নোয়াখালী:

কোটাবিরোধী আন্দোলন: নোয়াখালীতে যুবদল-ছাত্রদলের ৫ নেতা গ্রেপ্তার

রিপন মজুমদার স্টাফ রিপোর্টার:

সুধারাম:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশব্যাপী চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলন দমাতে নোয়াখালীতে যুবদল-ছাত্রদলের ৫ নেতাকে গ্রেপ্তার করার অভিযোগ উঠেছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জামাল উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান মো.নোমান, সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মো.রায়হান, নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ইস্কান্দার মির্জা শামীম ও নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতা শাহদাত হোসেন হৃদয়।

বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। এর আগে, গতকাল মঙ্গল রাত সাড়ে ৯টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর হাউজিং এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রহমান বলেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে যুবদল-ছাত্রদলের নেতারা মাইজদী শহরের হাউজিং এলাকার একটি রেঁস্তোরায় বসে খাবার খাচ্ছিলেন। সেখান থেকে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের আটক করে নিয়ে যায়। বিএনপি শিক্ষার্থীদের চলমান যৌক্তিক কোটাবিরোধী আন্দোলনকে সমর্থন করেছে। ওই কারণে নোয়াখালীতে কোটা বিরোধী আন্দোলনকে দমাতে সরকার পুলিশকে লেলিয়ে দিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে পুলিশ গ্রেপ্তার চালিয়ে নেতাকর্মিদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

এসপি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন,গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনের সাথে এই গ্রেপ্তারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন জেলা পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। বুধবার দুপুরের দিকে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে চুরির ঘটনায় গ্রেফতার-২, উদ্ধার ১০ ভরি স্বর্ণালংকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বাসা থেকে ১২ ভরি স্বর্ণ চুরির ঘটনায় জড়িত দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মাহে আলম ওরফে শাহ আলম (৩০) এবং মো. মনির হোসেন (২৮)। পুলিশ বলছে, প্রধান অভিযুক্ত মাহে আলমের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি ও মাদক আইনে ১২টি মামলা রয়েছে। আকবরশাহ এলাকায় এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে এ সময় চুরি হওয়া প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) আকবরশাহ থানা পুলিশ এ তথ্য জানায়।

পুলিশ জানায়, গত ২০ জুলাই বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে আকবরশাহ এলাকার বিশ্ব কলোনির কে-ব্লকে উর্মিলা আক্তার নামের এক নারীর বাসায় এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা ওই বাসা থেকে ৩টি নেকলেস, ৩টি চেইন, ১টি ব্রেসলেট, ২টি চুড়ি, ৬ জোড়া কানের দুল ও ৮টি আংটিসহ মোট প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ ৪ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে গত ২৪ জুলাই আকবরশাহ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর সিএমপির পুলিশ কমিশনারের নির্দেশনায় আকবরশাহ থানার একটি চৌকস দল তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে গত সোমবার (২৭ জুলাই) পাহাড়তলী থানাধীন নেছারিয়া মাদ্রাসা গলি এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় আসামি মাহে আলম ও মনির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা চুরির ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য ও শনাক্ত মতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া ৩টি নেকলেস, ৩টি চেইন, ২টি চুড়ি, ৩ জোড়া কানের দুল এবং ২টি আংটিসহ মোট প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।

আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণালংকার যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলছে। এছাড়া চুরি হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধার এবং এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রামে মশাল মিছিলের চেষ্টায় ছাত্রলীগের ১৩ কর্মী আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ১৩ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা মশাল মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিলেন বলে পুলিশ জানায়। রোববার রাতে নগরের চান্দগাঁও থানা থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার তাদের আদালতে হাজিরের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতার ১৩ জন হলো, মোরশেদ আলম (৩৫), আয়াতুর রহমান হামিম (২০), সামি উদ্দিন (১৯), সাজ্জাদুল ইসলাম (২১), আরিফুর রহমান (২৮), দিদারুল ইসলাম বাবু (২৮), মাঈনুদ্দিন (৩৮), আজগর হোসেন (২৪), জাবেদুল ইসলাম (২৪), জুনাইদ হাসনাত ইফতি (১৯), সাজ্জাদ হোসেন (২৬), জিয়াউল হক রুবেল (২৭) এবং সাইফুদ্দিন (২২)।
চান্দগাঁও থানার ওসি জসিম উদ্দিন বলেন, গ্রেফতার কর্মীদের কাছ থেকে একটি ব্যানার ও ১০টি মশাল জব্দ করা হয়েছে। সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সবাইকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ