আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

দেবহাটার ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সহ ৩ জনকে গুলি করে হত্যা মামলা দায়ের

দেবহাটা প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিগত আওয়ামী লীগের ক্ষমতাকালীন সময় তৎকালিন দেবহাটা উপজেলা ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারী আবুল কালম সহ ৩ জনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ এনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী, সাবেক পুলিশ সুপার সহ ১৪১ জনকে আসামী করা হয়েছে।
যার মধ্যে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার তৎকালীন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি আবুল কালামকে হত্যার দায়ে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ.ফ.ম রুহুল হক, সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, দেবহাটা থানার ওসি তারক বিশ্বাস, কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আছাদুল হকসহ ৬৭ জনের বিরুদ্ধে এ হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
এছাড়া সাতক্ষীরার সদর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের বিএনপি কর্মী ইসলাম মোড়লকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, সদর সার্কেলের সাবেক এসপি কাজী মনিরুজ্জামান, ডিবির সাবেক ওসি এনামুল হক, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ, এএসআই পাইক দেলোয়ার, সদর থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক শেখ মো. নাসির উদ্দীন, এসআই বিধান কুমার বিশ্বাসসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে সাতক্ষীরার আমলি আদালত-১ এ মামলাটি দায়ের করেন সদর উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের মৃত একাব্বর মোড়লের ছেলে নিহত ইসলাম মোড়লের ভাই ইসরাইল মোড়ল। আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নয়ন বড়াল মামলাটি তদন্ত সাপেক্ষে এজাহার হিসেবে গণ্য করার জন্য সাতক্ষীরা সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ মামলার এজাহার নামীয় অন্যান্য আসামীরা হলেন, জজ কোর্টের সাবেক এপিপি ওকালত হোসেন, কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহাজাদাসহ ৩৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ১৫/২০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করা হয়।
অপরদিকে, সদর উপজেলার গোবিন্দকাটি গ্রামের লোকমান দফাদার এর ছেলে শিবির কর্মী মৃত হাফিজুর রহমানকে গুলি করে হত্যার দায়ে সাবেক পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির, সদর সার্কেলের সাবেক এসপি কাজী মনিরুজ্জামান, ডিবির সাবেক ওসির এনামুল হক, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন, জজকোর্টের সাবেক পিপি এডভোকেট আব্দুল লতিফসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। নিহত শিবির কর্মীর ভগ্নিপতি সলেমান সরদার সাতক্ষীরার আমলি আদালত-১ এ মামলাটি দায়ের করেন ।
বাদী পক্ষের আইনজীবি এড, আবুবকর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই সময়কার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা সম্ভব না হওয়ায় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হওয়ায় মামলাটি দায়ের করতে বিলম্ব হয়েছে। তিনি এসময় বিচারবহির্ভুত হত্যাকান্ডে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন।

Ibrahim Hosen
01704719948

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ