চট্টগ্রামে যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বাদশার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১০ জুলাই) বিকালে মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশার নেতৃত্বে নগরীর কাজীর দেউরী মোড় থেকে এই মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নুর আহম্মেদ সড়ক প্রদক্ষিন করে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আজ আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি ও নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশে যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে এমদাদুল হক বাদশা বলেন, ডামি নির্বাচনের সরকার দেশের মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়েছে। দুর্নীতি আর লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে ফোখলা করে দিয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে। তাই দেশের জনগণ তাকিয়ে আছে তরুণ যুবকদের দিকে। দেশজুড়ে যে অনাচার চলছে তার থেকে মুক্তি পেতে যুব সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে।শেখ হাসিনার পতনের মধ্য দিয়েই আনন্দ উদযাপন করবে যুবদল।

কেন্দ্রীয় যুবদলের নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশিত গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন বেগবান হবে। বর্তমান ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের কবল থেকে এদেশের যুবদল কর্মীরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবেই।

তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

মিছিলে অংশ নেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাছিম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, সহ অর্থ সম্পাদক জিয়াউল হক মিন্টু, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ইদ্রিস সবুজ, প্রাথমিক গণশিক্ষা সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন, সহ শিল্প সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জিতু, সদস্য সাব্বির ইসলাম ফারুক, বাকলিয়া থানা যুবদলের আহবায়ক ইসমাইল হোসেন লেদু, চকবাজার থানা যুবদলের আহবায়ক মো. সেলিম, কোতোয়ালি থানা যুবদলের সদস্য সচিব মো. হাসান, সি. যুগ্ম আহবায়ক এম এ জলিল, বাকলিয়া থানা যুবদলের সি. যুগ্ম আহবায়ক মুস্তাকিম মাহমুদ, চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিদওয়ানুল হক রিদু, মহানগর যুবদল নেতা আমিন উল্লাহ, মো. আলী, সাইফুল্লাহ ইসলাম, থানা যুবদল নেতা জাকির হোসেন, আবদুর রহিম মিনু, মাইনুদ্দিন খান রাজিব, সিরাজ খান রাজু, সাদ্দামুল হক সাদ্দাম, শফিউল বসর সাজু, ইয়াকুব খান, মো. ওসমান, মো. রায়হান, মো. মামুন, আবদুস সোবহান, ওমর ফারুক রানা, মো. শরীফ, দেলোয়ার হোসেন, মো. ফারুক, সাব্বির ইসলাম, মো. বাপ্পি, রাসেল করিম রাসেল, শহিদুল করিম শহীদ, আবুল হোসেন, মো. কাউসার, আবদুর রশিদ, আবদুল হামিদ, মো. আলমগীর, মো. মহসিন, নেজাম উদ্দিন, মো. মিজান, ফরিদ, মানিক, জাবেদ, হামিদ, রশিদ, রাসেল সহ ১৫টি থানা ও ৪৩ টি ওয়ার্ডের যুবদল নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বিএনপি -এনসিপি,র মধ্যে উত্তেজনা, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর আটকে দেয়ার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে এনসিপি ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। ২৯ জুলাই বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এরপর সন্ধ্যার পর মশাল মিছিল বের করেন এনসিপির বিক্ষুব্ধ কর্মীরা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে প্রেস ক্লাবের আশপাশের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। এসময় প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন বলেন, হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে আমরা কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলাম। কর্মসূচি শেষের দিকে হঠাৎ বিএনপির একদল নেতাকর্মী আমাদের চারপাশে ঘিরে রাখে। একপর্যায়ে তারা আমাদের নেতাকর্মীদের জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে বের করার চেষ্টা করেন। বাধা দিলে তারা আমাদের ওপর চড়াও হন। বিএনপির নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবেই তাদের ওপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শাহেদ বক্স বলেন-এনসিপি নেতারা তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করছেন বলে জানান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তাই আমি এনসিপির নেতাকর্মীদের নিবৃত করার চেষ্টা করি। পরে আমি দুই গ্রুপকে দুই দিকে সরিয়ে দিয়েছি। এসময় কোনো এনসিপির নেতাকর্মীর ওপর চড়াও হয়নি আমাদের কেউ।চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর বলেন- যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে দুই পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নেয় পুলিশ।

বালুর ট্রাক দিয়ে এনসিপিকে আটকে রাখা যাবেনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)র মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া বলেছেন- বালুর ট্রাক দিয়ে নেতাকর্মীদের আটকে রাখা যাবেনা। ২৯ জুলাই নিজের ফেসবুকে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন।ওই পোস্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া লিখেছেন, ‘বালুর ট্রাক ভোলা সহজ নয়। কিন্তু আমাদের আপনাদের মতো বালুর ট্রাক দিয়ে আটকে ফেলা যাবে না।

এদিকে বৃষ্টির মধ্যেও হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলায় অবস্থিত রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র এলাকার রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন এনসিপি নেতাকর্মীরা।এর আগে বুধবার এনসিপি নেতৃবৃন্দ মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ থেকে রওনা দিয়ে বিকেল ৫টার দিকে শ্রীমঙ্গলের চা কন্যা ভাস্কর্যের সামনে পৌঁছালে পুলিশ রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়।

এ সময় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাহিদ ইসলাম, ডা. মাহমুদা জাহান মিতু, সারজিস আলম, নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহসহ এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দীর্ঘসময় বাগ্‌বিতণ্ডা চলে। একপর্যায়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনের দিকে অগ্রসর হন তারা।

২৮ জুলাই হবিগঞ্জ জেলা শহরে পদযাত্রা ও সমাবেশ শেষে স্থানীয় বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এনসিপির নেতৃবৃন্দের সংঘর্ষে বাধে। এতে সারজিস আলমসহ বেশ কয়েকজন আহত হন এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।এ ঘটনার ওইদিন রাতে এনসিপির পক্ষ থেকে হবিগঞ্জে প্রতিবাদ সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।একই দিনে হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে সমাবেশের ডাক দেওয়া হলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ