আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

রাণীশংকৈলে সাংবাদিকদের সাথে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময়সভা

সফিকুল ইসলাম শিল্পী, রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাংবাদিকদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা নায়েবে আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধান বলেন,-
‘আমরা এমন সময় আপনাদের এখানে আহবান করেছি যে সময় ঘটে যাওয়া ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতা গণবিপ্লবের পরে এ দেশে একটি স্বাধীন এবং মুক্ত পরিবেশ বিরাজমান। সেই সাথে এখানে একাটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আছেন। যিনি সরকারের দ্বায়িত্ব পালন করছেন তিনি সাবেক নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড.মুহাম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই সরকারকে আমরা সার্বিকভাবে সহযোগিতার হস্ত প্রসার করেছি। আমাদের কেন্দ্রিয় জামায়াত স্পষ্ট ভাবে এবং দৃঢ় ভাবে বলেছেন যে, এই সরকার যোক্তিক সময় পর্যন্ত তারা ক্ষমতায় থাকবেন এবং যাবতীয় সংস্কার করে তারা একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিয়ে এসে জাতীয় নির্বাচন দিবেন, আমরা এইটাই প্রত্যাশা করি।’

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ তাদের নিজেস্ব কার্যালয়ে শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জামায়াতের উপজেলা শাখার সেক্রেটারি রজব আলীর সঞ্চালনায় উপস্থিতথেকে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতে নায়েবে আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধান।

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মতিউর রহমান, জেলা যুব বিভাগের সভাপতি শাহজালাল, রাণীশংকৈল উপজেলা জামায়াতে আমীর রফিকুল ইসলাম, সহসেক্রেটারী মিন্নাতুল পাঠান, উপজেলা বাইতুলমাল সম্পাদক রমিজ উদ্দিন আহমেদ,উপজেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন সভাপতি রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নায়েবে আমির সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্য তার বক্তব্যে বলেন”—অনেকে তাদের সংখ্যালঘু বলেন। আমরা বলতে চাই তারা জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক। সংখ্যালঘু বলে আমরা তাদের ছোট করতে চাই না।আপনারা যে যায়গায় আছেন আমরা আপনাদের সেই মর্যাদার আসনে রাখতে চাই।আপনাদের যতরকমের সমস্যা থাকতে পারে আপনারা আমাদের কাছে আসবেন না বরং আপনারাই আমাদের ডাকবেন,তাৎক্ষণিক ভাবে আমরা আপনাদের পাশে এসে দাড়াবো ইনশাআল্লাহ”। তিনি আরো বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির আমরা তথ্য সন্ত্রাসের শিকার।আমাদেরকে জংগী বানানো হয়,আমাদেরকে সাম্প্রতিক শক্তি বানানো হয়,আমাদেরকে সন্ত্রাসী বানানো হয় অথচ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি ছাত্রশিবির সন্ত্রাস, জংগীবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, যাবতীয় খারাপ জিনিসের ধারে কাছেও আমরা নাই।”
মতবিনিময় সভায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সংগঠনটির নেতৃবৃন্দরা বলেন, দীর্ঘদিন আমাদের বাকশক্তি হরণ করা হয়েছিল। ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর আজ আমরা মুক্তভাবে প্রকাশ্যে আমাদের কথাগুলো বলতে পারছি।”
এ সময় রাণীশংকৈল উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ