আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ট্যানেল সড়ক দখলের প্রতিযোগিতা, বাড়ছে দূঘর্টনা,ও অপরাধ, সড়ক বিভাগ নীরব ভূমিকা

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আনোয়ারায় ৬ লেন টানেল সংযোগ সড়কের ছয় কিলোমিটারের বেশি সড়কের দুই পাশে চলছে দখল প্রতিযোগিতা। এ সড়কের দুই পাশের অধিগ্রহণের ভূমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে পাকা দালান, ভাসমান দোকানসহ নানা স্থাপনা। ৬ লেইন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার আগে এমন দখল বেদখলের প্রতিযোগিতায় সড়ক বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের নিরবতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বর্তমানে এ সড়কের বিভিন্ন ভাসমান স্থাপনায় চলছে কিশোর গ্যাং এর আড্ডা। ফলে বাড়ছে চুরি, ছিনতাই ও সামাজিক অপরাধ। সেই সাথে দুর্ঘটনা আর যানজট নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাড়িয়েছে । সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায় , টানেল ছয় লেন সংযোগ সড়কের কালাবিবি মোড় থেকে চাতরি চৌমুহনী বাজার পর্যন্ত এ সড়কের দুই পাশের অধিকাংশ ভূমি অবৈধ দখলদারেরা বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করেছে। একই সাথে এ সড়কের কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন অংশে দখর প্রতিযোগিতা চলছে।
চট্টগ্রাম দক্ষিন সড়ক বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানায়, বর্তমানে সড়ক বিভাগে জনবল সংকটের কারণে সঠিকভাবে তদারকি কাজ হচ্ছে না। বিগত সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অনেকেই কালাবিবি দীঘি মোড় থেকে চাতরি চৌমুহনী বাজারের দুই পাশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমি দখল করে বাণিজ্যিক স্থাপনা, দোকানপাট নির্মাণ করে দখল করে আছে। এদের এতো দাপট কিছু বললে উল্টো আমাদের হুমকি দেয়। সিএনজি চালক কামাল বলেন, টানেলের কারণে আনোয়ারা কর্ণফুলীতে সড়কের দুই পাশের জমির পরিমাণ ৮/১০ গুণ বেড়ে গেছে। যার কারণে বর্তমানে চাতরি চৌমহনী বাজার থেকে কালাবিবি মোড় পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে অবৈধ দখল প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। শুধু তাই নয় একটি বিশেষ চক্র সড়কের জমি দখল করে মার্কেট ভাড়া দোকান নির্মাণ করে অনেক টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। স্থানীয় দোকানদার আরাফাত অভিযোগ, সড়ক বিভাগের কতিপয় কর্মকর্তার নীরব সম্মতিতে এসব ভূমি দখল হচ্ছে। প্রকাশ্যে দিবালোকে অবৈধ দখল চক্ররা স্থাপনা নির্মাণ করে চললেও উপজেলা প্রশাসন ও নীরব। এ ব্যাপারে দৃশ্যমান কোন অভিযান না থাকায়, অপরাধীরা দিনের পর দিন বেপরোয়া হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম সড়ক বিভাগের উপ সহকারী প্রকৌশলী বলরাম চাকমা জানায়, টানেল সংযোগ সড়কের বিভিন্ন অংশের ভূমি কতিপয় ব্যক্তি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে। অল্প কিছুদিন পর আমরা এই ব্যাপারে অভিযানে নামবো। আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানায়, সড়কের বিষয়টি সড়ক বিভাগের। তাই এ বিষয়ে আমাদের তেমন কিছু করার থাকে না।n

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ