আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে চবির মূল ফটক অবরোধ শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মূল ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় একদিনের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগ না দিলে কঠোর আন্দোলন হুশিয়ারি দেয় শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টের মূল গেটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এসময় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে দুদিনের আল্টিমেটাম দেয় শিক্ষার্থীরা।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে পুনরায় একদিনের সময়সীমা বেঁধে দেন। একদিনের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের এ মানববন্ধনে একাত্মতা পোষণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমমনা ৩৫টি ক্লাব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অনার্সের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, চারটা স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ হয়নি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বেশি অবহেলিত ও বৈষম্যের শিকার। বৈষম্যের এ ধারা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আগেও ছিল এখনো আছে। বিভিন্ন অজুহাতে এখনো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্সে কী চবি থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে?
বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থীদের একটি আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। সেটার মেয়াদ ২০২৩ সালে শেষ হলেও এখনো আমি শিক্ষা জীবন শেষ করতে পারিনি। আমার জন্য কি বিশ্ববিদ্যালয় আরেকটি আইডি কার্ড দিবে?
সরকার পতনের পর উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়ে ১০, ১১, ১২ আগস্ট পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবু তাহের, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক বেনু কুমার দে, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সেকান্দর চৌধুরী, প্রক্টরিয়াল বডি ও হলের প্রভোস্টরা। এরপর থেকে অচল বিশ্ববিদ্যালয়টি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির পুরকৌশল বিভাগের বিদায় অনুষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নানা আয়োজনে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং(পুরকৌশল) বিভাগের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও ফেস্ট মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস বায়েজিদ আরেফিন নগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুরকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সায়মা আকতারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম ।

বিশেষ অতিথি ও উদ্বোধক ছিলেন উপাচার্য(ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান । বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. মোজাম্মেল হক, রেজিস্ট্রার এ এফ এম মোদাচ্ছের আলী, অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, কর্মকতার্, সাংবাদিক, আমন্ত্রিত অতিথি ও শিক্ষকবৃন্দসহ শিক্ষার্থীরা।

শুরুতে র‌্যালি ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য সহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। পরে আমন্ত্রিত অতিথিরা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রকাশনা ম্যাগাজিন অ্যাংকর-২০২৬ এর মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি, বিভাগের সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ইউসিটিসির সেমিনার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি চিটাগাং (ইউসিটিসি)-এর উদ্যোগে বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ডিপ্লোমা পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার গুরুত্ব, একাডেমিক অগ্রগতি এবং পেশাগত উন্নয়নের সম্ভাবনা তুলে ধরার লক্ষ্যে সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউসিটিসির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহিদ হোসেন শরীফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েট-এর প্রফেসর ও সাবেক উপ-উপাচার্য ড. জামালউদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার সালাহউদ্দিন আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ রূপক কান্তি বিশ্বাস।

সেমিনারে বক্তারা ডিপ্লোমা শিক্ষা সম্পন্ন করার পর উচ্চশিক্ষা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা, প্রকৌশল শিক্ষায় ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।পাশাপাশি ইউসিটিসির আধুনিক একাডেমিক পরিবেশ, উন্নত ল্যাব সুবিধা এবং সমসাময়িক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে উপস্থিত অতিথি ও শিক্ষার্থীদের অবহিত করা হয়।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ