আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে চবির মূল ফটক অবরোধ শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মূল ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় একদিনের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগ না দিলে কঠোর আন্দোলন হুশিয়ারি দেয় শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টের মূল গেটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এসময় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে দুদিনের আল্টিমেটাম দেয় শিক্ষার্থীরা।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে পুনরায় একদিনের সময়সীমা বেঁধে দেন। একদিনের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের এ মানববন্ধনে একাত্মতা পোষণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমমনা ৩৫টি ক্লাব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অনার্সের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, চারটা স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ হয়নি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বেশি অবহেলিত ও বৈষম্যের শিকার। বৈষম্যের এ ধারা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আগেও ছিল এখনো আছে। বিভিন্ন অজুহাতে এখনো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্সে কী চবি থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে?
বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থীদের একটি আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। সেটার মেয়াদ ২০২৩ সালে শেষ হলেও এখনো আমি শিক্ষা জীবন শেষ করতে পারিনি। আমার জন্য কি বিশ্ববিদ্যালয় আরেকটি আইডি কার্ড দিবে?
সরকার পতনের পর উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়ে ১০, ১১, ১২ আগস্ট পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবু তাহের, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক বেনু কুমার দে, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সেকান্দর চৌধুরী, প্রক্টরিয়াল বডি ও হলের প্রভোস্টরা। এরপর থেকে অচল বিশ্ববিদ্যালয়টি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি, খুবি শিক্ষকের কুশপুত্তলিকা দাহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি)এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানিমূলক বার্তা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।
অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ওই শিক্ষককে ইতোমধ্যে ডিসিপ্লিন-প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্র’।

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার উত্তাল হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল, শিক্ষকের কুশপুত্তলিকা দাহ এবং জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি পালন করেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ