আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

বিএমডিসির ডাক্তারি সনদ ব্যতীত চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ

চট্টগ্রামে ভুয়া মহিলা ডাক্তার।। লাখ টাকা জরিমানা

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে পটিয়ার উপজেলার শান্তির হাটে চট্টগ্রাম জেলা এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এক ভুয়া ডাক্তারকে সনাক্ত করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তাকে লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তাহেরা বেগম নামে এ ভুয়া ডাক্তারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তার কাছ থেকে ভবিষ্যতে এ ধরণের আর চেম্বার না করার বিষয়ে মুচলেখা নেয়া হয়। তিনি দীর্ঘ ২ বছর ধরে এলাকায় চেম্বার খুলে ডাক্তারের সাইনবোর্ড লাগিয়ে বিভিন্ন রোগী দেখে আসছিলেন। আজ মঙ্গলবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে পটিয়া শান্তির হাট এলাকার হাজী মার্কেট ২য় তলায় তিনি চেম্বার করার সময় ডাক্তারি সনদ ব্যতীত ডাক্তার পরিচয় দিয়ে রোগী দেখার অপরাধে তাকে জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস। তাহেরা বেগম (৪৪) উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের সাততেতৈয়া গ্রামের মৃত নুরুজ্জামানের মেয়ে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএমডিসির ডাক্তারি সনদ ব্যতীত চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে উপজেলার শান্তির হাট এলাকার হাজী মার্কেট ২য় তলায় অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান পরিচালনার সময় অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ভুয়া ডাক্তার তাহেরা বেগমকে মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২৯(১) ধারা লঙ্গনের অপরাধে উক্ত আইনের ২৯(২) ধারায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাকে মুচলেখা নিয়ে সতর্ক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার সাজ্জাদ ওসমান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ শাহে এমরান, উপজেলা ভূমি অফিসের পেশকার সুদীপ্ত দাশ এবং পটিয়া থানার এসআই ইয়াছিন মাহমুদ প্রমুথ ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ