আজঃ শনিবার ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

ছাত্র জনতার এই বিজয় ৭১’র বিজয়কে স্মরণ করিয়ে দেয়। বিজয় মিছিল শেষে ——ডা. শাহাদাত হোসেন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজয় মিছিল শেষে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করতে হবে। কোন নেতার উপর, ধর্মীয় মন্দির, মাদ্রাসা গির্জা বা উপাসনালয়ের উপর হামলা না হয় এ ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি থাকতে হবে। এটা আমাদের নেতাকর্মীদের রক্ষা করতে হবে। সকল নেতাকর্মীদের দায়িত্ব থাকবে মন্দির, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং যত ধরনের উপাসনালয় আছে ভিন্ন ধর্মের ও মতের এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ কেউ ধ্বংস না করে। এবং কোন ভিন্নমতের প্রতিপক্ষের বাড়ি— গাড়ি ভাঙচুর না করে। হামলা না করে। ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেদিকে সমস্ত নেতাকর্মীদের সজাগ থাকতে হবে। এখন দেশকে বাঁচাতে হবে। এই যুদ্ধটা ছিল দেশ বাঁচানোর,মানুষ বাঁচানোর। কাজেই আমরা যেহেতু এই যুদ্ধে বিজয়ী হয়েছি। এখন সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে হবে।এখনো যারা কারাগারে আছে সবাইকে মুক্তি দিতে হবে এবং আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ উনাকেও অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। যারা শহীদ হয়েছে তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং যারা আহত আছে তাদেরকে দ্রুত সূ— চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। যে সমস্ত ছাত্র এবং শিক্ষক কারাবন্দি আছে তাদেরকে মুক্ত দিতে হবে। এবং বিএনপির সহ যারা আছে তাদেরকেও দ্রুত মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি এদেশকে সবাইকে রক্ষা করতে হবে। মানুষের মৌলিক অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে এই দুঃসময়ে সবাই জানে কারো উপর কোন হিংসাত্মক কিছু না করার জন্য এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস না হয় কোন গাড়ি—বাড়ি আক্রমণ না করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি আজ ৫ আগস্ট বিজয় মিছিল শেষে এ কথা বলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাসান বক্কর বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতনের মাধ্যমে ছাত্র জনতার বিজয় হয়েছে।এই স্বৈরাচার সরকার দীর্ঘ ১৭ বছরের ধরে জনগণের উপর দমন নিপীড়ন নির্যাতন চালিয়েছিল। আজ স্বৈরাচার শেখ হাসিনার কবল থেকে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে।আগামীতে নির্দলীয় সরকারের মাধ্যমে সকল দলের ও মতের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হবে।সকল নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানাচ্ছি কোন ধরনের ধ্বংসাত্মক কোন কাজ না করার জন্য।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন,
ইস্কান্দর মির্জা, আব্দুল মান্নান, গাজী মোহাম্মদ সিরাজুল্লাহ কামরুল ইসলাম সহ বিএনপি যুবদল ছাত্রদল সহ সর্বস্তরের ছাত্র জনতা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি’র ‘নির্বাচনী উঠান বৈঠক’।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে ‘নির্বাচনী উঠান বৈঠক’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির আয়োজনে পৌরশহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পানিউন্নয়ন বোর্ড কোলনী এলাকায় উঠান বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

উঠান বৈঠকের মধ্যভাগে ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের ১৫জন নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেন। এসময় তাদেরকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করেন নেন ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ।

ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে ‘নির্বাচনি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফ।

বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডেরই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার সম্পর্কে আপনাদেরকে নতুন করে কোনকিছু বলার নেই। তিনি আপনাদেরই মানুষ।

বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম বলেন, আপনাদের কাছে একটাই চাওয়া- আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা সকলেই মিলে মির্জা ফখরুলের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে উনাকে বিজয়ী করবেন। আপনাদের ভোটের মাধ্যমে মির্জা ফখরুল বিজয়ী হলে ঠাকুরগাঁও সদর আসনকে একটি মডেল আসন হিসেবে রূপান্তর করা হবে। আসুন উন্নয়নের স্বার্থে সবাই মিলে মির্জা ফখরুলের বিজয় নিশ্চিত করি।

এছাড়াও নির্বাচনী উঠান বৈঠকে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাবেক দলের সভাপতি মাসুদুল ইসলাম মুন্না, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. কায়েস, জেলা বিএনপি নেতা মমিনুল হক বাবু, ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ মোবারক আলী প্রমুখ।

এসময় বক্তারা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

অনির্বাচিত সরকার মানুষের আশা পূরণ করতে পারে না: আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কোনো অনির্বাচিত সরকার দেশের মানুষের আশা পূরণ করতে পারে না উল্লেখ করে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এটা বার বার প্রমাণিত হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা নির্বাচিত সরকার আসুক, মানুষ তাদের মালিকানা ফিরে পাক, ভোটাধিকার ফিরে পাক, তাদের জনপ্রতিনিধিরা সংসদে যাক।শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর) আসনের ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ড ও নিউমুরিং এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। শামসুল আলম জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করে গণসংযোগ শুরু করেন আমীর খসরু।

এ সময় তিনি স্থানীয় লোকজনের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দোয়া চান। পরে তিনি নিউমুরিং তকতারপুল এলাকা সহ আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ করেন। তাঁকে একনজর দেখতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি ইপিজেডে কর্মরত শ্রমিকরাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন। তরুণদের স্লোগানে মুখর ছিল পুরো এলাকা।
গণসংযোগকালে ভোটাররা তাঁর গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন, ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তিনি হাত নেড়ে তাঁদের শুভেচ্ছা জানান। বিতরণ করেন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’র প্রচারপত্র। এ সময় জনাব খসরু বলেন, দেশের ক্রান্তিলগ্নে মানুষের আস্থা সবসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ওপর।

যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে বিএনপি দেশের মানুষের পাশে ছিল। গণতন্ত্র বিরোধী শক্তি যারা, জনগণের ওপর যাদের আস্থা নেই, তারাই নির্বাচন চায় না। কিন্তু দেশের জনগণ নির্বাচন চায়, তারা ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। জনগণ চায় নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি নির্বাচিত সংসদ আসুক। দেশে স্থিতিশীলতা আসুক।তিনি বলেন, এখন একটা স্লোগান হচ্ছে ১১ তে ১১ অর্থাৎ ১১ আসনে ১১টা বিষয়ের ওপর আমরা গুরুত্ব দিয়ে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ১২০০ বেডের হসপিটাল, চট্টগ্রামে ভোকেশনাল সেন্টার, আইটি, সুপেয় পানির সমস্যা সমাধানসহ আরো কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করব ইনশাআল্লাহ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমএ আজিজ, সদস্য সরফরাজ কাদের রাসেল, হাজি হানিফ সওদাগর, বিএনপি নেতা রোকনউদ্দিন মাহমুদ, মো. নুরুজ্জামান, আবু সালেহ, মাহবুব এলাহী, মো. আশরাফ জাবেদ আনসারী, মো. ইমরান, মোজাদ বারেক প্রমুখ।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ