বিএমডিসির ডাক্তারি সনদ ব্যতীত চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ

চট্টগ্রামে ভুয়া মহিলা ডাক্তার।। লাখ টাকা জরিমানা

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে পটিয়ার উপজেলার শান্তির হাটে চট্টগ্রাম জেলা এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এক ভুয়া ডাক্তারকে সনাক্ত করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তাকে লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তাহেরা বেগম নামে এ ভুয়া ডাক্তারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তার কাছ থেকে ভবিষ্যতে এ ধরণের আর চেম্বার না করার বিষয়ে মুচলেখা নেয়া হয়। তিনি দীর্ঘ ২ বছর ধরে এলাকায় চেম্বার খুলে ডাক্তারের সাইনবোর্ড লাগিয়ে বিভিন্ন রোগী দেখে আসছিলেন। আজ মঙ্গলবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে পটিয়া শান্তির হাট এলাকার হাজী মার্কেট ২য় তলায় তিনি চেম্বার করার সময় ডাক্তারি সনদ ব্যতীত ডাক্তার পরিচয় দিয়ে রোগী দেখার অপরাধে তাকে জরিমানা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস। তাহেরা বেগম (৪৪) উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের সাততেতৈয়া গ্রামের মৃত নুরুজ্জামানের মেয়ে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএমডিসির ডাক্তারি সনদ ব্যতীত চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে উপজেলার শান্তির হাট এলাকার হাজী মার্কেট ২য় তলায় অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান পরিচালনার সময় অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ভুয়া ডাক্তার তাহেরা বেগমকে মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ এর ২৯(১) ধারা লঙ্গনের অপরাধে উক্ত আইনের ২৯(২) ধারায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে তাকে মুচলেখা নিয়ে সতর্ক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার সাজ্জাদ ওসমান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ শাহে এমরান, উপজেলা ভূমি অফিসের পেশকার সুদীপ্ত দাশ এবং পটিয়া থানার এসআই ইয়াছিন মাহমুদ প্রমুথ ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ তৈরির উপকরণ সহ এক ব্যক্তির কারাদণ্ড ও অর্থদন্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নকল দুধ তৈরির উপকরণ মজুদ ও ভেজাল দুধ তৈরির অভিযোগে আশরাফুল আলী(৪২) নামে এক ব্যক্তি কে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নে উপজেলা প্রশাসনের পরিচালিত এক অভিযানে তাকে আটক করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত আশরাফুল আলী সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মো. নুর ইসলামের ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে আশরাফুল আলীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০০ লিটার নকল দুধ এবং দুধ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত উপকরণের মধ্যে কেমিক্যাল, ভোজ্য তেল, চিনি ও অন্যান্য সামগ্রী রয়েছে, যা ব্যবহার করে ভেজাল দুধ প্রস্তুত করা হতো বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযান শেষে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফুজ্জামান।আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আশরাফুল আলী কে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

এ সময় অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশের সদস্যরা।উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বাজার জাতকরণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

হোমিওপ্যাথির মৌলিক নিয়মনীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য” অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা কর্তৃক আয়োজিত সাপ্তাহিক উচ্চতর প্রশিক্ষণ ক্লাস জেলা সভাপতি ও আজকের প্রবন্ধকার অধ্যাপক ডা. দেবব্রত ভট্টাচার্য মহোদয়ের সভাপতিত্বে গত ৩১ জুলাই ২০২৬খ্রি. শুক্রবার বিকাল তিনটায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিজুর রহমান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. ফেরদৌসী বেগম। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ডা. মৃদুল কান্তি দে। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ডা. অঞ্জন কুমার দাস, জেলা শাখার সহসভাপতি ডা. সাধন চন্দ্র পাল, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব প্রভাষক ডা. মোহাম্মদ এনামুল হক (এনাম), সরকারি আলাওল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী মোঃ সোলেমান, জেলা শাখার উপদেষ্টা ডা: পি.সি সাহা, জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. এস এম রবিউল হোসাইন।

আজকের প্রবন্ধের বিষয় ছিল “হোমিওপ্যাথির মৌলিক নিয়মনীতির গুরুত্ব ও তাৎপর্য”। জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এর সঞ্চালনায় উক্ত প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন ডা. রতন কুমার বণিক, ডা. অহিদ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, ডা. আবু সাইদ মোঃ নাসের, ডা. এস এম ফয়েজ উল্লাহ আল ফারুক, ডা. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ডা. মোহাম্মদ মুসা, ডা. অমিতা দেবী, ডা. অনিমা পাল, ডা. ফারজানা বাহার, ডা. মৃনাল কান্তি নাথ, ডা. যতীন্দ্রনাথ বল্লভ, ডা. মোঃ আব্দুর রহিম, ডা. বিমল কান্তি মজুমদার, ডা. মীর শারমিন, ডা. সায়মাতুল জান্নাত, ডা. মাসুকা বেগম, ডা. কাবেরী বড়ুয়া, ডা. আরিফুল ইসলাম, ডা. সেলিনা বেগম, ডা. পলাশ ভট্টাচার্য, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। সভাপতি মহোদয় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ