আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

শিক্ষাঙ্গন সন্ত্রাস মুক্ত রাখুন।

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্র শিবির সন্ত্রাসী কর্তৃক হামলায় আহত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের == ডা. শাহাদাত হোসেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা.শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য মুক্ত করতে হবে। আমরা বিগত ১৬ বছর ধরে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি দেশের গণতন্ত্র, ভোটার অধিকার, সন্ত্রাস মুক্ত নৈরাজ্যমুক্ত শিক্ষাঙ্গন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত ছিল। দীর্ঘ ১৬ টি বছর আওয়ামী লীগ প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে একদলীয় বাকশাল কায়েম করেছে। গত ১৬ বছরের শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে কিন্তু মান বৃদ্ধি পায়নি। শিক্ষার্থীরা বৈষম্য শিক্ষার হয়েছে।
রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে। এমনকি শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস নৈরাজ্য সৃষ্টি করে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করেছিল। দলীয়করণ মুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিবেশ তৈরি করতে পারলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা শিক্ষার পরিবেশ পাবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, দেশ নায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে শিক্ষাঙ্গনকে সন্ত্রাসমুক্ত করে শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কাজ করতে গিয়ে বিগত ১৬ বছরে অনেক ছাত্রদলের নেতাকর্মী নিহত হয়েছে এবং হামলা-নির্যাতনের শিকার হয়েছে । বিগত বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কাজ করে যাচ্ছে। গত এক মাস ধরে চট্টগ্রাম কলেজে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা যেভাবে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করেছে ঠিক সেভাবে ইসলামী ছাত্রশিবির শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ বিনষ্টের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রিন্সিপালের নিকট অভিযোগ দিলেই তাদের উপর ইসলামী ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। যার প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম কলেজ এর যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল করীম আরিয়ান, শরীফুল ইসলাম আবির, আজিজুল হক নাঈম ভূইয়া, সদস্য শুয়াইবুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলামসহ ৮ থেকে ১০ জন ছাত্রদলের নেতা কর্মী আহত হয়েছেন। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
তিনি আজ দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চট্টগ্রাম কলেজের ইসলামী ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাসী কর্তৃক আহত চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের নেতাদের কর্মীদের দেখতে গেলে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে। সন্ত্রাসী যারাই করুক না কেন তাদের ছাড় দেওয়া যাবে না। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আমরা স্বৈরাচার মুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। বৈষম্য কোথায় ও থাকবে না। কারো দখলের কোন শিক্ষাঙ্গন হতে দেওয়া যাবে না। সন্ত্রাসমুক্ত, নৈরাজ্যমুক্ত করে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে, ছেলেমেয়েদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে, অবক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে, দলীয়করণ মুক্ত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ তৈরি করতে অভিভাবকদের সহযোগিতা করতে হবে, সরকারের প্রশাসনের সহযোগিতা করতে হবে, রাজনীতিবিদদের সহযোগিতা করতে হবে তবেই শিক্ষাঙ্গনে পরিবেশ সৃষ্টি হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ড্যাব চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি ডা: তমিজ উদ্দিন মানিক , চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. সারওয়ার আলম, বিএনপি নেতা জসিম উদ্দীন চৌধুরী,চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সালাহউদ্দীন সাহেদ, সাবেক যুগ্ন সম্পাদক আমজাদ হোসেন শাকিল, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক সাফরাজ নুরী সিজ্জি,সি: যুগ্ম আহবায়ক বোরহানুল হক,চকবাজার থানা ছাত্রদলের আহবায়ক আলাউদ্দীন আলো, সদস্য সচিব ইমরান লিটন,কলেজ যুগ্ন আহবায়ক রিদুয়ান আলী,শওকত হোসেন বিজয়,মনজুরন আলম প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহরের বহরদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহেদুল ইসলাম, সহ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টিপু, চান্দগাও থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আলী আসমান, মোহাম্মদ ছাবের, ইমতিয়াজ নিশান, সহাব উদ্দিন শিহাব, মোহাম্মদ মোরশেদ, অহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, মো: খোরশেদ আলম, মো: মিনহাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক, মোহাম্মদ আরিফ, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ নুর নবী, আবদুল আজিজ, সহ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল,থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোশাররফ হোসাইন নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা বা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর মতো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলও প্রায়ই আনন্দ মিছিল ও স্বাগত কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানাতে এবং দলীয় প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ