আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

সিএমপি’র ১৫ থানা সচল, ১টিতে খোঁজ হচ্ছে নতুন ভবন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরের ১৬টি থানার সবগুলোতে ফিরেছেন পুলিশ সদস্যরা। তবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে ১৫ থানায়। গত ৯ আগস্ট নগরীর ১১ থানায় সেনা পাহারায় সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। বাকি চার থানায় কার্যক্রম গত শনিবার থেকে সীমিত পরিসরে শুরু হয়েছে। এর ফলে গতকাল রোববার দেখা গেছে ১৫টি থানায় পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তবে যেসব থানা পুরো জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত থানাগুলোতেও সীমিত পরিসরে কাজ শুরু হয়েছে। আর যেসব থানা অক্ষত আছে সেখানে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
দেখা গেছে, কোতোয়ালী, ডবলমুরিং, হালিশহর এবং ইপিজেড থানায় সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরু হয়। কোতোয়ালী থানার কার্যক্রম থানার একটি রুমে এবং সামনে, ইপিজেড থানার কার্যক্রম নিউ মুরিং ফাঁড়িতে শুরু করা হয়েছে। তবে পতেঙ্গা থানা আগুনে পুরোপুরি জ্বলে গেছে। থানার কার্যক্রম শুরু করতে নতুন ভবন খোঁজা হচ্ছে। পতেঙ্গা থানা পুরোপুরি জ্বলে যাওয়ায় এই থানার কার্যক্রম শুরু করতে আরো কয়েকদিন লাগবে বলে সিএমপি সূত্রে জানা গেছে। গত দুদিন ধরে নগরীর সবগুলো থানায় পুলিশ সদস্যরা ফিরতে শুরু করেছেন।
নগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, নগরীর ষোল থানাতেই পুলিশ ফিরেছে। গত ৫ আগস্ট দুপুরে সরকার পতনের পর নগরীর আট থানায় আগুন দেওয়া হলেও বাকি আট থানা অক্ষত ছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে রাতে থানার অস্ত্র, গুলি পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ সদস্যরা নিজেদের বাসায় চলে যান। যেসব পুলিশ সদস্য থানার ব্যারাকে থাকতেন তারা বন্ধু–বান্ধব ও আত্মীয়-স্ব^জনের বাসায় আশ্রয় নেন। নগরীর কোতোয়ালী থানায় গিয়ে দেখা যায়, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম ওবায়দুল হকসহ এসআই, এএসআইসহ বেশ কয়েকজন কনস্টেবল থানায় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত শুক্রবার নগরীর ১১ থানায় সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ। থানাগুলো হলো চান্দগাঁও, বায়েজিদ বোস্তামী, খুলশী, পাঁচলাইশ, সদরঘাট, চকবাজার, বাকলিয়া, পাহাড়তলী, আবকরশাহ, কর্ণফুলী ও বন্দর। এছাড়া সীমিত পরিসরে কোতোয়ালী, হালিশহর, ইপিজেড, ডবলমুরিং থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পতেঙ্গা থানা পুরোপুরি জ্বলে যাওয়ায় এই থানার কার্যক্রম শুরু করতে আরো কয়েকদিন লাগবে বলে সিএমপির পক্ষ থেকে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ