আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে ১৫০ কিলোমিটার সড়ক ১শ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে সড়ক ও জনপথ বিভাগ চট্টগ্রাম জোনের অধীনে ১৫০ কিলোমিটার জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক রয়েছে। চট্টগ্রাম জোনের মধ্যে ফেনী থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত ৩১২ কিলোমিটারসহ পুরো চট্টগ্রাম জেলা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ এবং ৩ পার্বত্য জেলা। সওজে সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ের বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম জোনের অধীনে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং জেলা সড়ক গুলোর মধ্যে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব সড়ক জরুরি ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী মেরামতের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক গুলো জরুরি ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদী সময়ে মেরামতে ৫০ কোটি টাকা ঢাকাস্থ সড়ক ভবন থেকে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। অপরদিকে দীর্ঘমেয়াদী মেরামতের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম জোনের সাথে কথা বলে জানা গেছে। প্রকৌশলীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ১৫০ কিলোমিটার সড়ক সবটাই বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমনটা নয়। কোথাও হালকা কোথা ও মাঝারি আবার কোথা ও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এই ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জাহিদ হোসেন আজাদীকে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের বন্যায় আমাদের সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম জোনে ফেনী থেকে টেকনাফ এবং তিন পার্বত্যজেলায় ১০০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক স্বল্প মেয়াদী মেরামতের জন্য ৫০ কোটি টাকা এবং দীর্ঘ মেয়াদী মেরামতের জন্য ১০০ কোটি চাওয়া হয়েছে। সড়ক বিভাগ চট্টগ্রাম জোনে মোট ১৫০০ কিলোমিটার সড়ক রয়েছে প্রকৌশলী জাহিদ হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ের বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জোনে ১৫০ কিলোমিটার সড়ক কোথাও হালকা–কোথাও মাঝারি আবার কোথাও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। ১৫০০ কিলোমিটার সড়কের ঢাকা–চট্টগ্রাম (ফেনী থেকে কঙবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত) ৩১২ কিলোমিটার। চট্টগ্রামে (মীরসরাই ফটিকছড়ি ১২ কিলোমিটার, নোয়াপাড়া রাউজান ১৫ কিলোমিটার, রাঙ্গুনিয়ার গোডাউন ঘাট মুসলিমাবাদ ১৭ কিলোমিটার) এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান সড়ক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম
নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত এই কার্যালয়ে শুক্রবার রাতে কার্যালয়ের একটি অংশে হঠাৎ করে আগুন লাগে। খবর পেয়ে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম কন্ট্রোল রুম। এদিকে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
পাহাড়তলীতে অবস্থিত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের এই কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ