কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে

দেবহাটা প্রতিনিধি:

দেবহাটার কুলিয়ায় জামায়াতের কর্মী সমাবেশ ও দলীয় অফিস উদ্বোধন কালে বক্তরা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেবহাটার কুলিয়ায় কর্মী সমাবেশ ও দলীয় অফিস উদ্বোধন কালে বক্তরা বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন থাকলেও তা প্রকৃত পক্ষে ছিল না। এদেশের মানুষ নিজের ভোট নিজে দেওয়ার অধিকার ছিল না। আমাদের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে বাড়ি ছাড়া করা হয়েছে। দলীয় মানুষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হয়েছে। সৎ লোকের শাসন ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা না গেলে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না। বাংলাদেশ ৭১ এ স্বাধীন হলেও আমরা তার কোন সুফল পাইনি। আসুন আমরা সৎ লোকের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মানুষের তৈরী আইন শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। শান্তি আনতে কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করা জরুরী। কারণ স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার ক্ষমতার অপব্যবহার করে নতুন নতুন আইন তৈরী করে দেশের মানুষদের অন্যায় ভাবে হত্যা, গুম, জুলুম-নির্যাতন করেছে। তাদের জুলুমে সবচেয়ে বড় শিকার হয়েছে জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। আওয়ামী শাসনামলে দেশের মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। মানুষের ভোটাধিকার, বিরোধী দলগুলোকে সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং করার অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। মহান আল্লাহ স্বৈরাচার সরকারকে বিদায় করেছে। আজ দেশের মানুষ স্বাধীন। আগামীর দেশ হবে সুন্দর ও শান্তির বাংলাদেশ। বিগত দিনের সরকারের লক্ষ ছিল দূর্নীতি অনিয়ম করে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছেন। আগামীদিন জামায়াত ইসলামকে রাষ্টের ক্ষমতায় আনা হলে দেশ থেকে অনিময়, দূর্নীতি থাকবে না। দেশ পরিচালনা হবে কুরআন হাদিসের আলোকে। বক্তরা উল্লেখ করে বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে বিভিন্ন সময় ক্ষমতায় এনে দেখেছেন শাসন। একটিবার জামায়াত ক্ষমতায় আনা হলে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ হবে একটি ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে পরিচয় করে দিবে। যেখানে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীন ভাবে বসবাস করার সুযোগ পাবে। কারণ জামায়াত কোন অর্থ বা বিশেষ সুবিধার জন্য রাজনীতি করে না। দুনিয়ার সুখ নয় পরকালের সুখের জন্য জামায়াত ইসলাম কাজ করে।

আরো বলেন, আজ অফিস উদ্বোধন করার কথা না এখানে অফিস ছিলো, স্বৈরাচারি সরকারের পেটুয়া বাহিনি ভেঙ্গে দিয়েছিলেন। এই কুলিয়ার মাটিতে ৪ জন ভাইকে নির্মামভাবে শহীদ করা হয়েছিল। বিশেষ করে শহীদ আবুল কালাম, শহীদ আক্তারুল ইসলাম, শহীদ আলী মোস্তফা কি অপরাধ ছিলো তাদের। তারা স্বপ্ন দেখতো দেশে ইসলাম কায়েমের, দেশে কুরআনের আইন বাস্তবায়ন হোক, এটা ছিলো কী তাদের অপরাধ। শেখ হাসিনার সরকার চেয়েছিল জামায়াতকে নিষিদ্ধ করতে, কিন্তু তারা নিজেরাই নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। আজ তাদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যারা স্বৈরাচারি সরকারের আমলে অপরাধ করেছিল তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪টায় উপজেলার কুলিয়া নতুন বাজার এলাকায় ইউনিয়ন জামায়াতের অফিস উদ্বোধন কালে অতিথিরা তাদের বক্তব্যে এসব কথা বলেন বক্তরা।

অনুষ্ঠানের কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি হাফেজ মাও: সাদিকুল ইসলামের সঞ্চালনার ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, জেলা জামাতের সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওমর ফারুক, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী আলহাজ্ব মাহাবুবুল আলম, জেলার অন্যতম সদস্য এম আসাদুজ্জামান মুকুল, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, সেক্রেটারী এইচএম ইমদাদুল হক, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন, ভোমরা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আনোয়ার কবির, জামাত নেতা মাসুম খান চৌধুরী, দেবহাটা ইউনিয়ন জামাতের আমীর আবুল হোসেন প্রমুখ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের (ভারপ্রাপ্ত) সেক্রেটারী আব্দুল মান্নান মোল্লা, সখিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ইয়াকুব সরদার, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব আলম, পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা আবু ইউসুফ, দেবহাটা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবুল হোসেন, কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সহ-সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল গফফার, সহকারী সেক্রেটারী ইয়াকুব আলী, ইউনিয়ন টিম সদস্য রফিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নাটোরে বড়াইগ্রামে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার থানার মোড় এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহেদুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রাম-চকরিয়ায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে মালবাহী ট্রাকের।দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় ট্রাকটি সড়কের ওপর কাত হয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় দুইজন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন যাত্রীও।উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়াস্থ সবুজ পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে এই দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বৃহস্পতিবার দিনগত রাত পৌণে একটার দিকে।

নিহত দুই যুবকের বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে হবে বলে জানানো হয়েছে।মহাসড়কের চকরিয়ার ডুলাহাজারাস্থ মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে হতাহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।

মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশে কর্মরত নজরুল ইসলাম নামের এক সদস্য জানিয়েছেন- ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছে দুই যুবক। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতের উদ্ধার এবং দুর্ঘটনায় পতিত গাড়ি দুটি সরিয়ে নিলে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ঘটনাস্থল থেকে টেকনাফের দক্ষিণ হ্নীলা এলাকার আবুল কালামের ছেলে আব্দুল্লাহর একটি জাতীয় পরিচয় পত্রের (এনআইডি) কপি পাওয়া যায়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ