আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

গাজীপুর:

কালিয়াকৈরে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকার অনশন

শাহিদুল ইসলাম কালিয়াকৈর গাজীপুর:

কালিয়াকৈর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চার বছর প্রেমের পর গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শুভ (১৮) নামে এক পুলিশ সদস্যের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন ফাতেমা (১৭) নামে এক প্রেমিকা।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালে উপজেলার চাপাইর ইউনিয়নের রশিদপুরের দরগাচালা এলাকায় আব্দুল বাছেদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।

প্রেমিকা ফাতেমা উপজেলার বড় কাঞ্চনপুর এলাকার ফজল হোসেনের মেয়ে।

এলাকাবাসী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত চার বছর আগে শুভর সঙ্গে প্রাইভেট পড়াকালে ফাতেমার পরিচয় হয়। পরে ফেসবুকের মাধ্যমে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মেয়ের বাবা ফজল হোসেন বিষয়টি জানতে পেরে পারিবারিকভাবে ফাতেমাকে আশুলিয়া থানার কবিরপুর গ্রামের সাইদুর হোসেনের সঙ্গে বিয়ে দেয়। বিয়ের এক বছর পর ফাতেমার ঘরে এক কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করে। এতেও তাদের প্রেমের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়নি। ফাতেমা স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি আসলে ওই পুলিশ সদস্য শুভ ফাতেমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। পরে দুজনের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন হয়। বিষয়টি স্বামী সাইদুর জানতে পেরে ফাতেমাকে সন্দেহের চোখে রাখেন। গত কয়েক মাস আগে শুভ ও ফাতেমাকে উপজেলার তালতলী এলাকায় আনন্দ পার্কের ভেতরে একটি কক্ষে অনৈতিক কাজে হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্বামী। পরে দুই পক্ষ একত্র হয়ে তাদের দুজনের মধ্যে পারিবারিকভাবে বিচ্ছেদ হয়। তবে নয় মাস আগে পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি পান শুভ। তিনি বর্তমানে শ্রীপুরের পুলিশ লাইনে রয়েছেন।

ফাতেমার দাবি, পুলিশ সদস্য শুভ চাকরিতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ফাতেমাকে জানিয়ে দিয়েছেন, পারিবারিকভাবে তোমাকে নেওয়া সম্ভব হবে না। যদি পারো তুমি আমার বাড়িতে উঠে যেও। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার সকালে ফাতেমা ওই ছেলের বাড়িতে বিয়ের দাবি নিয়ে অনশন করছেন।

এ বিষয়ে প্রেমিকা ফাতেমা বলেন, ‘বিয়ে না হলে আমি এই বাড়িতেই আত্মহত্যা করব। শুভ আমাকে বিয়ে করবে বলে আগের স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছি।’ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার সিকদার। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। শুনে আমি ছেলের বাড়িতে এসেছি। মেয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। সন্ধ্যার মধ্যে এর একটি সমাধান করে দেবো।’

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে কেউ অভিযোগ দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এভাবে কেউ কারও বাড়িতে উঠতে পারে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্রী অপহরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পূর্বাচল উপশহরের নীলা মার্কেট এলাকা থেকে কাজল রেখা (১৭) নামের এক কলেজ ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ ৩ জুন বুধবার সকালে বেড়াতে এসে সে অপহরণকারীদের কবলে পড়ে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ ৩ জুন বুধবার সকালে পূর্বাচল উপশহরের নীলা মার্কেট এলাকায় বান্ধবীদের সঙ্গে রাজধানীর উত্তরখান থানার কাঁচকুড়া এলাকার রনি আহম্মেদের মেয়ে কাজল রেখা বেড়াতে আসে। এসময় রাজধানীর খিলক্ষেত থানার পাতিরা এলাকার জিসান তার বন্ধুদের সহযোগীতায় কলেজ ছাত্রীর মুখ বেঁধে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে তুলে ঢাকার দিকে নিয়ে যায়।

এঘটনায় কাজল রেখার মা চামেলি বেগম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাতিরা এলাকার জিসান (২২), জিল মিয়া (৬০), মিলন মিয়াকে (৪০) নামীয় ও অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, কলেজ ছাত্রী কাজল রেখা অপহরণের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ, কে, এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ, কে, এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন। (ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বুধবার ৩ জুন দিবাপূর্ব রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা গেছেন।ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইবরাহীম হোসেন ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ