আজঃ শনিবার ৩০ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে সড়কে নামল পুলিশ

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পতনের পর বিভিন্ন থানা এবং পুলিশের ওপর হামলা ঘটনার ঘটেছে। হামলা সহিংসতার ৭ দিন পর অবশেষে কাজে যোগদান করেছেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। আজ মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) চট্টগ্রামে বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের কাজ করতে দেখা যায়। ট্রাফিক পুলিশরা কাজে যোগদান করায় এবার ক্লাসে ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছেন ট্রাফিক শৃঙ্খলায় কাজ করা শিক্ষার্থীরা। তবে এর আগে সোমবার বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশ এর কাজ করতে দেখা যায়। সরেজমিনে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে ট্রাফিক পুলিশ কাজের ফেরার বিষয়টি চোখে পড়ে। এর মধ্যে নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান জিইসি মোড়ে ডিসি সহ সকল কর্মরত পুলিশ দের কাজে ফিরতে দেখা যায়। এছাড়াও ১১টার সময় নগরীর টাইগারপাস মোড়ে দেখা গেছে দায়িত্ব পালনরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। নগরী ঘুরে আরো দেখা গেছে আজকে ৭ম দিনে ও বরাবরের মত নগরীর অনেক জায়গায় পুলিশের সাথে আছে বিএনসিসি, স্কাউট এর সদস্যদের।
এদিকে আজ মঙ্গলবার থেকে চট্টগ্রাম নগরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় থাকছেন না শিক্ষার্থীরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মোহাম্মদ ইমন একথা জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীদের এখন ক্লাসে ফেরার সময় হয়েছে মন্তব্য করে পুলিশকে দ্রুত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। কাজে ফেরায় ট্রাফিক পুলিশকে তিনি ধন্যবাদ জানান।
উল্লেখ্য শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর ভেঙে পড়ে পুলিশের চেইন অব কমান্ড। ছাত্র-জনতার সবচেয়ে বেশি তোপের মুখে পড়ে পুলিশ। সারা দেশে বাহিনীটির থানা ও ট্রাফিক স্থাপনায় হামলা হয়। সেই সাথে পুলিশ সদস্যদের মারধর ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে সারা দেশের মত চট্টগ্রামও পুলিশ শূন্য ট্রাফিক সিগন্যাল ও সড়কে যান চলাচলের শৃঙ্খলার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় ছাত্র-জনতা।
ট্রাফিক পুলিশ কাজে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, সোমবার থেকে আমরা জোন ভিত্তিক ট্রাফিক কাজ প্রাথমিকভাবে শুরু করছি। মঙ্গলবার থেকে পুরোপুরি শুরু করতে পারব বলে আশা করছি। করতে পারব বলে আশা করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চসিক-বিদ্যানন্দের ভাগাভাগির ঈদ উৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

“ত্যাগের চেতনায় সমতার উৎসব—এই বিশ্বাসকে বুকে ধারণ করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন যৌথভাবে আয়োজন করেছে পথশিশু ও ছিন্নমুল বস্তিবাসীদের জন্য দিনব্যাপী হৃদয়ছোঁয়া “ঈদ আনন্দ আয়োজন”। হাজারো শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে ছিল নানা রাইডস, আনলিমিটেড আপ্যায়ন, আর দিনশেষে মন ছুঁয়ে যাওয়া “গানের আয়োজন”—যেখানে আনন্দ আর ভালোবাসা মিলেমিশে তৈরি করেছে এক অনন্য উৎসব।

আজ সকাল সাড়ে ১১ টায় এই মানবিক উদ্যোগের শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।তিনি বলেন “কাউকে পেছনে ফেলে নয়”—এই প্রত্যয়ে আমরা বিশ্বাস করি, ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। তাই এই ভালোবাসার গল্প, এই মানবতার উৎসব সবাইকে প্রতিবেশীর পাশে দাড়াতে তিনি আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে শতাধিক শিশুদের মাঝে মেয়র সালামি প্রদান করেন এবং এতিম শিশুদের সাথে খাবার গ্রহন করেন।
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর জামাল উদ্দিন বলেন: প্রতি বছর ঈদ আমাদের কাছে হাজির হওয়ার কথা সাম্য, সম্প্রীতি ও ত্যাগের বারতা নিয়ে। কিন্তু বর্তমান সময়ে ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবে যেনো বাধা-ব্যবধান বেড়েই চলেছে। কারও নুন আনতে পান্তা ফুরায়। কেউ ঈদ বাজারসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজার হাজার টাকা উড়ায়। ঈদ আসলেই ধনী-গরীবের বৈষম্য নগ্নভাবে প্রকাশিত হয়ে পড়ে আমাদের সমাজে। পরিবারের সদস্যদের মুখের অন্ন জোগাতেই যারা হিমশিম খাচ্ছেন ঈদ আসলে তাদের পরিবারে নেমে আসে বিষাদের ছায়া। তাদের নি:শব্দ কাতর চোখ কোন সাহায্য প্রার্থনা করেনা, তারা চায় সামাজিক সম্মান ও আত্নমর্যাদা।তাদের সেই সামাজিক সম্মান ও আত্নমর্যাদা নিশ্চিত করতেই আজকের এই আয়োজন।

গোপালগঞ্জে বাস ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জের বেদগ্রামে বাস ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে অন্তত ৫ জনের নিহতের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে । আজ বৃহস্পতিবার ২৮ মে সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানায়। নিহতদের মধ্যে দু’জন মোটরসাইকেল ও তিনজনের বাসের যাত্রী রয়েছে। গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুল্লাহ ও জেলা ফায়ার সার্ভিস ইন্সপেক্টর নিয়ামুল হুদা বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ