উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে চবির মূল ফটক অবরোধ শিক্ষার্থীদের

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মূল ফটক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় একদিনের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগ না দিলে কঠোর আন্দোলন হুশিয়ারি দেয় শিক্ষার্থীরা। বুধবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টের মূল গেটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। এসময় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে দুদিনের আল্টিমেটাম দেয় শিক্ষার্থীরা।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে পুনরায় একদিনের সময়সীমা বেঁধে দেন। একদিনের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের এ মানববন্ধনে একাত্মতা পোষণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমমনা ৩৫টি ক্লাব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের অনার্সের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, চারটা স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ হয়নি। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বেশি অবহেলিত ও বৈষম্যের শিকার। বৈষম্যের এ ধারা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আগেও ছিল এখনো আছে। বিভিন্ন অজুহাতে এখনো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ডিন্যান্সে কী চবি থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা আছে?
বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থীদের একটি আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। সেটার মেয়াদ ২০২৩ সালে শেষ হলেও এখনো আমি শিক্ষা জীবন শেষ করতে পারিনি। আমার জন্য কি বিশ্ববিদ্যালয় আরেকটি আইডি কার্ড দিবে?
সরকার পতনের পর উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়ে ১০, ১১, ১২ আগস্ট পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবু তাহের, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক বেনু কুমার দে, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সেকান্দর চৌধুরী, প্রক্টরিয়াল বডি ও হলের প্রভোস্টরা। এরপর থেকে অচল বিশ্ববিদ্যালয়টি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে চট্টগ্রামে চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের অবস্থান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর ঘিরে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় নগরের লালখান বাজারে ফ্লাইওভারের মুখে অবস্থান নেন তারা। এ সময় চাকরিতে পুনর্বহালসহ ন্যায্য দাবি পূরণে সরকারের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ব্যাংকিং খাতে দায়িত্ব পালনের পর কোনো প্রকার ন্যায়বিচার ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই তাদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ফলে তারা ও তাদের পরিবার বর্তমানে আর্থিক ও সামাজিক সংকটে পড়েছে।

চাকরি হারিয়ে তাদের অনেকেই অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন জানিয়ে তারা বলেন, পরিবারের ভরণপোষণ, সন্তানদের পড়াশোনা, চিকিৎসার খরচ ও অন্যান্য দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে গিয়ে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া বয়স বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে কোথাও চাকরি পাওয়ার সুযোগও সংকুচিত হয়ে এসেছে। এই দীর্ঘ অনিশ্চয়তা ও অর্থসংকটের মধ্যে পড়ে ইতিমধ্যে কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।

কর্মসূচীতে অংশ নেওয়া চাকরিচ্যুত ব্যাংকাররা আরও জানান, দীর্ঘদিন ব্যাংকিং সেবায় নিয়োজিত থাকার পর হুট করে চাকরি হারিয়ে এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন পার করতে হচ্ছে। নিজেদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে এবং কর্মস্থলে পুনর্বহালের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হলে তারা আবারও মর্যাদার সঙ্গে জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাবেন বলে প্রত্যাশা তাদের।

চাকরিচ্যুত ব্যাংকারদের এই দাবি অবশ্য নতুন নয়। এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় হলুদ রঙের টি-শার্ট উঁচিয়ে তারা নিজেদের দাবি তুলে ধরেছিলেন। ওই দিন সকালেও নগরের হোটেল রেডিসন ব্লুর সামনে অবস্থান নিয়ে তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চালান তারা।

চাকরিচ্যুত ব্যাংকার ইলিয়াস হোসেন বলেছিলেন, তাদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যেন বিষয়টি সমাধানে উদ্যোগ নেন, সেই প্রত্যাশা থেকেই তারা সেখানে এসেছেন বলে জানান তিনি।

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে খাদ্য অপচয় রোধ ও পুষ্টি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে “খাদ্য অপচয় রোধ ও পুষ্টি সচেতনতা” শীর্ষক সেমিনার গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের আয়োজনে এবং হসপিটালিটি স্টুডেন্টস লিডারশিপ কাউন্সিল ( HSLC )—এর সহযোগিতায় আয়োজিত সেমিনারে এবারের প্রতিপাদ্য ছিল—“আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি নিশ্চিতকরণ”

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সালেহ জহুর, অধ্যাপক ড. শওকতুল মেহের এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ ড. হাসিনা আখতার লিপি, রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ এর ফুড অ্যান্ড বেভারেজ বিভাগের সহকারী পরিচালক গাজী মহিউদ্দিন এবং দ্য পেনিনসুলা চট্টগ্রামের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের প্রধান কামাল হোসেন।

সেমিনারের মূল লক্ষ্য ছিল খাদ্য অপচয়ের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসে উৎসাহ প্রদান এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল ও টেকসই চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা। পাশাপাশি, আতিথেয়তা ও খাদ্যসেবা খাতে খাদ্য অপচয় কমানো এবং পুষ্টিসচেতনতা বৃদ্ধিতে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

সেমিনারে সচেতনতামূলক আলোচনায় বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ হাসিনা আক্তার লিপি তাঁর আলোচনায় দেশিয় ফলমূল ও খাদ্যসামগ্রীর পুষ্টিগুণ এবং সুস্বাস্থ্য রক্ষায় এগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি গাজী মহিউদ্দিন তাঁর আলোচনায় হোটেলশিল্পে খাদ্যের গুণগত মান, পুষ্টিগুণ এবং তা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। একইসঙ্গে, মোহাম্মদ কামাল হোসেন তাঁর আলোচনায় হোটেলশিল্পের কার্যকর পদ্ধতিগুলো দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগের মাধ্যমে কীভাবে খাদ্য অপচয় রোধ করা সম্ভব, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন।

সমাপণী বক্তব্যে অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান আলোচকদের উপস্থাপিত বক্তব্যসমূহের ওপর বিশদ ও বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা প্রদান করেন এবং আলোচ্য বিষয়ের তাৎপর্য ও প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ