষণা উপপ্রকল্পের এসপিএম (সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার) প্রফেসর ড. মো: আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) প্রফেসর ড. আবদুল আহাদ, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রফেসর মো: আ: হালিম এবং সামুদ্রিক মৎস্য অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের পরিচালক মো: নজরুল ইসলাম।সেমিনারে উপপ্রকল্পের সামগ্রিক চিত্র তুলেন এসপিএম প্রফেসর ড. মো: আসাদুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য এবং প্রকল্পের বর্তমান কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রেজেন্টেশন দেন এএসপিএম (অ্যাসিসটেন্ট সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান খাঁন। সেমিনারে উপপ্রকল্পের ওপর একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। গবেষণা উপপ্রকল্পটির মেয়াদ তিন বছর।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ