সুদক্ষ পুলিশ গঠন রাষ্ট্র ও জনগণর করণীয় (প্রসংঙ্গঃ সিঙ্গাপুর মডল)

এ.এম জিয়া হাবীব আহসান, এডভাকট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভুমিকা ঃ
বাংলাদশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডশন (বিএইচআরএফ) এর পক্ষ থেকে সকলের প্রতি রইল সালাম ও শুভছা। আপনারা অবগত আছন যে, অত্র সংস্থা অসহায় নির্যাতিত মানুষর জন্য কাজ কর যাচ্ছে। আইনগত সহায়তা ও অধিকার সচেতনতার পাশাপাশি জাতীয় জীবনে ঘটে যাওয়া মানুষের নানা অপরাধমূলক কর্মকান্ডের নিরপেক্ষ, কার্যকর এবং সুষ্ঠু ধারার দক্ষ গড়ে তোলার লক্ষ থেকেই বাংলাদশ মানবাধিকার কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধ দমন এবং প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি বিধান পুলিশের পাশাপাশি আমাদের প্রতিষ্ঠান অসহায় নির্যাতিত মানুষের তদন্ত ও আইনী সহায়তা দিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কি অপরাধমুলক কর্মকান্ডের ক্রমবর্ধমান ঘটনায় বাংলাদশ পুলিশ বাহিনীর উপর সাধারণ মানুষের বিশ্বাস এখন শূণ্যের কোটায়। কেননা কিছু কিছু ঘটনায় দেখা যায়, পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাই সরাসরি অপরাধের সঙ্গ জড়িত। যাদের কাছে মানুষ আশাকরে নিরাপত্তা, তারাই অনেক ক্ষেত্রে একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকান্ড ঘটায়।
১৮৫৭ সালপর বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন যখন ব্যর্থ হয়, তখন থেকে বৃটিশ শাসক গোষ্ঠী তাদের নিরাপত্তা রক্ষায় একটি অনুগত বাহিনী গড়ে তুলতে উদ্যোগি হয় এবং পরবর্তীত ১৮৬১ সাল পুলিশ অ্যাক্টের মূল গঠিত হয় পুলিশ বাহিনী। ১৮৬১ সালর পুলিশ বিধানের সারাংশ বর্ণিত হয়েছে সরকার ও সরকারী কর্মচারীদের নিরাপত্তা বিধান ও শাসক হিসেবেই পুলিশ বাহিনী গঠন করা হয়। সেই বৃটিশ বাহিনীর মানসিকতায় গড়া ১৮৬১ সালর পুলিশ অ্যাকটর পরিবর্তন করে পুলিশকে জনগণর বন্ধু হিসেবে প্রতিস্থাপন করা আজো সম্ভব হয়নি। ফলে পুলিশ জনগণের বন্ধুর লক্ষে সরকার ও সরকারী কর্মচারীদের আগ্গাবহ হিসেবে আজও পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের অনেক কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। শুধু অপরিবর্তিত রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। বাংলাদেশ পুলিশের অধিকাংশ সদস্যদের অভিযোগ, নানা প্রকার সমস্যায় তারা জর্জরিত। পুলিশ সদস্যদের না আছ উপযুক্ত বেতন, ওভার টাইম, বিশেষ ভাতা, আপদকালীন ভাতা, না আছে বাসস্থান, অফিস ব্যবস্থা, সরকারী যথার্থ মর্যাদা। নানা সমস্যায় জর্জরিত ও অনিয়মে পরিপূর্ণ পুলিশ বিভাগ। মামলার সঠিক সুষ্ঠু তদন্ত, দেশের আইন শৃংঙ্খলার উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন, আসামী গ্রেফতার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কোন কাজই পুলিশ সঠিকভাবে করতে পারছে না। তাই আজ দেশের ও দেশের স্বার্থে পুলিশ বিভাগের সংস্কার প্রয়োজন। ঢেলে সাজানো প্রয়োজন বৃটিশ আইন, নিয়োগ বিধি পরিবর্তন, অত্যাধুনিক ট্রনিং ও অস্ত্রসস্ত্র। অনেকেই বলছে পুলিশ মানবাধিকার লংঘন করছে। পুলিশ সদস্য বলছে তাদের মানবাধিকারের প্রতি কারো লক্ষ্য নাই। আমরাসহ বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এ অনিয়মের পরিবর্তন চাই, চাই যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আধুনিক পুলিশ। চাই অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সুদক্ষ ও বিচক্ষণ পুলিশ প্রশাসন। তারই জন্য প্রস্তাবিত “সুদক্ষ পুলিশ প্রশাসন গঠন রাষ্ট্র ও জনগণর করণীয়” নিয় আজকের এই প্রবন্ধ।
সুদক্ষ পুলিশ বলতে কি বুঝি ঃ
ধারাবাহিক —
………………….

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পদ্মার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ দুর্যোগের সময়ে বানভাসি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে চিলমারী ইউনিয়নের বাংলা বাজার-উদয়নগর এলাকায় বিজিবির কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) উদ্যোগে ৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী (চাল, ডাল, তেল, আটা ও লবণ) বিতরণ করা হয়।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, কুষ্টিয়া সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন এবং কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।

দুর্যোগের এই সময়ে বিজিবির পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উদয়নগর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, চারদিকে পানি উঠায় আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব বিপদে আছি। না ছিল খাওয়ার ব্যবস্থা, না ছিল চলাচলের উপায়। এই কঠিন সময়ে বিজিবির কর্মকর্তারা নিজ হাতে আমাদের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর থেকেই ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর রাখছে। চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বানভাসি মানুষদের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে আমাদের এই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। দুর্গম ও প্লাবিত এলাকাগুলোতে বিজিবির টহল ও পর্যবেক্ষণ জোরদার রয়েছে।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণ শেষে বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান বলেন, সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অর্পিত দায়িত্বের অংশ। পদ্মার পানি বাড়ায় এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আমরা সাধ্যমতো খাদ্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি এবং বন্যাকবলিত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত -সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই রায়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তারা। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। একই দিন অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ