আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

লালমনিরহাটের আ’লীগের শীর্ষ ১১ নেতা গণদুশমন তালিকায়’

সাহিদ বাদশা বাবু , লালমনিরহাট ::

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ ও দেশ ছাড়ার পর মন্ত্রী-এমপি’র পাশাপাশি লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সিংহভাগ নেতাই এখন লাপাত্তা। ফলে জেলা আ’লীগের শীর্ষ ১১ নেতার ছবি সম্বলিত “এরা সমাজের গণ দুশমন” পোস্টারটি শহর থেকে গ্রাম এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলা শহরের মিশন মোড়, আলোরুপা মোড় ও বিডিআর গেট সহ বিভিন্ন এলাকাজুড়ে সাঁটানো এবং ফেসবুকে ঢুঁকতেই চোখপড়ে ঐ সব পোষ্টার । গণ দুশমন প্রতিরোধ ও রাস্ট্র সংস্কার আন্দোলন-লালমনিরহাট কর্তৃক প্রকাশিত ওই পোস্টারে বলা হয় “এরা সমাজের গণ দুশমন” খুনি, ভোটচোর, দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, নিয়োগ বাণিজ্য সিন্ডিকেট, ঘুষখোর, হুন্ডি ব্যবসায়ী, দখলবাজ, নির্যাতনকারী ও সন্ত্রাসীদের ধরিয়ে দিন ।

উক্ত ছবি সম্বলিত পোস্টারটিতে লালমনিরহাট জেলা আ’লীগের শীর্ষ ১১ নেতারা হলেন, এ্যাড. মতিয়ার রহমান। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে লালমনিরহাট সদর-৩ আসনের সদ্য সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। নুরুজ্জামান আহমেদ, লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। এ্যাড. সফুরা বেগম, সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় নেত্রী এবং জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি।
লিয়াকত হোসেন বাচ্চু, সদ্য সাবেক হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। রুহুল আমিন বাবুল, সদ্য সাবেক পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। মাহমুদুল হাসান সোহাগ, হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
রাকিবুল হোসেন রাকিব, সদ্য সাবেক কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। সুমন খাঁন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। মিজানুর রহমান মিজান, লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনের সদ্য সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের একান্ত সচিব এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা ও আমিনুল ইসলাম খাঁন, লালমনিরহাট সদর উপজেলা হারাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন।

এসব সাবেক মন্ত্রী ও এমপি সহ জেলার নেতাদের ছবি সম্বলিত পোস্টার “এরা সমাজের গণ দুশমন” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুকে ঢুঁ মারতেই চোখে পড়ে ছবিগুলো। চোখজুড়ে শূন্যে ভেসে থাকা এসব ছবি এখন ফেসবুকে ভাইরাল। গণহারে শেয়ার হচ্ছে। যেখানে নেটিজেনরা জুড়ে দিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে (৫ আগস্ট) ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদেরই খোঁজ মিলছে না। গ্রেপ্তার আতঙ্কে গা-ঢাকা দিয়েছেন জেলার সব পর্যায়ের প্রভাবশালী নেতারা। বেশির ভাগ নেতা দেশে পরিচিতজন কিংবা স্বজনের বাসাবাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। আবার অনেকে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ