আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে বাদশার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১০ জুলাই) বিকালে মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশার নেতৃত্বে নগরীর কাজীর দেউরী মোড় থেকে এই মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি নুর আহম্মেদ সড়ক প্রদক্ষিন করে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আজ আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি ও নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে ৬ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশে যুবদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে এমদাদুল হক বাদশা বলেন, ডামি নির্বাচনের সরকার দেশের মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়েছে। দুর্নীতি আর লুটপাটের মাধ্যমে দেশকে ফোখলা করে দিয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির মুখে। তাই দেশের জনগণ তাকিয়ে আছে তরুণ যুবকদের দিকে। দেশজুড়ে যে অনাচার চলছে তার থেকে মুক্তি পেতে যুব সমাজকেই এগিয়ে আসতে হবে।শেখ হাসিনার পতনের মধ্য দিয়েই আনন্দ উদযাপন করবে যুবদল।

কেন্দ্রীয় যুবদলের নতুন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশিত গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন বেগবান হবে। বর্তমান ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের কবল থেকে এদেশের যুবদল কর্মীরা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবেই।

তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

মিছিলে অংশ নেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাছিম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, সহ অর্থ সম্পাদক জিয়াউল হক মিন্টু, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ইদ্রিস সবুজ, প্রাথমিক গণশিক্ষা সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, সহ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মো. সালাউদ্দিন, সহ শিল্প সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জিতু, সদস্য সাব্বির ইসলাম ফারুক, বাকলিয়া থানা যুবদলের আহবায়ক ইসমাইল হোসেন লেদু, চকবাজার থানা যুবদলের আহবায়ক মো. সেলিম, কোতোয়ালি থানা যুবদলের সদস্য সচিব মো. হাসান, সি. যুগ্ম আহবায়ক এম এ জলিল, বাকলিয়া থানা যুবদলের সি. যুগ্ম আহবায়ক মুস্তাকিম মাহমুদ, চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রিদওয়ানুল হক রিদু, মহানগর যুবদল নেতা আমিন উল্লাহ, মো. আলী, সাইফুল্লাহ ইসলাম, থানা যুবদল নেতা জাকির হোসেন, আবদুর রহিম মিনু, মাইনুদ্দিন খান রাজিব, সিরাজ খান রাজু, সাদ্দামুল হক সাদ্দাম, শফিউল বসর সাজু, ইয়াকুব খান, মো. ওসমান, মো. রায়হান, মো. মামুন, আবদুস সোবহান, ওমর ফারুক রানা, মো. শরীফ, দেলোয়ার হোসেন, মো. ফারুক, সাব্বির ইসলাম, মো. বাপ্পি, রাসেল করিম রাসেল, শহিদুল করিম শহীদ, আবুল হোসেন, মো. কাউসার, আবদুর রশিদ, আবদুল হামিদ, মো. আলমগীর, মো. মহসিন, নেজাম উদ্দিন, মো. মিজান, ফরিদ, মানিক, জাবেদ, হামিদ, রশিদ, রাসেল সহ ১৫টি থানা ও ৪৩ টি ওয়ার্ডের যুবদল নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ