আজঃ সোমবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিএসসি’র আরও একটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ঃ লাফ দিয়ে এক নাবিকের মৃত্যু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন আরও একটি তেলবাহী জাহাজে বিস্ফোরণের পর আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৪ অক্টোবর) রাতে বঙ্গোপসাগরে পতেঙ্গা এলাকায় নোঙর করা ‘এমটি বাংলার সৌরভ’ নামে তেলবাহী ওই জাহাজটিতে বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়।নিহত ওই নাবিকের নাম সাদিক মিয়া বলে জানা গেছে। তিনি জাহাজের স্টুয়ার্ডের দায়িত্বে ছিলেন।
জানা গেছে, বাংলার সৌরভে ১১ হাজার ৫৫ টন অপরিশোধিত তেল ছিল। ৪৮ জন ক্রু ও ওয়াচম্যান ছিল। তাদের জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। এরমধ্যে বিএসসির স্টুয়ার্ট সাদেক মিয়া হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। বিএসসির টেকনিক্যাল ডিরেক্টরকে প্রধান করে আট সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৩০ হাজার টনের একটি বিদেশি জাহাজ চাটারিং করা হয়েছে। এসপিএম চালু হলে লাইটারিং বন্ধ হবে।
কোস্টগার্ড পূর্বাঞ্চলের স্টাফ অফিসার (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আবরার হাসান জানান, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গেই জাহাজের নাবিকরা পানিতে লাফ দেন। পরে কোস্টগার্ডের সদস্যরা ৪৮ নাবিককে গিয়ে উদ্ধার করেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের বার্তা কক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল শুক্রবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নেভাতে কর্ণফুলী ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী একযোগে কাজ করেছে। রাত ২টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এরআগে, সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে বন্দরের ডলফিন জেটিতে তেল খালাসের সময় বিএসসি মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজ বাংলার জ্যোতির সামনের অংশে বিস্ফোরণের পর আগুন লাগে। ওই ঘটনায় তিনজন নিহত হন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তিন দফা দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে তিন উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে:সাদিক কায়েম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণকারী, হামলার পরিকল্পনা ও সহায়তাকারীদের গ্রেফতারসহ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সারা দেশে চিরুনি অভিযান শুরু করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে অনতিবিলম্বে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করতে ব্যবস্থা নেওয়া।

তিন দফা দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্র, আইন ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারী দিয়েছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।
এই দাবি অনতিবিলম্বে না মানা হলে এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান পরিবর্তন না দেখাতে পারলে, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে ।

ডাকসুর ভিপির নেতৃত্বে দুপুরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় ঘেরাও করতে মিছিল নিয়ে সচিবালয় অভিমুখে রওনা হন শিক্ষার্থীরা। কিন্ত পুলিশি বাধার মুখে এগোতে না পারায় তারা শিক্ষাভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নেন।পরে সাদিক কায়েমের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি দল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করতে সচিবালয়ে যান।সেখানে তাদের দাবিগুলো শুনে সেগুলো পূরণের আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে এনসিপির এমপি প্রার্থী দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন পেলেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি। তিনি এনসিপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয় যুব শক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব। দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপ ইউনিয়নের রামগাঁতী গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ভূমি কর্মকর্তা চৌধুরী বখতিয়ার মামুনের মেয়ে।

দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি ২০১৪ সালে উল্লাপাড়া মোমেনা আলী বিজ্ঞান স্কুল থেকে এসএসসি এবং ২০১৬ সালে উল্লাপাড়া বিজ্ঞান কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উর্দু সাহিত্য বিভাগে ভর্তি হয়ে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তিনি ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন।


জুলাই-আগস্টে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। মনোনয়নপ্রাপ্ত এনসিপির নেত্রী দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি তার দল থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ