আজঃ শনিবার ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

গাজীপুরে আলেম উলামাদের সাথে জামায়াতের মতবিনিময়

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুর সদর-মেট্রো থানাধিন ২৯নং ওয়ার্ডের আলেম উলামাদের সাথে স্থানীয় জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের এক মত-বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় অত্র ওয়ার্ডের মসজিদ, মাদ্রাসার ইমাম ও খতিবসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আলেম উলামারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব নগরীর দক্ষিণ ছায়াবিথী এলাকার গালফ ইন রেস্টুরেন্টে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতে মাধ্যমে মতবিনিময় সভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। সভায় গাজীপুরের বিশিষ্ট দলিল লেখক ও সার্বেয়ার মোঃ জামাল উদ্দিন একটি ইসলামি সংগীত পরিবেশন করেন ।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গাজীপুর মহানগর জামায়াত ইসলামের বায়তুল মাল সেক্রেটারি মাও. সাকাওয়াত হোসাইন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জামায়াত ইসলামের গাজীপুর সদর মেট্রোথানা আমির সালাহউদ্দিন আইয়ুবী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ২৯নং ওয়ার্ড জামায়াত ইসলামের সাবেক সভাপতি কবির হোসেন, সোহরাব হোসাইন, ওয়ার্ড জামায়াত নেতা ইকবাল হোসাইন, আব্দুস সালাম, ফাহিমুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় আলেমদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, তরৎপাড়া দারুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম ও কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হযরত মাও. জয়নাল আবেদীন, সামান্তপুর ইবনে মাসউদ রাঃ মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম ও তরৎপাড়া মসজিদে আলাউদ্দিন’র খতিব হাফেজ মাও. আলমগীর হোসাইন, সামান্তপুর হাজী সরাফত আলী ফকির জামে মসজিদের সাবেক খতিব মুফতি জসিম উদ্দিন, হাজীবাগ আব্দুর রউফ সরকার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাও.মোস্তাকিম রেজা।

মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন, গাজীপুর মহানগর ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সেক্রেটারি ও জিএমপি সদর মেট্রোথানা ২৯নং ওয়ার্ড জামায়াত ইসলামের সভাপতি এফ. এম. জাহিদ আহমদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও পরিচালনা করেন অত্র ওয়ার্ড জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারি হাফেজ মোঃ মোকাররম হোসাইন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-১১ মর্যাদার আসনে সমানতালে চলছে ধানের শীষ-দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচার ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১১ সংসদীয় আসন নানা কারণেই এটি মর্যাদার আসন হিসেবে পরিচিত। এ আসন থেকে নির্বাচন করে একবার জয়ী হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী টানা একাধিকবার এ আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন। ফলে আসনটি ‘খসরুর নিজস্ব আসন’ হিসেবেও পরিচিতি পায়।

এছাড়া এআসনে ‘অর্থনীতির লাইফলাইন’ বন্দর অবস্থিত। সেই বন্দরসহ একগুচ্ছ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা যে এলাকায় সেটি দেশের আমদানি-রফতানিসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি-প্রকৃতির অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ তো করেই, তদুপরি বঙ্গোপসাগর ও কর্ণফুলী নদীর মিলনমোহনার এ আসনটি ভৌগলিকভাবেও বেশ গুরুত্ব বহন করে।
নগরীর বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গাসহ আশপাশের আরও কিছু এলাকা মিলিয়ে চসিকের ১০টি ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-১১ আসন।

এ আসনে মোট ভোটার পাঁচ লাখেরও বেশি। এর মধ্যে সংখ্যালঘু ভোটারেরও আধিক্য আছে। চট্টগ্রাম ইপিজেড, কর্ণফুলী ইপিজেড এ আসনে হওয়ায় বিপুল সংখ্যক ভিন্ন জেলার শ্রমজীবী ভোটারের বসবাস এখানে।এ ছাড়া, চট্টগ্রাম বন্দর, চট্টগ্রাম কাস্টমস, পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা তেল শোধনাগার, ইস্টার্ন রিফাইনারি, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর ঘাঁটি, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শিল্প-কলকারখানা অধ্যুষিত আসনটির দিকে বাড়তি নজর থাকে দেশের ব্যবসায়ী মহল থেকে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এ আসনে প্রার্থী করেছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে। আর বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ শফিউল আলমকে।
চারবারের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রীর সঙ্গে একবারের কাউন্সিলরের লড়াইটা আসলেই জমে কি-না, শেষমুহূর্তে চমকপ্রদ কোনো ঘটনা ঘটে যায় কি না, তা নিয়ে কৌতুহল আছে চট্টগ্রামবাসীর মধ্যে। অবশ্য ধানের শীষ এবং দাঁড়িপাল্লা- উভয় প্রতীকের প্রচার চলছে সমানতালে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম-১১ আসনে মোট প্রার্থী সাতজন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বী আমীর খসরু-শফিউল হলেও আরও আলোচনায় আছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু তাহের, বাসদের নিজামুল হক কাদেরী ও ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ আবু তাহের।

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বনেদি পরিবারের সন্তান আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তাদের মূল নিবাস উত্তর কাট্টলী এলাকায়। খসরুর বাবা বর্তমানে প্রয়াত মাহমুদুন্নবী চৌধুরীও রাজনীতিবিদ ছিলেন। পঞ্চাশের দশকে পূর্ব পাকিস্তানে আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই পরিবারের বড় সন্তান আমীর খসরু দেশে স্নাতক পর্যন্ত পড়াশোনার পর লন্ডন থেকে হিসাববিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন।

পারিবারিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকা আমীর খসরু নব্বইয়ের দশকে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে পড়ে যান। ১৯৯১ সালে বন্দর-পতেঙ্গা আসন থেকে জয়ী হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া আসনটি ছেড়ে দিয়ে উপনির্বাচনে খসরুকে প্রার্থী করেন। প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত করেন তিনি। এরপর ১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত দুটি সংসদ নির্বাচনে এবং ২০০১ সালের নির্বাচনেও তিনি জয়ী হন। বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের সরকারে তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

আসনটির গুরুত্ব বিবেচনায় দলের ‘হেভিওয়েট নেতা’ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বিএনপি আবারও প্রার্থী করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রায় ১৭ বছর ধরে চট্টগ্রামে বিএনপির রাজনীতির অন্যতম নিয়ন্ত্রক আমীর খসরুর মনোনয়নে উজ্জীবিত দলটির নেতাকর্মীরাও, যদিও প্রথমদিকে তিনি ওই আসন থেকে নির্বাচন করবেন না বলে ধারণা দিয়েছিলেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলের মনোনয়ন পেয়ে শুরু থেকেই জোর গণসংযোগ ও প্রচারে নেমে গেছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুধু মিছিল-স্লোগান আর বক্তব্য-বিবৃতির মধ্যেই তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। আগের চেয়ে প্রচারের ধরণও পালটে এবার খসরু হেঁটে ঢুকে যাচ্ছেন অলিগলিতে, বাসাবাড়ি, কলোনিতে, বস্তিতে, মার্কেট-দোকানপাটের ভেতরে। হাত মেলাচ্ছেন, বুকে টেনে নিচ্ছেন, কুশল বিনিময় করছেন আর ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করছেন। ফলে খসরু যেখানেই যাচ্ছেন সেখানেই উপচে পড়া জনসমাগম দেখা যাচ্ছে। সাধারণ ভোটাররাই বলছেন, অতীতে আমীর খসরুকে এমনভাবে প্রচার করতে তারা দেখেননি। শুধু আমীর খসরু নন, স্ত্রী তাহেরা আলম, ছেলে বিএনপি নেতা ইসরাফিল খসরুও নেমে গেছেন জোর প্রচারে।

ধানের শীষের পক্ষে জোয়ার তৈরি হয়েছে জানিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান সাহেব চট্টগ্রামে এসে জনসভা করেছেন। লাখ, লাখ মানুষের সমাগম হয়েছে। বিএনপির প্রার্থীরা যেখানেই যাচ্ছেন, মানুষ নিজ থেকেই এগিয়ে আসছে।

একধরনের জোয়ার দেখতে পাচ্ছি সর্বত্র। মানুষ বলছে, আমরা এবার ভোট দিতে চাই, গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই, আমরা সুন্দরভাবে বাঁচতে চাই। মানুষকে এ নিশ্চয়তা যে বিএনপি ছাড়া আর কেউ দিতে পারছে না, সেটা তারা বুঝে গেছে। এজন্য ধানের শীষের জোয়ার তৈরি হয়েছে। ইনশল্লাহ, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের সব আসনে বিএনপি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।বন্দর-পতেঙ্গাসহ পুরো চট্টগ্রামকে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির হাব হিসেবে গড়ে তোলা, স্থানীয় সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এদিকে জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল আলমও উচ্চশিক্ষিত, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেরিন সাইয়েন্সে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা। ছাত্রজীবন থেকে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। পরে জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ২০১৫ সালে তিনি চসিকের ৩৭ নম্বর উত্তর-মধ্য হালিশহর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন। এর পর প্রথমবার সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের মাঠে এসেই আলোচনা তৈরি করেছেন তিনি। প্রতিদিন মিছিল, সমাবেশ, গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

প্রতিহিংসামুক্ত উদার, মানবিক চট্টগ্রাম-১১ আসন গড়া এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাচ্ছেন শফিউল আলম। তিনি সারাবাংলাকে বলেন, আমার বক্তব্য হচ্ছে, কোনো প্রতিহিংসা থাকবে না, জুলুম থাকবে না। আমি নির্বাচিত হলে বিএনপির কারও গায়ে একটা ফুলের টোকাও দিতে দেব না। আওয়ামী লীগ যারা করেন, আওয়ামী লীগ করা তো অপরাধ না, তাদের ওপর কোনো জুলুম করা হবে না।

মামলা বাণিজ্য করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অনেক অত্যাচার করা হচ্ছে। আমি কাউকে আর এ অন্যায় করতে দেব না। জামায়াত, বিএনপি, আওয়ামী লীগ- আমরা সবাই মিলেমিশে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকব।

দ্বিতীয়ত, আমার এলাকায় যানজট সমস্যা মারাত্মক, জলাবদ্ধতার সমস্যা আছে। এলাকায় একটি সরকারি হাসপাতাল নেই। গণকবর, গণশ্মশান নেই। আমি নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানে সাধ্যমতো ভূমিকা রাখব। এ ছাড়া, চট্টগ্রাম বন্দর, কলকারখানা এখানে হওয়ায় প্রচুর চাঁদাবাজি হয়। আমি চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা গড়ব।

লালদীঘির ময়দানে জনতার দলের নির্বাচনী জনসভা কলম প্রতীক নির্বাচিত হলে জনগণের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কলম প্রতীক নির্বাচিত হলে চট্টগ্রাম-৯ আসনের জনগণের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন জনতার দল-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম কামাল। অদ্য ৩০ জানুয়ারী শুক্রবার বিকেলে ঐতিহাসিক লালদীঘির ময়দানে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী, চকবাজার, বাকলিয়া ও ডবলমুড়িং) আসনে জনতার দলের মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: হায়দার আলী চৌধুরী’র কলম মার্কার সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় এমন মন্তব্য করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম কামাল বলেন, স্বাধীনতার পর হতে বিগত ৫৪ বছর ধরে রাজনীতির নামে যে সকল নোংরামি, লুটপাট, গুম, খুন, অর্থ পাচার হয়েছে, তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসারবৃন্দ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে জনতার দল গঠন করেছি।

আমরা চট্টগ্রাম-৯ আসনে বীর প্রসবিনী চট্টলার একজন সিনিয়র নিষ্কলুষ আপামর জনসাধারণের পছন্দের অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছি। তিনি কলম মার্কায় এমপি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আমরা কোতোয়ালী বাকলিয়া চকবাজার ও ডবলমুরিং এলাকার সম্মানিত ভোটারদের প্রতি সবিনয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারা বিপুল ভোটে তাকে নির্বাচিত করলে বিগত ৫৪ বছর ধরে অবহেলিত ও বঞ্চিত এই এলাকার জনগণের ভাগ্যের চাকা ঘুরে সকলেই অবিশ্বাস্যভাবে ধনী ও সম্পদশালী হবেন অবশ্যই।

সভাপতির ভাষণে বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আলী চৌধুরী বলেন, বিগত ৫৪ বছরে দেশে এতো এতো মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, অর্থ পাচারকারী ও মাফিয়া লুটেরা গোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে কোন রাজনৈতিক সংগঠন বা কোন নেতা একটিও সৃষ্টি হয়নি। জনতার দল দেশ ও জাতির কল্যাণে সকল ধর্মের মানুষের জন্য সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও ইনসাফ বিশেষ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন বাজি রেখে গরীব দুঃখী খেটে খাওয়া অসহায় মেহনতি মানুষের মুক্তি দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্বোধন করেন জনতার দলের নৈতিক কমিটি প্রধান মেজর জেনারেল (অব:) মাহবুবুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, জনতার দলের কৌশলগত উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাব্বির আহমেদ, প্রধান সমন্বয়ক ও মুখপাত্র মেজর (অব:) ডেল এইচ খান, প্রধান আলোচক ছিলেণ, মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আজম খাঁন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন,রেজাউল করিম রাকিবুল, কৃষিবিদ যদু সিংহ, এডভোকেট গিয়াসউদ্দিন ও শ্যামল দাশ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ